Gaming with Emran
Free fire
TEC BLADE.TEC KUTTUS.TEC NEJAD.TEC RAHAT . #
TEC VS EVOS .TITEN ESPORTS vS EVOS.
300 টাকার ভুতের গেম । Gaming with Emran
আমার বৌ এর রান্না ভালো ছিলো না😭
ওর রান্নায় কোনদিন নূন কম হত তো কখনো মশলার গন্ধ করতো।
আম্মা অনেক চি'ল্লা'ইতো।
আম্মার কমন ডায়লোগ ছিলো -
এইডি কি রান্ধো?
খাওন যায় না।
আমি মই'রা গেলে আমার পোলার তো না খায়া ম/রা লাগবো।
ও যখন রেগে রেগে আমাকে জিজ্ঞাসা করতো
- কি রান্না কেমন হইসে? খাওন যায়?
আমি খুব নরম স্বরেই বলতাম
- হুম যাবে না কেন?
ভ'য় পাইতাম কিনা জানিনা। কেন মিথ্যা বলতাম তাও জানিনা।
চাইলে বলতে পারতাম
- এমনে না ওমনে রান্না কইরো।
তাহলে ভালো হবে।
কোনদিন বলি নাই।
একদিন অফিসে খাবারের বাটি খোলার সাথে সাথে খুব সুন্দর ঘ্রাণ আসলো।
বিয়ের ৭ মাসে এই ঘ্রাণ আমি ওর রান্নায় পাই নাই।
সেদিন খাবার এত মজা হইসিলো যে আমাকে আরো ২ প্লেট খেতে দিলে খেয়ে ফেলতে পারতাম।
আবেগ ধরে রাখতে না পেরে ওকে ফোন করলাম। হয়ত বলা উচিৎ ছিলো
- আজ রান্না অনেক দারুন হইসে।
এমনে রান্না কইরো।
কিন্তু প্রশংসা করলাম না।
আমার কাছে জিনিসগুলা খুব বিব্র'তকর লাগতো।
স্বামী আবার স্ত্রীকে থ্যাঙ্কস , সরি , প্রশংসা কেন করবে?
রান্নাটা তার ডিউটি। ভালো করলে প্রশংসা করাটা আমার ভালো লাগে না।
আমি ফোন করে বললাম
- কই আজকে না মার্কেটে যাইতে চাইসিলা?রেডি হয়ে আমার অফিসে ৫ টার সময় চলে আইসো।
বৌ ব্যাপক খুশি হয়ে গেলো।
আচ্ছা বলে ফোনটা রেখে দিলো।
আমি অফিস শেষ করে ঘড়ির কাটায় দেখলাম ৫.১০ বাজে।
ফোন দিলাম।
ফোন রিং বাজে কেউ ধরে না।
ফোন দিতেই থাকলাম।
ফোন বাজতেই থাকলো।
কোন খবর নাই।
আম্মা কে ফোন দিলাম পরে শুনলাম ও অনেক আগেই বাসা থেকে বের হয়ে গেছে।
৬ টা বেজে গেলো।
অস্থির লাগা শুরু করলো।
এদিক সেদিক খোঁজ করা শুরু করলাম।
হাতে ফোনটা দিয়ে কল দিয়েই যাচ্ছি। এরপর একজন ফোন ধরলো।
দৌড়ে গেলাম আয়েশা মেমরিয়াল হাসপাতালে। মহাখালীর ফ্লাইওভার পার হওয়ার সময় বাসের চাপা খেয়েছে বৌ আমার।
পা দুইটা নাকি ঐখানেই ঝুলতেসিলো।
ফোন ধরলো এক সার্জেন্ট … সে ই বললো।
এতক্ষণ ফোনটা তারা খেয়াল করে নাই।
তাই রিসিভ করতে পারে নাই।
যত দ্রুত সম্ভব গেলাম।
আমাকে দেখতে দেয় না ডাক্তাররা। বারবার অনুরোধ করলাম। দিলোনা। বলল
- এত মু'মূ'র্ষু অবস্থায় আপনি দেখতে পারবেন না।
৪ ঘন্টা পর তখন রাতের ১২.৩০ টা বেজে গেছে।
ঢাকায় যত আত্মীয় ছিলো সবাই চলে আসলো।
আমাকে ডাক্তার ডেকে বলল
- পা তো আমরা কে'টে ফেলেছি। র'ক্ত অনেক গিয়েছে। জ্ঞান নেই। আসলে আপনে দেখে আইসেন।
ভোর হয়ে গেলো
"ভাবী ভাত রান্না করোনি?"
