আঁবেঁগিঁ সেঁইঁ আঁমিঁ

আঁবেঁগিঁ সেঁইঁ আঁমিঁ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আঁবেঁগিঁ সেঁইঁ আঁমিঁ, Amateur Sports Team, Rajendrapur.

ღ_ღ_ কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও? তারি রথ নিত্য উধাও। জাগিছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন চক্রে পিষ্ট আধারের বক্ষ-ফাটা ...
02/07/2018

ღ_ღ_ কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও? তারি রথ নিত্য উধাও। জাগিছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন চক্রে পিষ্ট আধারের বক্ষ-ফাটা তারার ক্রন্দন। ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল তুলে নিল দ্রুতরথে দু'সাহসী ভ্রমনের পথে তোমা হতে বহু দূরে। মনে হয় অজস্র মৃত্যুরে পার হয়ে আসিলাম আজি নব প্রভাতের শিখর চুড়ায়; রথের চঞ্চল বেগ হাওয়ায় উড়ায় আমার পুরানো নাম। ফিরিবার পথ নাহি; দূর হতে যদি দেখ চাহি পারিবে না চিনিতে আমায়। হে বন্ধু বিদায়। কোনদিন কর্মহীন পূর্ণো অবকাশে বসন্তবাতাসে অতীতের তীর হতে যে রাত্রে বহিবে দীর্ঘশ্বাস, ঝরা বকুলের কান্না ব্যাথিবে আকাশ, সেইক্ষণে খুজে দেখো, কিছু মোর পিছে রহিল সে তোমার প্রাণের প্রানে, বিস্মৃতি প্রাদোষে হয়তো দিবে সে জ্যোতি, হয়তো ধরিবে কভু নামহারা স্বপ্নে মুরতি। তবু সে তো স্বপ্ন নয়, সব চেয়ে সত্য মোর সেই মৃত্যুঞ্জয় - সে আমার প্রেম। তারে আমি রাখিয়া এলাম অপরিবর্তন অর্ঘ্য তোমার উদ্দেশ্যে। পরিবর্তনের স্রোতে আমি যাই ভেসে কালের যাত্রায়। হে বন্ধু বিদায়। তোমায় হয় নি কোন ক্ষতি। মর্তের মৃত্তিকা মোর, তাই দিয়ে অমৃতমুরতি যদি সৃষ্টি করে থাক তাহারি আরতি হোক তবে সন্ধ্যা বেলা- পূজার সে খেলা ব্যাঘাত পাবে না মোর প্রত্যহের ম্লান স্পর্শ লেগে; তৃষার্ত আবেগবেগে ভ্রষ্ট্র নাহি হবে তার কোন ফুল নৈবদ্যের থালে। তোমার মানস ভোজে সযত্নে সাজালে যে ভাবরসের পাত্র বাণীর ত'ষায় তার সাথে দিব না মিশায়ে যা মোর ধূলির ধন, যা মোর চক্ষের জলে ভিজে। আজও তুমি নিজে হয়তো বা করিবে বচন মোর স্মৃতিটুকু দিয়ে স্বপ্নবিষ্ট তোমার বচন ভার তার না রহিবে, না রহিবে দায়। হে বন্ধু বিদায়। মোর লাগি করিয় না শোক- আমার রয়েছে কর্ম রয়েছে বিশ্বলোক। মোর পাত্র রিক্ত হয় নাই, শুন্যেরে করিব পূর্ণো, এই ব্রত বহিব সদাই। উ'কন্ঠ আমার লাগি কেহ যদি প্রতীক্ষিয়া থাকে সে ধন্য করিবে আমাকে। শুক্লপখক হতে আনি রজনী গন্ধার বৃন্তখানি যে পারে সাজাতে অর্ঘ্যথালা কৃষ্ণপক্ষ রাতে সে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালমন্দ মিলায়ে সকলি, এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি। তোমারে যা দিয়েছিনু তার পেয়েছ নিশেষ অধিকার। হেথা মোর তিলে তিলে দান, করূন মুহূর্তগুলি গন্ডুষ ভরিয়া করে পান হৃদয়-অঞ্জলি হতে মম, ওগো নিরূপম, হে ঐশ্বর্যবান তোমারে যা দিয়েছিনু সে তোমারই দান, গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়। হে বন্ধু বিদায়।

হঠাৎ দেখা তবু কথা হলো নাহঠাৎ দেখা তবু কথা হলো নামোঃহানজালাবিপ্লব নন্দিনী তাঁরা দু’জন দুজনার সহপাঠী, দু’জন দুজনার অজান্তে...
07/06/2018

