15/07/2026
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই মার্ক কুকুরেয়া যেভাবে লেফট-ব্যাক পজিশনে আধিপত্য বিস্তার করে খেলছেন, তাতে আর সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই যে, রিয়াল মাদ্রিদ ঠিক জায়গাতেই খরচ করেছে।
যখন অধিকাংশ ফুটবলপ্রেমী কল্পনাও করেননি যে শেষ পর্যন্ত কুকুরেয়াকে দলে ভেড়াবে রিয়াল, তখন সবাইকে চমকে দিয়ে লা মাসিয়া গ্র্যাজুয়েট এই ফুটবলারকে নিজেদের করে নেয় ক্লাবটি। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, স্পেন জাতীয় দলে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিনিধিত্ব নেই কেন। সেই সমালোচনার জবাব যেন আগেভাগেই দিয়ে রাখেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই কুকুরেয়াকে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় হিসেবে নিবন্ধন করিয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন ‘ভবিষ্যতের জন্য সেরাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
এবারের বিশ্বকাপে কুকুরেয়া ছিলেন স্পেনের সবচেয়ে ধারাবাহিক ও ইমপ্যাক্টফুল ফুটবলারদের একজন। অনেকের চোখে তিনি টুর্নামেন্টে স্পেনের সেরা দুই-তিনজন পারফর্মারের মধ্যেই থাকবেন।
পুরো আসরজুড়ে আক্রমণ ও রক্ষণ দুই দিকেই ছিলেন অসাধারণ। লেফট ফ্ল্যাঙ্কে তার নিরন্তর দৌড়, নিখুঁত ক্রস, সময়োপযোগী ক্লিয়ারেন্স, দুর্দান্ত বল কন্ট্রোল এবং ম্যাচ রিডিং সক্ষমতা স্পেনের খেলায় এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। তার আক্রমণাত্মক উপস্থিতি স্পেনের আক্রমণকে আরও ধারালো করেছে, আর সেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই দলকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
এখন রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের অপেক্ষা একটাই ‘সাদা জার্সিতে কুকুরেয়ার এই দুর্দান্ত ছন্দ যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আর নতুন কোচ জোসে মরিনহোও নিশ্চয়ই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কবে এই ফর্মে থাকা লেফট-ব্যাককে নিজের ট্রেনিং ক্যাম্পে পাবেন।
14/07/2026
🏴🇦🇷 ইংল্যান্ডের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম অনুযায়ী, তারা ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের জন্য রেফারি নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছে।
🗞️ Daily Mail: “বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের জন্য লিওনেল মেসি তার পছন্দের রেফারিকেই পেলেন।”
🗞️ The Sun: “ফিফা এমন এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে, যিনি লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তের ম্যাচটি পরিচালনা করেছিলেন।”
🗞️ Daily Mirror: “রেফারি নিশ্চিত—আর্জেন্টিনার চাওয়াই পূরণ হয়েছে।”
14/07/2026
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর থেকেই পরবর্তী ম্যাচকে ঘিরে আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্টিনা। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে ঘটেছে একটি মজার ঘটনা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ফিফার কাছে অনুরোধ করেছে যেন তাদের এই ম্যাচে নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলার অনুমতি দেওয়া হয়।
এদিকে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই নীল জার্সিকে ঘিরে রয়েছে এক বিতর্কিত অধ্যায়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরেই মাঠে নেমেছিল। সেই ম্যাচেই দিয়েগো ম্যারাডোনা করেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত 'হ্যান্ড অব গড' গোল।
আরও একটি কাকতালীয় বিষয় হলো, ১৯৮৬ সালেও ইংল্যান্ডকে টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ম্যারাডোনার সেই বিতর্কিত গোলটির কারণে বিদায় নেয় টুর্নামেন্ট থেকে । এবারও ইংল্যান্ডকে শিরোপার অন্যতম হট ফেভারিট ধরা হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন একটাই ইতিহাস কি আবারও নিজেকে পুনরাবৃত্তি করবে? নাকি এবার ইংল্যান্ড বদলে দেবে সেই পুরোনো গল্প?
