05/07/2026
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে একাদশে বাংলাদেশ কোন রিস্ক নিবে না। কারণ এই সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৩-০ তে হারাতে না পারলে বাংলাদেশ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে রেটিং হারাবে। ৮৭ রেটিং নিয়ে ৯ এ থাকা বাংলাদেশ এই সিরিজ ৩-০ তে হারলেও ১০ এ যাবে না, কারণ ১০ থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং ৭৩।
কিন্তু ৬,৭,৮ এ থাকা দল গুলোর রেটিং খুব ক্লোজ ৬ এ শ্রীলঙ্কা আছে ৯৬ রেটিং নিয়ে, ৭ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ে আফগানিস্তান আছে ৯০ রেটিং নিয়ে এবং ৮ এ থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং ৮৯
আইসিসির র্যাঙ্কিং ঠিক কিভাবে কাজ করে আমার জানা নেই কিন্তু প্রতিপক্ষের পয়েন্ট, রেটিং এগুলো কাউন্ট করা। যেহেতু জিম্বাবুয়ের রেটিং খুব কম, বাংলাদেশ জিতলে আহমরি বেশি রেটিং না পেলেও হারলে রেটিং হারাবে অনেক। তখন পরবর্তীতে ইংল্যান্ড - আফগানিস্তানকে পিছে ফেলা কঠিন হয়ে যাবে।
এবার আশা যাক প্লেয়িং ইলেভেনের আলোচনায়। বাংলাদেশ তাদের আহাম্মক তত্ত্ব থেকে বের হয়ে দুই লেফটিকে কন্টিনিউ করবে কিনা এটাই একটা প্রশ্ন। সেক্ষেত্রে আমার পছন্দ থাকবে ওপেনিং এ সৌম্য - তানজিদ
যেহেতু জিম্বাবুয়েতে পেসারদের জন্য আদর্শ কন্ডিশন সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৪ পেসার খেলাবে? নাকি ৩ স্পিনার খেলাবে? এটা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকে যাবে।
মনে করিয়ে দেওয়া ভালো লাস্ট টাইম জিম্বাবুয়েতে ২০২২ এ তামিমের নেতৃত্ব পূর্ণ শক্তির বাংলাদেশ ২-১ এ সিরিজ হেরে আসে। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজটা বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে না মোটেও।
04/07/2026
হ্যারি ব্রুকের কুইক ৩৯ রানের পর জ্যাকব বেথেলের ধৈর্যশীল ফিনিশিং এ ভারতের বিপক্ষে জয় পেল ইংল্যান্ড।
বেথেল ও ব্যান্টনের জুটিটা খুব স্লো ছিলো, ক্রিজে টিকে থেকে তারা ইংল্যান্ডকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। ব্যান্টন ঠিক যে জায়গায় ব্যর্থ হয়েছে বেথেল ঠিক সেখানেই সফল। ৫০ বল খেলা এই জুটির কেউ যদি ম্যাচ শেষ করে না আসতে পারতো তাহলে হতাশার হতো ইংলিশদের জন্য।
বেথেল হতাশ করেনি, শেষ করে এসেছে ম্যাচ। অপরাজিত ছিলো ৪৬ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলে।
04/07/2026
২০১৪ তে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় তাসকিনের অভিষেক ম্যাচে উথাপ্পা, পুজারার উইকেটসহ তাসকিন ২৮ রান খচরায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অভিষেক ম্যাচে তুলে নেন ফাইফার।
ঠিক তার পরের বছর অভিষেক হওয়া মোস্তাফিজ একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফাইফার তুলে নেন। রোহত শার্মা, রাহানে, সুরেশ রায়না, জাদেজা এবং আশ্বিনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন এই বাহাতি পেসার।
আর কোন বাংলাদেশি বোলার অভিষেকে ৫ উইকেট না পেলেও ৪ উইকেট আছে তাইজুল, সোহাগ গাজি এবং রুবেলের।
অভিষেকে সবচেয়ে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ডটা প্রোটিয়া পেসার রাবাদার কাছে। ২০১৫ তে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক ওয়ানডেতে এই পেসার মাত্র ১৬ রান খচরায় ৬ উইকেট তুলে নেন।
04/07/2026
যেহেতু শান্তকে টি-টোয়েন্টিতে ফেরানো নিয়ে কথা হচ্ছে তাই শান্তর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের অন্যতম সোরা ইনিংসটি নিয়ে কথা বলাই যায়!
২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াস করা ঐ সিরিজে শান্ত ছিলো বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার। প্রথম ম্যাচে ৫১ করা শান্ত বাকি ২ ম্যাচে অপরাজিত থেকে করেন ৪৬*, ৪৭*
এই সিরিজ বাদ দিলে আপনি শান্তর টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে আহামরি আর কোন পারফরম্যান্স পাবেন না।
আমাদের টি-টোয়েন্টি দলের মিডল অর্ডারে একজন ব্যাটার লাগবে যে অ্যাংকর রোল প্লে করবে। কিন্তু অ্যাংকর রোলের জন্য আপনি শান্তকে আনতে পারেন না। টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারে ৪৮ ইনিংসে শান্ত বলার মতো কিছুই করতে পারেনি।
আমি জানি না, টিম ম্যানেজমেন্ট পুরোনো ফ্লপ ক্রিকেটারদের উপর পুনরায় ইনভে করা কবে বাদ দিবে। শান্ত - ইয়াসিরদের টি-টোয়েন্টি দলে ফেরানো শুধু নেগেটিভ বার্তা দিবে।
03/07/2026
শান্ত একজন কার্যকর টি-টোয়েন্টি ব্যাটার। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ছক্কা হাঁকানোর সামর্থ্য থাকা ব্যাটারদের একজন, তাই এই সংস্করণে সফল হওয়ার সক্ষমতাও তার রয়েছে।
বলে রাখা ভালো এর আগে ৫০ টি-টোয়েন্টিআই খেলে ৪৮ ইনিংসে ১০৯ স্ট্রাইকরেটে শান্তর ছক্কা ২০ টি।
02/07/2026
ডিপিএলের ওয়ানডে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যদি ইয়াসির বা মোসাদ্দেক দলে ফিরতে পারে একই টুর্নামেন্টে প্রায় ১৫০ স্ট্রাইকরেটে ৩৫০+ রান করা সোহান কেন নয়?
লাস্ট এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ২য় সর্বোচ্চ ২১৮ রান করা সোহানের স্ট্রাইকরেট ছিলো ১৮৩ (টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ), অদম্য কাপে ২৩২ স্ট্রাইকরেটে (টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ) ১২৩ রান করেছে।
সাইফ বাংলাদেশ লাস্ট এশিয়া কাপ থেকে ব্যাক করে যাচ্ছে। এই সময়ে বলার মতো কয়টা ইনিংস আছে তার? কি এমন পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সে ম্যাচের পর ম্যাচ খেলে যাচ্ছে? লাস্ট ১০ ম্যাচে তার একটাও টি-টোয়েন্টি সূলভ ইনিংস আছ? একটাও না, আর কয়টা ইনিংস লাগবে একজন ব্যাটারকে বোঝার জন্য, প্রমাণ করার জন্য?
01/07/2026
আমি জানি না নির্বাচকরা কিভাবে টি-টোয়েন্টি দলে মোসাদ্দেক - ইয়াসিরের ফেরা জাস্টিফাই করবেন!
এনসিএল টি-টোয়েন্টির পারফরম্যান্স দেখলেও এদের দলে আসার কথা না। লাস্ট বিপিএলে মোসাদ্দেক ছিলোই না, আর ইয়াসির ৪ ইনিংসে ৯৮ স্ট্রাইকরেটে মোট ৫১ রান করেছে।
লাস্ট ডিপিএলে দুজনই লোয়ার মিডল অর্ডারে ভালো করেছে। কিন্তু ওয়ানডে ফর্মেটে ৬/৭ যে সিনারিওতে ব্যাটিং করা লাগে টি-টোয়েন্টিতে সিনারিও ভিন্ন হয়। তাই এটা কোনভাবে তাদের দলে ফেরার জাষ্টিফিকেশন হতে পারে না।
মোসাদ্দেক লাস্ট টি-টোয়েন্টি খেলেছে এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে। সেখানে অবশ্য বলার মতো একটু পারফরম্যান্স করেছিলো। ৫ ইনিংসে ১৬০ স্ট্রাইকরেটে ১৭৬ রান এবং ৭.৩৫ ইকোনমিতে ৬ উইকেট। স্পিনের বিপক্ষে এই মূহুর্তে মোসাদ্দেক বাংলাদেশের সেরা ব্যাটার এই যুক্তিতে তাকে দলে ফেরানো যেতে পারে। কিন্তু ইয়াসির কোন যুক্তিতে?
ইয়াসির লাস্ট এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ভালো করছে ১৩৯ স্ট্রাইকরেটে ১৯৭ রান করেছে কিন্তু তারপর বিপিএলে ফ্লপ এবং বিসিবির যে সব ছায়া দলে সে ডাক পেয়েছে সব জায়গায় ফ্লপ। না সে খুব স্পেশাল কোন হিটার বা স্পিনে ভালো খেলে বা পেসে ভালো খেলে। সে কিভাবে টি-টোয়েন্টি দলে ব্যাক করে? কোন যুক্তিতে?
