M.S Shohidul Islam

M.S Shohidul Islam

Share

আসুন সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষদের পাশে দাড়ায়।

30/08/2026

***** #ক্রীড়াবীদ বা ক্রীড়াঅঙ্গনের মানুষেরা নিজেদের কখনও বুড়ো হাবড়া বলতে বা মানতেও চান না। তাই যখন ক্রীড়াবিদগন একত্র হলেই বয়স বার্ধক্য দুঃখ কষ্ট ভূলে হাসি মুখেই নিজেকে প্রেজেন্ট করেন।
*** #ছবিতে এক সময়কার বগুড়া তথা ঢাকা মাঠের চৌকস ক্রিকেটার! দৃষ্টি নন্দন বিদ্যুৎ গতির ফুটবলের রাইট উইংগার অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আমার মেজ ভাই অহীদুল ইসলাম। ছবিতে মাঝ খানে এক সময়ের ডায়নামিক সেক্রেটারি (DSA) যিনি আমারও আগে বগুড়া জেলা ক্রিড়া সংস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন সেই এম,আর সিদ্দিক লেমন এবং দুই ষ্টারের সাথে আমি ক্রীড়াঅঙ্গনের এক জন সাধারণ খাদেম মোঃ শহীদুল ইসলাম।
*** #ধন্যবাদ এম,আর সিদ্দিক লেমনকে আমাদের বাসায় বয়োজ্যেষ্ঠ সুবিধা বঞ্চিত বন্ধুদের এক ভোজ সভায় আমার আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য।
৩০/০৮/২৬ইং

29/08/2026

**** #জায়গাটা এবং চারিদিকের দৃশ্যগুলি কেমন লাগলো জানাবেন।
২৯/০৮/২৬ইং

26/08/2026

**পড়ুন!উপকারে আসতে পারেঃ-গত বছর আজকের দিনে ভেলোরCMCহাসপাতালে অপেক্ষার প্রহর গুনছি বাপবেটা।
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
#আসলে সত্য কথা বলতে কি! মানুষ আমরা কেও সহজে নিজের মৃত্যু কে মেনে নিতেই চাই না। তাই জটিল রোগে আক্রান্ত হলে বাঁচার আশায় যতদূরই হোক যেতে রাজি। তা না হলে কোথায় বাংলাদেশ আর কোথায় তামিলনাড়ু চেন্নাই/ ভেলোর!!! শুধু আমি নই এই দুই হাজার /বাইশ শো কিলো দূরে যত রোগী এখানে-তার ৮০%; ই ক্যান্সার নয়তো ক্যান্সারের মতই বড় কনো রোগে আক্রান্ত।
*** #এখানে আসতে হলে অবশ্যই রোগী এবং রোগীর এটেন্টডেন্স কে বুকে সাহস রাখতে হবে। আর মহান সৃষ্টি কর্তার উপর অগাধ বিস্বাস থাকতে হবে। দূর্বল আত্মার কনো মানুষ বা রোগী চট করেই ঘাপড়ে যেতে পারে। কারন আপনি হাসপাতালের চেয়ারে যাদের সাথে বসে আছেন সকলেই জটিল থেকে জটিল রোগের রোগী। কথা বললেই শুনতে পাবেন কেও পাঁচ কেও দশ বছর আবার কেও সদ্যই ক্যান্সারের সাথে পাল্লা দিয়ে শুধু মাত্র মহান আল্লাহর দয়ায় বেঁচে আছি বা আছেন। এসব কথোপকথন সবায় সহ্যই করতে পারবে না ভয়ে কুকড়ে যাবে।

*** #শেষ কথা একটাই- মিথ্য অহমিকা, টাকা পয়সা গাড়ি বাড়ি, রুপ যৌবন, প্রভাব প্রতিপত্তি সবই এই জগৎ সংসারে মূল্যহীন। টাকার অহংকার করে করবেন কি? মহান আল্লাতো একটা ছোট ফুটনি(গোটা,/,ফোড়া) ভালো করার টাকাও আপনাকে বা আমাকে দেন নি। কারন ফুটনি বা ফোঁড়া ভালো করার মালিক শুধু মাত্র ঐ মহান দয়ালু আল্লাহ। তিনি না চাইলে ফুটনি ফুটনিই থেকে যাবে এদিকে আপনার জমিদারি শেষ। যা আপনি দূরের হিতাকাঙ্ক্ষী তো দারেরই কথা! আপনজনও বুঝবে না অনেকেরই বেলায়।
** #সবশেষেঃ- কারো চরম শত্রুকেও যেন এমন অসুখ আল্লাহ না দেন। কারন এটি এমন একটা রোগ, হয়তো আল্লাহ বাঁচালে বাঁচবেন নয়তো আপনি আমি সর্বশান্ত হয়ে যাবো তবুও সেই ভয়াল থাবা আর থাবার আগার লম্বা নখ গুলি আপনাকে আপনাকে ছেড়ে যাবে না যদি না আল্লাহ সহায় না হন।

*** ২৬/০৮/২৫ইং/ ২৬/০৮/২৬ইং
ভেলোর সি,এম,সি।
তামিলনাড়ু।

23/08/2026

******** #কলকাতার হোটেল সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা।
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
** #বাংলাদেশ থেকে কনো রোগী বা পর্যটক কলকতা অথবা ভায়া কলকাতা হয়ে বিভিন্ন প্রদেশে যারা যাবেন, তাদের বলছি যদি দুই চারদিন যাত্রা বিরতি করতে হয়, তখন কলকাতার জিরো পয়েন্টে এই হোটেলে ( Hotel orieneal) থাকতে পারেন নিরাপদে। মালিক অত্যন্ত ভালো। হোটেলের নিচেই বাংলাদেশী খাবারের জন্য ধানসিঁড়ি হোটেল, ফেমাস কস্তুরি ও দাওয়াত হোটেল সহ বিভন্ন হোটেলে খেতে পারবেন। যারা বলেন কলকাতায় গরুর গোস্তো পাওয়া যায় না। তাদের বলছি আস্ত গরুও আপনি গিলে খেতে পারবেন। কাছেই নিউমার্কেট। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি বা হিলি, বেনাপোল সহ অন্যান্য বর্ডার থেকে যে বাস গুলি শহরে ঢোকে তারা ঠিক এই হোটেলের পাশে দাড়ায়। এখানে মানি চেন্জার অফিস আছে।
*** #এবার আসুন ভাড়ার বিষয়ে। এক সময় তিন বেডের এসি রুম ১৮০০/ রুপি ছিল। আমরা মাত্র এক হাজার রুপিতে দফা রফা করে ছিলাম। অবাক কান্ড তিন জনের আলাদা তিনটি সাবান তিনটি তোয়ালে, আনার পানিও মিলবে। যা আগে পেতাম না। তবে সরাসরি অনলাইনে মালিকের নাম্বারে কল দিবেন। কর্মচারীরা এখনও ভাব বুঝে উঠতে পারেনি যে বাংলাদেশদের ভিশা কম দেওয়ায় মালিকেরা কত কষ্টে আছে। মজার বিষয় বাংলাদেশের অনেক মানুষ প্রায় তিন বছর হলো যেসকল নেতা পাতি নেতাদের দেখা পাননি ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখাও পেয়ে যেতে পারেন এই এলাকাতেই। খাবার হোটেলে থেকে নিজে নিচে নেমে খাবেন। নয়তো পার্সেল নিলে ডাবল খরচ হবে। আর ভূল করেও ট্যাক্সি ক্যাব নিজে দামাদামি করতে যাবেন না। হোটেলের লোকেরাই কম দামে করে দিবে। সামান্য টিপস দিবেন। নয়তো মানুষ শুন্য কলকাতায় শতশত ফাকা ট্যাক্সির ড্রাইভারের দূরব্যাবহারের শীকার হতেও পারেন। শুভ কামনা সবার জন্য।
২২/০৮/২৪ইং

15/08/2026

**** #আমাদের মামাতো ভাই আতিক প্রমোশন পেয়েছে। অবশ্যই এটি আমাদের জন্যেও সুখবর। বড় কিছু আয়োজনের আগে ট্রায়াল বা অনুশীলন করতে হয়। বলতে পারেন তারই অংশ হিসেবে বহু বাজার বহু কিছু হয়ে গেল আজ সকালে তিন ভাই মিলে এস,পি ব্রীজ হোটেল নাজে বসে।
১৫/০৮/২৬ইং শনিবার।
৩১ শে শ্রাবন ১৪৩৩ বাংলা।
১ লা রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি।