13/07/2026
৬৪ দল নিয়ে আগামী বিশ্বকাপ!🏆
ফিফা ২০৩০ বিশ্বকাপে আরো ১৬ টি দেশ বাড়িয়ে ৬৪ টি দেশ নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা ভাবছেন।
২০৩০ বিশ্বকাপের ওপেনিং ম্যাচগুলোর জন্য আয়োজক দেশ থাকবে আর্জেন্টিনা,উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে।
বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য আয়োজক দেশ হবে স্পেন,পর্তুগাল ও মরক্কো।
৬৪ টি দল।(সম্ভবত)
৬ টি আয়োজক দেশ।
৩ টি ভিন্ন মহাদেশ।
২০৩০ বিশ্বকাপ হতে চলেছে আরো জাঁকজমক টুর্নামেন্ট।
সোর্স: দ্যা এ্যাথলেটিক রিপোর্ট।
13/07/2026
সম্প্রতি মাইকেল ওলিসে তার ইনস্টাগ্রামের সব ছবি ডিলিট করে দেওয়ায় সবাই ভেবেছিল রিয়াল মাদ্রিদের গুঞ্জনের মাঝে তিনি হয়তো বায়ার্ন মিউনিখের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। কিন্তু আসল ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অসম্ভব আবেগঘন।
ওলিসে তার ইনস্টাগ্রামে সবসময় কেবল তার ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার লুকাসকোরসচানের তোলা ছবিই পোস্ট করতেন। কিন্তু মার্কিন কর্তৃপক্ষ লুকাসকোরসচানকে দেশে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় তিনি মাঠে গিয়ে ছবি তোলার সুযোগ হারান।
নিজের সহযোদ্ধার এই অপমানের প্রতিবাদে এবং তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে ওলিসে নিজের অ্যাকাউন্টের সব ছবি ডিলিট করে দেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন - লুকাসকোরসচান ঘরে বসে টিভির পর্দা থেকে তার খেলার যেসব ছবি তুলবেন, ওলিসে কেবল সেগুলোই পোস্ট করবেন।
আজ ওলিসের প্রোফাইলে গেলে যে ঝাপসা, স্ক্রিন থেকে তোলা ছবিগুলো দেখা যায় - সেগুলো আসলে কোনো সাধারণ ছবি নয়, ওটা ওলিসের প্রতিবাদের ভাষা। মাঠের শত শত হাই-কোয়ালিটি ফোরকে প্রফেশনাল শটকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তিনি কেবল তার বন্ধুর দূর থেকে তোলা ছবিগুলোই পোস্ট করে যাচ্ছেন।
সাফল্যের শিখরে গিয়েও পেছনের মানুষকে ভুলে না যাওয়ার এই মানসিকতা সত্যিই বিরল। ওলিসের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা আরও বেড়ে গেল। স্যালুট তার বাবা-মাকে, এমন একজন মাটির মানুষকে বড় করার জন্য।
13/07/2026
একটা সময় সবাই ভেবেছিল, রোনালদিনহোর পর মেসি, মেসির পর নেইমার এমন জন্মগত প্রতিভা কি বার্সেলোনা আর কখনও পাবে? যে শুধু অসাধারণ ফুটবলই খেলবে না, পুরো ফুটবল বিশ্বকে নিজের দিকে তাকাতে বাধ্য করবে।
বছরের পর বছর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে ফুটবলপ্রেমীরা। অবশেষে লা মাসিয়ার মাটিতেই আবার জন্ম নেয় আরেক বিস্ময়। তার নাম লামিন ইয়ামাল।
আজ ১৯ বছরে পা রাখা এই স্প্যানিশ সুপারস্টারকে দেখে অনেকেই বিশ্বাস করেন, বার্সেলোনা আবারও এমন একজন গট-গিফটেড ফুটবলার পেয়েছে, যে আগামী এক যুগ ক্লাবের লেগ্যাসি নিজের কাঁধে বহন করার সামর্থ্য রাখে।
আর সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এই গল্পটা এখনও শুরু পর্যায়েই। মাত্র সাত বছর বয়সে লা মাসিয়ার একাডেমিতে ভর্তি হওয়া একটি ছোট্ট ছেলে আজ ১৯ বছর বয়সেই ক্লাব, জাতীয় দল এবং বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তারকাদের একজন।
বয়স যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে তার দায়িত্ব, অর্জন আর প্রভাব। চলুন, বয়স ধরে দেখে নেওয়া যাক লামিন ইয়ামালের অবিশ্বাস্য উত্থানের গল্প।
মাত্র সাত বছর বয়সে বার্সেলোনার বিখ্যাত একাডেমি লা মাসিয়ায় ভর্তি হন লামিন ইয়ামাল।
মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জাভি হার্নান্দেজ তাকে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে সুযোগ দেন। ক্লাবের ইতিহাসে অন্যতম কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে প্রথম দলের জার্সি গায়ে তোলেন তিনি।
বার্সেলোনার নিয়মিত স্কোয়াডে জায়গা পাকা করার পাশাপাশি ডাক পান স্পেন জাতীয় দলে। অভিষেক ম্যাচেই গোল করে ইতিহাস গড়েন। এরপর ইউরো ২০২৪-এ পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে স্পেনকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখেন। জেতেন ইয়াং প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট, পাশাপাশি নিজের ক্যাবিনেটে যোগ করেন গোল্ডেন বয় ও কোপা ট্রফি।
নিজের দ্বিতীয়রমৌসুমেই তিনি বার্সেলোনার আক্রমণের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে ওঠেন। দলকে জেতান লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স এতটাই অসাধারণ ছিল যে ২০২৫ সালের ব্যালন ডি'অর ভোটিংয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এত কম বয়সে এমন কীর্তি ফুটবল ইতিহাসেই বিরল।
ক্যারিয়ারের তৃতীয় সিজনে বার্সেলোনার মেইন ম্যান হওয়ার পাশাপাশি স্পেন জাতীয় দলেরও সবচেয়ে বড় অ্যাসেট হয়ে উঠেন।
আজ লামিন ইয়ামালের ১৯তম জন্মদিন। এই বয়সেই তার ট্রফি ক্যাবিনেটে রয়েছে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ, লা লিগা, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ।
ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় রয়েছে গোল্ডেন বয়, কোপা ট্রফি, ইউরো ২০২৪-এর ইয়াং প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট এবং ব্যালন ডি'অর রানার-আপ হওয়ার কৃতিত্ব।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে এত কিছু অর্জন করার পরও লামিন ইয়ামালের গল্প এখনও শুরুই বলা যায়। সামনে আরও কত রেকর্ড, কত শিরোপা আর কত ইতিহাস তার অপেক্ষায় আছে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
শুভ জন্মদিন লামিন ইয়ামাল 🤍
13/07/2026
ফুটবলে হতে যাওয়া ট্র্যান্সফর হুট করে ভেস্তে যাওয়াটা অনেকটা চরিত্রে দাগ লাগার মতো।
চরিত্রে দাগ লাগলে যেমন অন্যকেউ সেই মানুষটাকে গ্রহণ করতে পারেনা, তেমনি ফুটবলেও বড় কোনো ক্লাব প্লেয়ার সাইনিং করিয়েও সেই ডিলকে কোনো এক অজুহাত দেখিয়ে কোলাপ্স করে দিলে-সেটাই সেই চরিত্রে দাগ লাগার মতো অভিজ্ঞতা।
এডারসনের সাথে ইউনাইটেডের ট্র্যান্সফরের Here We Go শোনার পর সবাই যখন ধরে নিয়েছিলো এডারসন আগামী সিজনে রেড ডেভিলদের জার্সিতে খেলতে যাচ্ছে-ঠিক তখনই ভাবনার ঘোর কাটিয়ে দিলো এডারসনের মেডিকেলের পর রোমানোর পরবর্তী পোস্ট টা । এডারসনের একটি ইন্জুরির অজুহাত দিয়ে ইউনাইটেড ডিল টা বাতিল করে দিলো।
এটাকে স্বাভাবিক চোখে দেখা হলেও আসলেও এটা স্বাভাবিক নয়।
বিশ্বমিডিয়া জেনেছে, সকল ফ্যানরা জেনেছে সাথে বড় ক্লাবগুলোও জেনে গেছে যে, “এডারসনের সাথে ডিল হওয়ার কথা ছিলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিন্তু সেটা বাতিল হয়েছে ” এবং এতে কি দাঁড়ালো? বড় ক্লাবগুলো কিংবা মধ্যম সারির ক্লাবগুলো এখন এডারসনকে কেনার ব্যপারে সতর্ক অবস্থানে থাকবে, খুব সম্ভবত ওদিকে পা বাড়াবে না।
এমনকি পরবর্তীতে এডারসন পুরোপুরি ফিট থাকলেও সে আর বড় ক্লাবের নজড়ে আসবেনা। আর এটা তার জন্য শুধু ক্ষতিই নয় বরং তার ক্যারিয়ার এক পা আগানোর পর ৩ পা পিছিয়ে দেওয়ার মতো।
লুকাস পাকুয়েতার বেলাতেও এটাই হয়েছিলো। সিটি সব প্ল্যান করে ফেলেছিলো, ডিলও ফাইনাল হয়ে যেতো কিন্তু এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে ফেইক এলিগেশন এনে তার সেই ট্র্যান্সফরটা শুধু ভেস্তেই দিলোনা বরং তার ইউরোপ ক্যারিয়ারটাই শেষ করে দিলো।
12/07/2026
বিশ্বকাপ শুরুর আগে কোনো ফুটবল ফ্যানেরই এক্সপেক্টেশন ছিলোনা যে জুড বেলিংহাম ভালো করবে। কিন্তু দিনশেষে জুড বেলিংহাম আমাদের সবার এক্সপেক্টেশনের বাহিরে গিয়ে পারফরম্যান্স করছে। শুধু পারম্যান্স করছে বললে ভুল হবে লিটরেলি বিশ্বকাপ ইতিহাসে একজন মিডফিল্ডার হিসেবে সেরা ইনডিভিজুয়াল পারফরম্যান্স উপহার দিচ্ছে।
এর আগে মিডফিল্ডারদের মধ্যে বিশ্বকাপ মঞ্চে একেবারে অস্বাভাবিকরকমের ভালো কিছু করেছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা এবং জিনেদিন জিদান। এবং আরো সংক্ষেপে পিওর মিডফিল্ডারদের মধ্যে জিনেদিন জিদান। জিদান তার ফ্রান্সকে একাই ক্যারি করে নিয়ে গিয়েছিলেন, ব্রাজিলের ইতিহাসের তর্কসাপেক্ষে সেরা বিশ্বকাপ স্কোয়াডকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। জুড বেলিংহাম এত ভালো কিছু না করলেও জিদানের কাছাকাছি থাকার মতো ইনডিভিজুয়াল পারফরম্যান্স এবার ঠিকই করছে।
কেমন পারফরম্যান্স করছে সেটার সংক্ষেপে বর্ণনা করা পসিবল না। তারপরও যদি মাঠের ইমপ্যাক্ট বাদ দিয়ে শুধু পরিসংখ্যানের কথা বলা যায় তবে জুড এখন অব্দী ৬ গোল, ১ এসিস্ট করছে। শেষবার ডিয়েগো ম্যারাডোনা টানা ২ নকআউট ম্যাচে জোড়া গোল করার যেই রেকর্ড গড়েছিলেন-এতবছর পর জুড বেলিংহাম সেটা ব্রেক করেছে। সাথে ৪ বার ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হওয়ার রেকর্ডটাও ইতিহাসে আর কোনো মিডফিল্ডার আছে বলে খুঁজে পাওয়া সম্ভব না।
পরিশেষে অকপটেই স্বীকার করে নিতে হয় যে জুড বেলিংহাম অন্যলেভেলে চলে গেছে ইতিমধ্যে। বর্তমান জেনারেশনে তার তুলনা বোধহয় তিনি নিজেই।
12/07/2026
কাবো ভার্দে, মিশরের পর এবার শক্তিশালী সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা।
৭২ মিনিটে সুইস ফুটবলার এমবোলোর লাল কার্ড পাওয়ার আগ পর্যন্ত ম্যাচটি ছিলো ১-১ সমতায়। কিন্তু এরপর ১০ জন নিয়ে আর পেটে উঠেনি সুইজারল্যান্ড। এক্সট্রা টাইমের শেষ দিকে গিয়ে আরো দুই গোল করে ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতে নেয় আর্জেন্টিনা।
সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের।
12/07/2026
জুড ভিক্টর উইলিয়াম বেলিংহাম, এই নামে ভর করেই ২০১৮ সালের পর আবারো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলো ইংল্যান্ড।
মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ ইংল্যান্ড ২-১ গোলে নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। আর দুটো গোলই করেছেন একজনই, জুড বেলিংহাম। মেক্সিকো ম্যাচে জোড়া গোলের পর আজও একই দৃশ্য, যেন ইংল্যান্ডের যখন তাকে দরকার তখনই এই তরুণ রিয়াল মাদ্রিদ তারকার আবির্ভাব।
ম্যাচের শুরুটা তেমন সুবিধাজনক ছিল না। দু'দল মিলিয়ে প্রথম ১৫ মিনিটে একটাও শট অন টার্গেট নেই। কিন্তু ৩৬তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন বেনফিকার উইঙ্গার আন্দ্রেয়াস শেলডেরুপ। নরওয়ে ১-০ গোলে এগিয়ে। প্রথমার্ধের শেষের দিকে গর্ডন কাউন্টার-অ্যাটাকে বল পেয়ে বেলিংহামকে বক্সের ভেতরে খুঁজে নেন, বেলিংহাম ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে সেটাকে গোলে পরিণত করেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে হেগেমের গোলে নরওয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গোলের আগে হাল্যান্ডের করা ফাউলের কারণে সেটা বাতিল হয়ে যায়। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ এর সমতায় শেষ হয়,সেজন্য অতিরিক্ত সময়ে গেলো ম্যাচ। এক্সট্রা টাইমে মর্গান রজার্সের দূরপাল্লার শট নাইল্যান্ড ঠেকালেও, সেটার রিবাউন্ড থেকে বেলিংহাম শট নেয়, এবং আবারো গোল। ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শেষ করে ইংল্যান্ড।
এবার বেলিংহামের পারফরম্যান্সের কথায় আসা যাক। আজকের দুটো গোলে তার টুর্নামেন্টে মোট গোল হলো ছয়টি, একজন মিডফিল্ডারের জন্য এই সংখ্যাটা রীতিমতো অবিশ্বাস্যই। শুধু তাই না, পরপর দুটো নকআউট ম্যাচে জোড়া গোল, এটা ইংল্যান্ডের হয়ে কোনো খেলোয়াড় এর আগে করেছেন বলে মনে হয়না। এবং ম্যাচ শেষে ম্যাচসেরার পুরষ্কারটাও জিতে নিয়েছেন। বোধহয় এটা বেলিংহামের ক্যারিয়ার সেরা টূর্নামেন্ট কাটছে।
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা, যদি সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তারা জিততে পারে। মেসির আর্জেন্টিনার সামনে ইংল্যান্ড। আর জিতলে ফাইনাল, যা ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ড কখনো করতে পারেনি। এবং তারা এই ধাপটা পার করতে পারে কী না সেটই দেখার বিষয়!