হঠাৎ দেখা তবু কথা হলো না

হঠাৎ দেখা তবু কথা হলো না

মোঃহানজালা

বিপ্লব নন্দিনী তাঁরা দু’জন দুজনার সহপাঠী, দু’জন দুজনার অজান্তে দু’জন দু’জনকে ভালবেসে ফেলে।

একদিন তাদের ভালবাসা প্রকাশ পেলে তাঁরা দু’জন সানন্দে গ্রহণ করে। একে অপরকে প্রতিশ্রুতিও দেয় সারাজীবন পাশাপাশি থাকার। নন্দনী আভিজাত পরিবারের একমাত্র আদুরের দুলালী আর বিপ্লব হত দরিদ্র অসচ্ছল পরিবারে জন্ম গ্রহণ করে। বিপ্লবের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী বিপ্লবের বাবা যার আয়ে বিপ্লবদের টানাপোড়নের মধ্য দিয়ে ‘সংসার’- খেয়ে পরে বাঁচে। হঠাৎ একদিন বিপ্লবের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু নামক তরীতে চড়ে পরলোক গমন করেন। কিছুদিন যেতে না যেতেই বিপ্লবের সংসারে নেমে আসে মহাকালের গর্ভ থেকে তিমির তমাচ্ছন্ন। একদিকে বিপ্লবের মা, ছোট ভাই-বোন অন্যদিকে প্রিয়তমেষু নন্দিনী।বিপ্লব নন্দিনীকে তাঁর হেন পরিস্থিতির কথা অবগত করেছিল নন্দিনীও সুপরামর্শ দিয়েছিল। নিরুপায় বিপ্লবকে সময় পরিস্থিতি বাধ্য করেছিল যেতে দূর-বহুদূর। যাবার সময় বিপ্লব নন্দিনীকে বলেছিল আমি আবার ফিরে আসব। প্রতি উত্তরে নন্দিনীও বলেছিল আমি অপেক্ষায় থাকবো। এক বৎসর পর-

ঘটনাক্রমে নন্দিনীকে তাঁর পরিবার বিপ্লবের অজান্তে নন্দিনীকে বিয়ের পিড়িতে বসতে বাধ্য করে এবং ধুমধামের সহিত শুভবিবাহ্ সম্পূর্ণ হয়। নন্দিনীর বিয়ের কিছুদিন পর বিপ্লব জানতে পারে নন্দিনী আর তাঁর নেই। সে চিরদিনের মত অন্যকারো হয়ে গেছে।

আরেক বেচারি ললিতা বিপ্লবকে এতোটাই ভালবাসে বিপ্লবকে ভালবেসে মৃত্যুসুধা পান করতে একবিন্দু কুন্ঠিত হবেনা। বিপ্লব উপলদ্ধি করতে পেরে সোনালী অতীতের করব টেনে ললিতাকে জীবন সঙ্গি করে নতুন করে বাঁচতে শুরু করে। নন্দিনীকে ভুলে ললিতাকে নিয়ে বিপ্লবের এক স্বর্গ সুখের সংসার।

পাঁচ বৎসর পর-

নিয়তি চেয়েছে আবার দু’জনায় দেখা হবে অথচ দুজনার মধ্যে কেউ তা জানেনা। ভাগ্যের লিখন খন্ডায় কে? নন্দিনী তাঁর হাজবেন্ট-বিপ্লব তাঁর স্ত্রী কে নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত একটু বিনোদনের জন্য ঘুরতে আসে, ঘুরতে ঘুরতে সামুদ্রিক ঝিনুকের তৈরী হরকিচিমের জিনিসপত্র স্মৃতিস্বরূপ কিনবেন বলে তাঁরা উভয় উভয়ের অজান্তে মার্কেটে যান। নন্দিনী বিপ্লব দু’জন দুজনার ঘেঁষাঘেঁষি দাঁড়িয়ে জিনিসপত্র সাজ সজ্জা দেখতে থাকেন। আস্মিকভাবে দু’জন দুজনার চোখে চোখ পড়ে, দুজনার আত্মাই ছ্যাৎ করে উঠে। এমতাবস্থায় খুব সহজেই দু’জন দু’জনকে চিনে নিতে সক্ষম হন। এক সাথে কাটানো

ma,,,,,
31/05/2018

ma,,,,,

এক বিকেলের চিঠিএক বিকেলের চিঠিতবে চিঠিগুলো কিন্তু তাকেই লেখা। এই যেমন ধরো বিকেল বেলায় অলস বিছানায় গা এলিয়ে বসে থাকতে থাক...
27/05/2018