ভাবী বসে টিভি দেখছিলো। আমার কথায় চোখ মুখ কালো করলেও, তা প্রকাশ না করে বললো,
"আসলে মেঘ ফ্রিজে অনেক ভাত তাই ভাত বেশি রাঁধিনি। তোমার ভাই খেয়ে গেছে আর অল্প ভাত ছিলো সেইটা আমি খেয়ে নিয়েছি। তুমি বরং ফ্রিজের থেকে ভাত নামিয়ে গরম করে খেয়ে নাও।"
আমি হেসে বললাম,
" ঠিকি করেছো ভাবী। এতো ভাত ফ্রিজে রেখে অল্প ভাত রান্না করাতে ভালোই হয়েছে। নয়তো নষ্ট হতো।"
ফ্রিজ থেকে ভাত বের করেছি। ভাতগুলোতে পানি জমে গেছে। অনেকদিন আগের ভাত। তাও গরম করে কষ্ট করে খেয়ে নিয়েছি। যদিও নষ্ট ছিলো ভাতগুলো। তবে পেট কি আর শূন্যতা মানে?
ভাইয়া অফিস থেকে আসতেই ভাইয়ার কাছে গেলাম। বললাম,
"ভাইয়া স্যার বলেছে কলেজের বেতন দিতে।"
ভাইয়া চারিদিকে তাড়াতাড়ি চোখ বুলিয়ে আমার হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে বললো,
" নে মেঘ তোর বেতন। তাড়াতাড়ি যাহ। গিয়ে পড়তে বস।"
"আমার থেকে লুকিয়ে বোনকে বেতন দাও তাইনা? আমি একটা জিনিস চাইলে টাকা নেই, এই নেই,সেই নেই। এখন এতো টাকা কোত্থেকে আসে শুনি?"
"আস্তে কথা বলো রাই। মেঘ শুনতে পাবে।"
" শুনলে শুনুক। বলেছিলাম তোমায় ভালো বিয়ে আসছে..বিয়ে দিয়ে দাও। কিন্তু তুমি! আমার কথা শুনতেই চাচ্ছোনা।"
"মেঘ পড়াশোনা করতে চাই রায়। আমার একটাইতো বোন..."
আর শুনতে পারলাম না। ভাবীদের রুমের বাইরে থেকে চলে এলাম নিজের রুমে। চোখে পানি টলমল করছে। গিয়েছিলাম পানি আনতে। ভাবীর ঘর পেরিয়ে যেতে হয়। আসার সময় এইসব শুনবো কল্পনাও করিনি। মা-বাবা ভাইয়ার কাছে আমাকে দিয়ে মুক্ত হয়ে গেলো কিন্তু আমিতো ভালো নেই..একদম ভালো নেই। চোখের পানিটুকু মুছে বললাম,
" ব্যাপার না..আমার সাথে এ আর নতুন কি?!"
অ
পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ কারো জন্য এত কাঁদেনি😭😭😭, হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার উম্মতের জন্য যতটা কেঁদেছেন😭😭😭😭😭 আমিন🤲🤲🤲🤲
আমার বিয়ের সাতমাস পর আমার শ্বাশুড়ি ঢাকায় এলেন চিকিৎসা করাতে। আমি যথারীতি মাথায় কাপড় দিয়ে ওনাকে সালাম করতে গেলাম। উনি পা সরিয়ে নিলেন।
অপরাধ, আমি শ্যামা। উনি দুধে আলতা মেশানো অপরূপ সুন্দরী।
আমাদের দেশে সুন্দরী বলতে ধবধবে ফর্সা রং। শরীরে স্বাস্থ্য ভারি। মুখের আদল সেটা নাইবা বললাম।
খুব ভয় পেয়ে গেলাম। আমি তখন এইচএসসি পাশ করেছি। পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি। একহারা গঠন। এক ঢাল চুল।কৃষ্ণকলি।
এত সৌন্দর্য ম্লান হয়ে গেলো রংএর কাছে।
আমরা দুজন দুজনকে ভালোবেসেছিলাম।পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছিলো।
ওদের তরফ থেকে আমার শ্বশুর আর কয়েকজন আত্মীয় এসেছিলেন।
প্রতিটি বেলা আমি আতংকিত থাকতাম।শ্বাশুড়ি মা কথা বলতেন না। অবহেলা করতেন।
আম্মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী সেবা করতাম।এমন কি তিঁনি মাঝে মাঝে একা বাথরুমে যেতে পারতেন না।
ওনার গোসল, কাপড় পরিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেয়া। মুখে করে খাইয়ে দেয়া। সময়মত ঔষধ খাওয়ানো সব কাজ করে দিতাম।
