আল্লাহ👍
Badbuzz City
বাংলাদেশ ক্রিকেট ও সাকিব আল হাসান সম্পর্কে সকল নিউজ পেতে এ পেজে লাইক দিয়ে এক্টিভ রাখুন।
অফ🫥🫥🫥
মাদক এই দেশটাকে কোথায় নিয়ে ঠেকাইছে ভাবা যায়
বাবা🫥
24/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধ--**র্ষ--***ণ মা//ম//লা//র সাজায় ধ--র্ষ--*ককে মৃ// ত্যু দ//ন্ড র রায় দিলো।।
মেহেরপুরের মাত্র ৯ বছরের শিশুকে ধ**-/র্ষ**/-ণ করে এই ছেলে।। বাবা মাঠে কাজ করছিলো মেয়েটি মাঠে বাবাকে খাবার দিতে যাচ্ছিলো।। তখন এই প*---*শু ধা// রা// লো অ,// স্ত্রে// র ভয় দেখিয়ে পাটক্ষেতে নিয়ে জোর করে মেয়েটিকে ধ---**র্ষ--***ণ করেছিলো।।
এলাকাবাসী ওকে গণ পি// টু// নি ও দিয়েছিলো।। খবর পেয়ে পুলিশ ওকে জনতার কাছে থেকে আ//ট//ক করে।। পুলিশ মা// ম// লার ত--দ-- ন্ত চার্জশিট দাখিলের পর মাত্র ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে সাক্ষ্যপ্রমাণ, মেডিকেল পরীক্ষা সবকিছুতে প্রমাণ পেয়ে, মৃ// ত্যু// দ// ণ্ড ও তিন লাখ টাকা জ,-রি-মা-না করেছে।।
মেয়েটির বাবা ঐদিন অনেক কান্না কাটি করেছিলো।। বাবা দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলো।। আজকে দেখুন অ**পরাধীর মা কিভাবে কাঁদছে।। কাঁদতে কাঁদতে ছেলের একটু জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলো কিন্তু পুলিশ সরিয়ে দিছে।। এমন সন্তান আমার হইলে কান্না তো দূরের কথা নিজের হাতে বি--চা--র করবো ইনশাআল্লাহ।। 😔😔
24/05/2026
এই সমাজের অনেক পুরুষ এখনো বুঝতে শেখেনি, মেয়েদের শরীর কোনো পাবলিক ইমোশনাল অবজেক্ট না। স্নেহ, আবেগ, ভালোবাসা, বাবাসুলভ আচরণ- এসব ট্যাগ লাগিয়ে এ ধরণের আচরণ জায়েজ হয়ে যায় না।
নিজের মেয়েকে ভয়ংকরভাবে হারানোর কষ্ট অবশ্যই ভয়াবহ। কিন্তু বিচার চাইতে গিয়ে অন্য একটা মেয়ের শরীরের সীমা অতিক্রম করার অধিকার কেউ পায় না।
অনেক পুরুষ হয়তো বুঝেই না, বা বুঝেও গুরুত্ব দেয় না, অপরিচিত কোনো পুরুষের অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ, খুব কাছে আসা, জোর করে চুমু দেওয়া কিংবা অস্বস্তিকর দৃষ্টি একজন মেয়ের শরীরে কী ধরনের ঘৃণা আর আতঙ্ক তৈরি করে।
মেয়েরা প্রতিদিন এই জিনিসগুলো সহ্য করে।
কখনও বাসে, কখনও রাস্তায়, কখনও পরিচিত মানুষের মাঝেও।
সমস্যাটা শুধু খারাপ মানুষ না। সমস্যা হলো - অনেক পুরুষকে কখনো শেখানোই হয়নি যে একজন মেয়ের শরীরের উপর তার কোনো অধিকার নেই, যদি না সেই মেয়ে স্পষ্টভাবে স্বস্তি ও সম্মতি প্রকাশ করে।
আর এই কারণেই “না” শব্দটা এত গুরুত্বপূর্ণ।
না মানে না।
পরিস্থিতি যাই হোক, সম্পর্ক যাই হোক, আবেগ যাই হোক। একটা শিশু, কিশোরী বা কোনো মেয়ের ব্যক্তিগত সীমা ভাঙার অধিকার কারও নেই। সে যতই শোকাহত বাবা হোক, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ুক কিংবা আবেগপ্রবণ অবস্থায় থাকুক না কেন।
কারও ট্রমা অন্য আরেকজন মেয়ের অস্বস্তির কারণ হতে পারে না। আফসোস এই জাতি কবে সভ্য হবে!
23/05/2026
এই মেয়েটার কথা মনে আছে? ঐ যে উম্মে হাবীবা মীম যে মেয়েটার অসুখ শুনে তার হাজবেন্ড তাকে ছেড়ে আরেকটা বিয়ে করে নিছিল৷
আজকে ওর একটা ভিডিও সামনে আসলো৷ এতোদিন পর মেয়েটাকে এভাবে হাসতে দেখলাম৷ ওর হাসি দেখে মনটা ভালো হয়ে গেছে৷ তার চিকিৎসার জন্যে সব টাকা নাকি জোগাড় হয়ে গেছে৷
আমি চিন্তা করি ওর হাজবেন্ডের কথা! এতো মিষ্টি একটা মেয়েকে সে ছেড়ে গেলো যদি না মেয়েটা না বাঁচে৷ আরে ভাই দুনিয়াতে কেউ কি সারাজীবন বাঁচবে?
আমি মনে করি এটা মিমের জন্যেই ভালোই হয়েছে৷ ওর খারাপ সময় যে ছেড়ে গেছে সে কখনো ভালো মানুষ ছিলো না৷ লোকটা মিমের যোগ্য ছিলো না৷
দোয়া করি মেয়েটা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক৷ এভাবে মুখে হাসি লেগে থাকুক ❤️
একটা বিচার করেন তাইলে আর এমন হবে না😊
21/05/2026
বুজলে বুজপাতা👍
না বুজলে তেজপাতা✋👎
21/05/2026
ছোট্ট রামিসা। পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তার বড় বোন পড়ে নবম শ্রেণীতে। প্রতিদিনই বোনের সাথে স্কুলে যায় সে। গতকালকেও যাওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু, স্কুল টাইমের আগে আগে রামিসাকে বাসার কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সারা বাসা খুঁজে কোথাও না পেয়ে, রামিসার মা ঘরের দরোজা খুলে দেখেন, তাদের ঠিক অপোজিট ফ্ল্যাটের দরোজার কাছে রামিসার একটা জুতো পড়ে আছে। মা ভাবলেন, হয়তো প্রতিবেশিদের বাসায় গিয়েছে ছোট্ট মেয়েটা।
তিনি দরোজায় নক করলেন। একবার, দুইবার, তিনবার। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ পেলেন না। আরও জোরে নক করলেন, ধাক্কা দিলেন দরোজায়। কিন্তু না, কোনো আওয়াজ পাওয়া যায় না।
মায়ের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে৷ মেয়ের জুতো পড়ে আছে একটা৷ আরেকটা তাহলে কোথায় গেল? আর, এই বাসা তো তালাবদ্ধও না। তাহলে কেউ সাড়াশব্দ করছে না কেন?
রামিসার মা জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন দরোজায়। চিৎকার করতে শুরু করেন। আশেপাশের সকলে এসে জড়ো হয়। তারপরও কেউ দরোজা খুলে না৷ ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডেকে আনা হয়৷ তারা দরোজা কেটে ভেতরে ঢুকে যা দেখে, তা যেকোনো বাবা-মায়ের জন্য একজীবনের ট্রমা।
ভেতরে, খাটের তলায় পাওয়া যায় রামিসার মস্তকবিহীন শরীর। আর, কর্তিত মস্তক পাওয়া গেল ওয়াশরুমের মধ্যে।
মনে হচ্ছে সিনেম্যাটিক কোনো ক্রাইম স্টোরির স্ক্রিপ্ট, তাই না? জি না। এই ঘটনা গতকালকের। ঢাকার মিরপুরের।
ছোট্ট মেয়েটার সাথে JOUNO নির্যাতনের ঘটনার আলামত পাওয়া গেছে। যে নৃশংস, নরাধম এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তার নাকি এধরণের বিকৃত চাহিদা রয়েছে৷
সবচেয়ে বেদনাদায়ক ব্যাপার কী জানেন? এই ঘটনাটায় ওই নরাধমকে সহায়তা করেছে তার নিজের বউ।
একটা মেয়ে মানুষ, কীভাবে হতে দিলো একটা বাচ্চা মেয়ের সাথে এই কাজ? এই ঘটনা কী ব্যাখ্যা আপনি দাঁড় করাবেন?
আইয়্যামে জাহিলিয়াতের যুগে বাচ্চা মেয়েদের জীবন্ত পুঁতে ফেলা হতো। এখন, এই আইয়্যামে জাহিলিয়াত থেকে বাঁচতে, আমরা যারা মেয়েদের বাবা-মা আছি, মেয়ে সন্তানদের আমরা কি আবারও জীবন্ত পুঁতে ফেলা শুরু করব?
কী নৃশংস! কী নৃশংস!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Dhaka