30/06/2026
অমিত সামনে কি করবে, কেমন করবে আমি জানি না কিন্তু অভিষেক হওয়া ক্রিকেটাকে নিয়ে আমি প্রসংশা করা বা সমালোচনা করা কোনটাই পছন্দ করি না।
অনেকে বলছেন তারা অমিতের মধ্যে এনামুল হককে দেখতে পেয়েছেন। সত্যি কথা বলতে আমি চাই তার মধ্যে এনামুল হককে দেখতে। ২০১৪ সালে যে এনামুলকে আমি দেখছি অমিত যদি টেস্ট - ওয়ানডেতে এমন পারফরম্যান্স দেখাতে পারে আমি আমিতের মাঝে এনামুলকে দেখতে চাই। যেটা চাইনা সেটা হলো ২০১৪ তে এনামুলের যে টেকনিক্যাল উইকনেস ছিলো, ২০২৬ এ এনামুল সেই উইকনেসে উইকেট দিয়ে আসে, এটা দেখতে চাই না।
এনামূল সময়ের ব্যবধানে নিজেকে ডেভেলপ করতে ব্যর্থ হয়েছে। অমিত সামনে নিজেকে ইন্টারন্যাশনালে মানিয়ে নেয় সেটা অত্যন্ত ১০ টা ইনিংস পরে আলোচনা করবো।
আশা করবো এই ১০ ইনিংস পেতে অমিতকে ২/৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।
30/06/2026
বলতে পারেন ৩ জন বোলারকে বিশ্রাম দিয়ে এই অবস্থা, আরো ২/১ জন ব্যাটারকে বসালে কি হতো?
কি হতো? এর চেয়ে খারাপ কি হতে পারতো? জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যাবধানে হারছেন। এরচেয়ে খারাপ আর কি হতে পারতো? অস্ট্রেলিয়া সিরিজের কথা বলে লাফাতে লাফাতে চলে গেছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে! কি অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন? ২১ বছর পর আর কত অভিজ্ঞতা লাগবে?
শুধু মুশফিকদের বলছি না লাস্ট ৩ বছরে টেস্ট দলে রানই করেছে শান্ত, মুসফিক আর মিমি কিন্তু এতে লাভ কি? যদি এতো বছর পর এসে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষেই ইনিংস ব্যাবধানে হার ঠেকাতে না পারেন?
মুমিনুলকে নিয়ে বলি, ফিফটি পার করতে পারলেই শান্তি সেটাকে কনভার্ট করার আর দরকার নেই। বর্তমানে দেশের সেরা ব্যাটার শান্ত কয়টা বল সাবলীল ভাবে মোকাবিলা করছে? এভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন?
বলতে পারেন যারা রান করছে তাদের সমালোচনা কেন করছি? কেন করবো না? জয় - সাদমানরে নিয়ে তো কোন এক্সপেক্টেশন নেই। তাদের যে পারফরম্যান্স, তাদের একাদশেই থাকার কথা না। তারা কি করলো সেটা নিয়ে সমালোচনা করার কিছু নেই।
জয় আর অমিত স্পেশাল কি করবে? আগের গরু (পড়ুন মুসফিক) যেদিকে যাবে, পিছের গরুও সেদিকেই যাবে।
29/06/2026
একটু পজিটিভ কথাবার্তা বলি, প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানে অলআউট হওয়া খুব সাধারণ বিষয়। একটা ভিন্ন কন্ডিশনে এনি ডে এমন হতে পারে। এখন দেখার বিষয় বাংলাদেশ কিভাবে কাম ব্যাক করে।
জিম্বাবুয়ে ২৭০ রানের লিডে থাকা জিম্বাবুয়েকে এই ম্যাচে হারানো সম্ভব কিন্তু সব করতে হবে ব্যাটারদের। প্রায় ২ দিন বা তার বেশি ব্যাট করতে হবে বাংলাদেশকে। সম্ভব, জিম্বাবুয়ে দেখিয়েছে এই পিচে বোলারদের জন্য কিছু নেই।
আমাদের ব্যাটিং লাইন আপ ওদের থেকে কোয়ালিটি ব্যাটারে ভরা। ৭ জন জেনুইন ব্যাটার। তাইজুল - হাসান পর্যন্ত ব্যাটিং করতে জানে।
বাংলাদেশ এই মুহুর্তে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের তালিকায় ৪ নম্বরে অবস্থান করছে। এই টেস্টের সাথে ডাব্লিউটিসির কোন সম্পর্ক নেই কিন্তু বাংলাদেশের ৪ এ থাকা কোন ফ্লুক নয়, বাংলাদেশ আসলেই টেস্ট খেলা শিখছে প্রমান করতে হবে টাইগার ব্যাটারদের।