এক বিকেলের চিঠি

এক বিকেলের চিঠি

তবে চিঠিগুলো কিন্তু তাকেই লেখা। এই যেমন ধরো বিকেল বেলায় অলস বিছানায় গা এলিয়ে বসে থাকতে থাকতে লিখে ফেলেছি দু'কলম! মাঝে মাঝে গভীর রাত্তিরে ঘুম ভেঙে চোখ কচলাতে কচলাতে লিখেছি, "আজকের চাঁদটা মারকুটে ধরণের সুন্দর!" তারপর ওই যে ঐ দিন, যেদিন সবাই দোর বেঁধে কোথায় যেনো গেলো! সেদিন লিখেছিলাম নিষিদ্ধ চিঠি। দুয়ার বন্ধ রেখে লুকোচুরি খেলার গল্প! পেছনের চিঠি আমার আবার উল্টেপাল্টে পড়ার অভ্যেস! মাঝে মাঝে নিজেই বুঝে উঠতে পারি না, হতচ্ছাড়া কথাগুলো কেন লিখেছিলাম, কি ভেবে এতো মান-অভিমান, উচ্ছ্বাস... মাঝে মাঝে ঝগড়া! সবটাই একপক্ষীয়, ছেলে মানুষী! আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নাটকের পার্ট মুখস্থ করার মতো। কেউ দেখছে না, জানছে না... পুরোটাই ন্যাকামো। অথচ লেখার সময় এসব কিন্তু একদম মাথায় আসে না! বরং মনে হয়, এই কথাগুলো তাকে না বললে চলবে? আমি বাঁচবো, লুকিয়ে রেখে??

সেই চিঠিগুলো একদিন আমি য়্যাত্ত বড়ো এক খাকি রঙের খামে পুরে পাঠিয়ে দিলাম। পাঠানোর আগে মন খচখচ করছিলো। এইসব লেখালেখি, সে যদি না বোঝে? যদি বোকা বোকা ভাবে? এলোমেলোই তো সব। কোন পুকুরে গা ডোবানো হলো, কবে কখন মেঘ হয়েছিলো, মায়ের ঘুমের সুযোগে পেটরা ভেঙে টাকা চুরি করে প্রজাপতি কিনেছিলাম, এইসব কি বলার মতো? এলোমেলো নয়? তবু সাহস করে পাঠিয়ে দিলাম।

কি আর হবে? বড়োজোর ধুত্তোরি ফালতু... বলে ছুড়ে ফেলে দেবে! তাতেই বা আমার কি? আমি তো সেটা দেখছি না! তবে হ্যা। দেখলে খানিকটা কষ্ট পেতাম বৈকী! কত কত কালি ফুরিয়ে, মন কুড়িয়ে খুঁজে আনা শব্দ! একটুও কি লাগতো না?? তাই পোষ্ট বাক্সই সই। পাঠিয়ে দিলাম। সে যেয়ে পৌছে যাবে জায়গামতন।

ভাবছো হয়তো, খাকি কেন? খামের রঙ রঙিন কেন নয়?? না বাবা! আমার লেখার এতো রংধনু রঙ, খামখানা বরং বিবর্ণই থাকুক। লেখা ফেলে খাম ছুঁয়ে বসে থাকলে চলবে?? আমার অবশ্য উত্তর চাইনা। এক দেয়ালের চিঠি তো! পাঠিয়েই ভুলে গেছি। নাহ, ভুলিনি অবশ্য, তাহলে তোমায় বলতাম কি করে?? তবে হুম, উত্তরের প্রত্যাশা না করা চিঠি, ভুলে যাওয়াই সুবিধা জনক।

যাই হোক। এই চিঠি চিঠি করে প্যাচাচ্ছি তখন থেকে। চিঠি না কিন্তু ঠিক, দৈনন্দিন টুকিটাকি...

(২)

গল্পগুলো পাঠিয়ে দিয়ে স্বস্তিতে নেই একদম। রোজ মনে হয়, খুব ভুল হয়ে গেছে! বাস থেকে নেমে প্রতিদিন পোষ্ট অফিসের দরজায় দাঁড়িয়ে ভাবি, আজ একটু খোঁজ নিয়ে আসি। হয়তো ওরা পাঠাতে ভুলে গেছে! একগাদা ফাইল, কাগজের তোড়ায় হয়তো এলোমেলো পড়

hi
26/05/2018

hi

Address

Rajendrapur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আঁবেঁগিঁ সেঁইঁ আঁমিঁ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share