13/08/2026

**** #মুসলিম দেশ হিসেবে মসজিদের ঈমাম মুয়াজ্জিন গনদের সব থেকে বেশী সম্মান, মর্যাদা, কথা বলার স্বাধিনতা, সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও আমাদের দেশে তা হয় না। কারন এক শ্রেনীর কাঠ মোল্লা, ওয়াজিয়ান বক্তা এবং সর্বপরী কিছুদল ধর্মীয় লেবাস ধারন করে রাজনীতির মাঠে ফয়দা লুটতে যেয়ে নিরীহ কিছু ঈমাম মুয়াজ্জিন গনকে কলুষিত করেছে। আর সেই সুযোগ টা আমরা মসজিদ কমিটির কর্তাগন নিয়ে ঈমাম মুয়াজ্জিন গনদের বেতন চিরতরে ফিক্সড করে সীলগালা করে আটকে দিয়েছি। আমরা মনে করি হুজুরগনদের বেতন বৃদ্ধি করলেই পাপ, গুনাহ, বিদাদ,শিরক হবে। জন্মের পর থেকে শুনে আসছি ঈমাম ১২ হাজার, মুয়াজ্জিন ৮ হাজার, খাদেমের ৩/৪ হাজারের ওপর খাওয়া নাই।
*** #তাহলে এখন আপনারাই বিবেচনা করেন আট হাজার টাকার বেতনের মুয়াজ্জিনের কন্ঠে মদীনার আযানের সূর থাকলেও পেটের খিদায় সূরটা বের হবে কেমনে? চার হাজার নেতনের খাদেম কেন বাড়ি বাড়ি, পথে ঘাটে আপনাকে পরিবারের দৈনদশার প্যাচাল শোনাবে না? কপাল ভালো যে ঈমাম সাহেবের বাপ/মা জান্নাত পাওয়ার আশায় ছেলেকে মাদ্রাসায় ভর্তি করার জন্য, বেকায়দায় পরে সেই হুজুর সংসার চালানোর তাগিদে ঘড়ির টাইম ধরে মসজিদে রোদ ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে নামাজ পড়িয়ে যান। তাও তাঁদের কত কথা শুনতে হয়।
*** #আমার কথা গুলি মনদিয়ে পড়ে ভালো লাগলে আসুন মসজিদ কমিটিগন হুজুরের বেতন না বৃদ্ধি করলেও আমরা তাঁদের দিকে ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেই। তাতে মহান আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকবেন।
১৩/০৮/২৬ইং

12/08/2026

******-* সাহস ও ধৈর্য সহকারেপড়ুন।
**** #ক্যান্সার রোগীরা যারা কেমোথেরাপি দিতে ভয় পান
তাঁদের উদ্দেশ্যে আমার অভিজ্ঞতা সেয়ার করলাম।
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
***শুরুতেই বলি কেমোথেরাপি দিলেই যে সবার মাথার চুল দাড়ি ঝড়ে পরবে বা মুখোমন্ডল কালো বা ভয়ালরুপ ধারন করবে তা নয়। এখন মেডিসিন অনেক উন্নত হয়েছে। তাছাড়া নিয়ম কানুন মানাও একটা বড় ব্যাপার। নিচে আমার অভিজ্ঞতা সেয়ার করলাম।
*** প্রথমেই বলে রাখি মনে সাহস,ও মনোবল ঠিক রেখে মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে হিম্মতের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। মনে রাখবেন অভিজ্ঞ কেমোথেরাপির ডাক্তার চয়েজ করা আর মানষিক শক্তিই হলো প্রথম কথা।

*** #কেমো দেয়ার আগের দিনের করনীয়ঃ-
&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
১.মনকে বুঝাতে হবে যেমনিভাবে অন্যান্য অসুখের জন্য আমরা ওষুধ খেতে হয় ঠিক তেমনি এটাও ঔষধই যা আমাকে বাঁচার স্বপ্ন দেখায়।
২.রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল প্রকার মানষিক টেনশন থেকে দূরে থাকতে হবে।
৩.যতোটা সম্ভব লোকসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।কারন তাঁরা যদি কেউ স্বর্দি কাশি বা অন্য কোনো জীবানু বহন করে নিয়ে আসে তাহলে দুর্বল এ শরীর খুব সহজেই আক্রান্ত হয়ে যাবে ফলে ডাক্তার কেমো দিবেন না নির্দিষ্ট সময়ে ,তখন তারিখ পিছিয়ে দিবেন।
৪.পায়খানা যেন স্বাভাবিক থাকে সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে কারন এ সময়ে কোস্টকাঠিন্য বা ভয়ে পাতলা পায়খানাও হতে পারে।কোনোটাই পেটের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।
৫. গোসল করতে হবে কিছুটা বেশি সময় নিয়ে মাথায় পানি ঢালতে হবে।
৬. যে সকল খাবারে পেটে গ্যাস করে সেসব খাবার খাওয়া যাবেনা।
৭.মালটা,তরমুজ,সকল প্রকার গ্রেপফ্রুটস যেমন আঙ্গুর,জাম্বুরা,কামরাঙা এ ফলগুলো কেমো মেডিসিনের সাথে কনফ্লিক্ট তৈরী করে তাই অন্তত এক সপ্তাহ এসব ফল খাওয়া যাবেনা।
আসুন কেমোথেরাপিকে ভয় নয় জয় করি!
শক্ত মানষিকতা গড়ে তুলি।
সচেতনতা গড়ে তুলি সমাজে যদি আমার এ লেখা পড়ে কাজে লাগিয়ে বেঁচে যাায় আরো একটি প্রাণ ,তবেই আমার সময়ের স্বার্থকতা খুঁজে পাবো।
আসুন সবাই একসাথে হাঁটি সুস্থ জীবনের পথে...তাই এ পোস্টটা বেশি বেশি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন সকল ক্যান্সার রোগী যেন দেখতে পায়।
আপনার একটা শেয়ারে যদি কারো উপকার হয়!
*** #বিঃদ্রঃ- ছবিটি এভারকেয়ারে আমার কেমোথেরাপি দেওয়ার সময়কালের! অপারেশন করেছি ভেলোর সি,এম,সি তে। এভার কেয়ারের অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান সিএম,সি হাসপাতালের ডাক্তার রাজু তিতাস চ্যাকো ছিলেন কেমোথেরাপির ডাক্তার। বিদেশি মেডিসিনের কনো দরকার নাই। আমাদের দেশীও মেডিসিন দামে কম মানেও ভালো।

*** মোঃ শহীদুল ইসলাম। বগুড়া।
১২/০৮/২৬ইং বুধবার।
২৭ শে শ্রাবন ১৪৩৩ বাংলা।
২৮ শে সফর ১৪৪৮ হিজরি।

08/08/2026

**** #বিয়ের পরও অন্তত টানা দশ বছর স্থানীয় লীগ, জেলা দলে এবং বিভিন্ন জেলায় চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেছি।
*** ছবিতে আমার বড় ছেলে অরিন-ওর মায়ের কোলে বসে আমার মাথার ক্যাপের দিকে তাকিয়ে দেখছে।
*** #দিনটি ছিল আমার ছেলে অরিনের জন্মদিন। বিকালে বাসায় ছোট খাটো আয়োজন ছিল। কিন্তুু আমি আমাদের ক্লাবের মাঠ( এম,এস,ক্লাব) এ কঠিন অনুশীলনে ব্যাস্ত। পরের দিনেই বগুড়া লীগের ফ্যাইনাল। তাই মেহমানদের সাথে শুধু একটু সৌজন্য সাক্ষাৎ করার জন্য অনুশীলনের ফাকে মাত্র একশোগজ দূরের মাঠ থেকে দৌড়ে আসা। কত মধুর ছিল দিন গুলি।
০৮/০৮/২৬ইং শনিবার।
২৪ শে শ্রাবন ১৪৩৩ বাংলা।
২৪শে সফর ১৪৪৮ হিজরি।

05/08/2026

**** #মধুময়স্মৃতি।। বড়ই চমৎকার ছিল এই মূহুর্তটি। আমার তিন মেয়ের মধ্যে এই মেয়েটাই ঢাকায় নিজ বাসা বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করে। বাকি দুইজন আমার নিজ বাসা বগুড়ায় থাকে। সবায় এদের জন্য দোয়া করবেন। ভালো থেকো তোমরা। ইনশাআল্লাহ আবার দেখা হবে। ফি আমানিল্লাহ্।
০৫/০৮/২৬ইং বুধবার।
২১ এ শ্রাবন ১৪৩৩ বাংলা।
২১ এ সফর ১৪৪৮ হিজরি।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Puran Bogra?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Puran Bogra