শিশির মানে আমার স্বামী মহা খুসি আমার আচরণে।
এত কষ্ট করতাম কিন্তু আম্মার মন গলতো না। আমি তাতে কিছু মনে করতাম না। মা তো, একদিন না একদিন বুকে টেনে নেবেন।
অসুখ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলো। বাড়ি থেকে আমার ননদ চলে এলো। সেও মায়ের আদল রং পেয়েছে। এবার এসএসসি দিয়েছে। সেও মায়ের চেয়ে একহাত বেশি।
প্রথমেই ভেবে নিলো আমি কাজের বুয়া। কথায় কথায় আদেশ। অবাক হতাম ওর আচরণ দেখে! কিছুই মনে করতাম না।
আমার ভালোবাসা দিয়ে সবার মন জয় করবো। আমার বাবা-মাকে কিছু জানাতাম না।আস্তে আস্তে আম্মা সুস্থ হলেন।
মাঝেমাঝে আমাকে এটা সেটা আনতে বলতেন। বৌ পানি দাও,বৌ ওয়াসরুমে যাবো এই এতটুকু।
রাতে খুব কাঁদতাম। শিশির সব বুঝতো। শুধু কাছে টেনে নিয়ে বলতো,আর ক'টা দিন মা সুস্থ হয়ে গেলে চলে যাবেন।
ওনার খাবার রুটিন চার্ড দেখে অবাক হতাম। আমার মা'কে দেখেছি। সকালে উঠে সবার নাস্তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। আসলে মা কখন নাস্তা করতেন জানি না।
আমরা তিন ভাইবোন, বাবা। আমরা পড়তে বসে যেতাম। বাবা অফিসে যাবার প্রস্তুতি নিতেন। ওই সময়ের মধ্যে বাবা দুপুরের খাবার। আমাদের স্কুলে - কলেজে যাবার তাড়া।মা প্রচন্ড ব্যস্ত।
একটা বুয়া আছে।তবুও মা'য়ের ব্যাস্ততা
কমতো না।
শ্বাশুড়ি মা ফজরের নামাজ পড়ে ভোরে একগ্লাস দুধ আর দু'টো বিস্কুট। এরপর আটটায় গরম ভাত,সাথে ডাল, সবজি।
আম্মাকে খাওয়ানো পর ঔষধ দিতাম।সকালেও ঔষধ খাওয়াতাম। উনি ন
বল্টুকে ধমক দিয়ে বললেন শিক্ষিকাঃ এই! ক্লাসে ঘুমাচ্ছ
কেন?’
,
বল্টুঃ ম্যাডাম, আপনার কণ্ঠস্বর এতই মধুর, শুনলেই আমার ঘুম এসে
যায়!
,
শিক্ষিকা : তো বাকিরা কেউ ঘুমাচ্ছে না কেন?
,
বল্টু : কারণ, ওরা আপনার কথা শুনছেই না!
,
শিক্ষিকা বল্টুর ওপর খুব খে/পে গেলেন।
হাতের স্কেলটা বল্টুর দিকে ই/ঙ্গিত করে বললেন
,
শিক্ষিকাঃ এই স্কেলের এক প্রান্তে একটা গর্দভ দাঁড়িয়ে
আছে।’
,
বল্টুঃ কোন প্রান্তে ম্যাডাম?’
এই প্রান্তে না ওই প্রান্তে।
,
ম্যাডাম রেগে আগুন
।
।
শিক্ষিকা: বল্টু আচ্ছা জলেতে বাস করে এমন পাঁচটি প্রাণীর নাম
বল?
,
বল্টুঃ ব্যা/ঙ।
,
শিক্ষিকা: আর বাকি চারটা?
,
বল্টুঃ ব্যা/ঙের মা, বাবা, বোন আর প্রেমিকা।
,
শিক্ষিকাঃ আচ্ছা তুই বড় হয়ে কি হবি বলতো?
,
বল্টুঃ (খুব লাজুক ভাবে)আমি বড় হয়ে গো/য়ে/ন্দা হব!
,
,
শিক্ষিকাঃ (চমকে উঠে)কী তুই গো/য়েন্দা হবি?
,
বল্টুঃ আপনি জানেন? আমি এখন থেকে
গো/য়ে/ন্দাগীরি করি।
,
শিক্ষিকাঃ তা কার উপর গ/য়ে/ন্দা গীরি করিস শুনি?
,
বল্টুঃ কেন মা বাবার উপর।
,
শিক্ষিকাঃ(চমকে উঠে) মানে?
,
বল্টুঃ হ্যাঁ মা বাবা ঘুমিয়ে পড়ে আর আমি জেগে থাকি।
,
শিক্ষিকাঃ কেন?
,
বল্টুঃ একদিন ঘুমিয়ে ছিলাম কেস খতম
অর্ধেক সম্পত্তি হাত ছাড়া।
,
শিক্ষিকাঃ কেন কিভাবে?
,
বল্টুঃ আমার একটা ভাই হয়ে গেলো।
শিক্ষিকাঃ বেহুস।
যারা আইডি ফলো না করে গল্প পড়ছেন তাঁদের বলছি আইডি ফলো করেন আইডির গল্প গুলো মন ছুঁয়ে যাবে 👉👉 Emran YT ff
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi