Fever De Football

Fever De Football

Share

Are you infected with football fever? Then stay with the "Fever de Football" page.

Here, you'll find great articles , analysis, the latest news, and more.


“ Fever De Football ” is with you all.” 🖤⚽✨

16/08/2026

মেইল স্পোর্ট একটি তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, উক্ত তদন্তে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর ট্রান্সফার সাম্রাজ্যকে গভীরভাবে খতিয়ে দেখা ।

জানা যায় সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো রোমানো এবং তার প্রতিষ্ঠান নাকি ক্লাব ও এজেন্টদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করতেন, যাতে তাদের ট্রান্সফার-সংক্রান্ত পোস্টে ওই ক্লাব বা এজেন্টদের প্রোমোশন করা হয় । এমনটা সত্য হলে, তার ট্রান্সফার কভারেজকে গোপন বিজ্ঞাপন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। 💰👀

এছাড়াও, Reddit Soccer নাকি ২ আগস্ট তাকে “সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের” অভিযোগে ব্যান করেছে। এর ফলে তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলও হারিয়েছেন তিনি। ❌

এছাড়াও আরো কিছু তথ্য বেড়িয়ে আসে,

যেখানে জানা যায় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চলাকালীন সৌদি আরব-সম্পর্কিত কনটেন্ট প্রচার করার কারণেও রোমানো তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বিতর্ক এতটাই বড় আকার ধারণ করে যে, নিজের রেপুটেশনাল সংকট সামলাতে আইনজীবীদের সহায়তা নিতে হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

যে সাংবাদিককে বছরের পর বছর ধরে ট্রান্সফার নিউজের সবচেয়ে বড় কণ্ঠস্বর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, সেই ফ্যাব্রিজিও রোমানোই এখন পড়েছেন তীব্র তদন্ত ও সমালোচনার মুখে।

তাহলে কি সত্যিই ভেঙে পড়ছে ফ্যাব্রিজিও রোমানোর সাম্রাজ্য? ্

15/08/2026

প্রি-সিজনের ফ্রেন্ডলিতে শাবি আলোনসোর অধীনে জোয়াও পেদ্রো রীতিমতো অপনেন্টদের রান্না করে ছাড়ছে! 🔥

শাবি বেশ কয়েকটি ম্যাচে প্ল্যানে পরিবর্তন এনেছেন, পজিশন ও রোলেও এসেছে ভিন্নতা কিন্তু পেদ্রোর পারফরম্যান্সে যেন কোনো পরিবর্তনই নেই। বরং প্রতিটি ম্যাচেই নিজেকে আরও ভয়ংকর করে তুলছে। কয়েকটি ম্যাচেই করে ফেলেছে ৮ গোল!

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, নির্দিষ্ট কোনো পজিশনের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখছে না পেদ্রো। বক্সের ভেতরে যেখানেই সুযোগ পাচ্ছে, সেখান থেকেই ফিনিশিং দিচ্ছে। কখনো পজিশনাল প্লে, কখনো ড্রপ করে বল নেওয়া, আবার কখনো একেবারে স্ট্রাইকারের মতো বক্সে ঢুকে ফিনিশ সবকিছুতেই দারুণ স্বাচ্ছন্দ্য।

একেবারে ঠিক যেন হ্যালান্ডের মতো যেকোনো পজিশনে দাঁড়িয়েই গোল করার ক্ষমতা।

প্রি-সিজন অবশ্যই মূল মৌসুমের নিশ্চয়তা নয়। কিন্তু এই ধারাবাহিকতা যদি প্রিমিয়ার লিগেও ধরে রাখতে পারে, তাহলে অপনেন্টদের জন্য জোয়াও পেদ্রো হতে যাচ্ছে বড়সড় এক বিপদ।

প্রিমিয়ার লিগে এবার পেদ্রোকে নিয়ে আলাদা করে সতর্ক থাকতেই হবে! 👀

14/08/2026

মরিনহোকে ইমপ্রেস করা-এটা চাট্টিখানি কথা নয়। আর চেরিফ ফোফানা ঠিক সেটাই করে দেখিয়েছে। তাকে দেখেই মরিনহো মুগ্ধ হয়েছেন এবং বুঝিয়ে দিয়েছেন, ছেলেটার মধ্যে সত্যিকারের ‘হীরে’ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

মরিনহো তার নাম দিয়েছেন “Little Kanté”। নামটা যে একেবারে অযৌক্তিক নয়, ফোফানাকে খেলতে দেখলেই সেটা বোঝা যায়। তার বডি মুভমেন্ট, বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কান্তের কথা মনে করিয়ে দেয়। দূর থেকে দেখলে যেন কান্তেরই কপি মনে হবে। পার্থক্য শুধু একটাই ফোফানা ফরাসি নয়। ফরাসি হলে হয়তো তাকে এখনই কান্তের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে ভাবা শুরু হয়ে যেত।

তবে ফ্রান্স তাকে না পেলেও লাভবান হওয়ার সুযোগটা রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। কারণ মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ফোফানা প্রথম দলের সঙ্গে ট্রেনিং করার সুযোগ পাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় বিষয়, তার খেলায় ইতিমধ্যেই কান্তের সঙ্গে বেশ কিছু দারুণ মিল দেখা যাচ্ছে।

কান্তের মতো ফোফানারও পাসিং প্রগ্রেশন, ডিপ থেকে বল ক্যারি করা, বল উইনিং, ডিফেন্সিভ কভারেজ এবং ডিফেন্সিভ ওয়ার্করেট বেশ নজরকাড়া। তবে দুজনের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল সম্ভবত ট্রানজিশনে।

দুজনই সতীর্থকে বল দিয়ে শুধু দাঁড়িয়ে থাকে না। বল পাস করার পরপরই আবার বল রিকোভারির জন্য চলে যায় । অর্থাৎ একজনের পাস থেকেই পরের মুহূর্তে বল রিকভার করে দলের আক্রমণাত্মক ট্রানজিশন শুরু করার সক্ষমতা এটাই দুজনের খেলায় দারুণভাবে মিলে যায়।

তবে মিলের পাশাপাশি পার্থক্যও স্পষ্ট।

কান্তে যেখানে ডিফেন্সিভ ইন্টেলিজেন্সে অন্য লেভেলের, ফোফানা সেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি অ্যাডভান্সড অফেন্সিভলি। কান্তের সবচেয়ে বড় শক্তি তার ডিফেন্সিভ রিডিং, পজিশনিং । অন্যদিকে ফোফানার মধ্যে বল নিয়ে বল ক্যারি করা, প্রগ্রেশন এবং আক্রমণাত্মক প্রভাব তৈরির প্রবণতা একটু বেশি।

আরেকটা বিষয় চোখে পড়ার মতো দুজনের বডি মুভমেন্ট এবং বল কন্ট্রোলের ধরন। কান্তের পায়ে বল যেন চুম্বকের মতো লেগে থাকত-ফোফানার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার দেখা যায়। বল পায়ে নিয়ে দ্রুত ডিরেকশন পরিবর্তন করা, প্রেসিং থেকে বেরিয়ে আসা কিংবা প্রতিপক্ষের মাঝখান দিয়ে বল ক্যারি করে নেওয়ার সময় তার শরীরের মুভমেন্ট বেশ স্বাভাবিক ও কার্যকর।

তবে ফোফানার সবচেয়ে বড় সুবিধা হতে পারে মরিনহোর অধীনে বেড়ে ওঠা। এখনো তার বয়স মাত্র ১৬। সামনে তার ডিফেন্সিভ গেম আরও উন্নত হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আর মরিনহোর মতো একজন কোচের অধীনে সেই জায়গায় উন্নতি করতে পারলে ফোফানা ভবিষ্যতে রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডের জন্য অসাধারণ এক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে।

এখনই তাকে কান্তের সঙ্গে তুলনা করে বড় কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়তো তাড়াহুড়ো হবে। কিন্তু একজন ১৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডারকে দেখে যখন মরিনহোর মতো কোচ “Little Kanté” বলে ফেলেন, তখন বুঝতেই হয় এই ছেলেটার মধ্যে কিছু একটা আছে।

হয়তো রিয়াল মাদ্রিদ তাদের ভবিষ্যতের মিডফিল্ডের সেই ‘হীরে’টা ইতিমধ্যেই খুঁজে পেয়েছে।

14/08/2026

The angle of Neymar’s assist >>>

Different level 💥

14/08/2026

স্যাভিনহোর উচিত ছিলো গত সিজনেই টটেনহাম যখন তার জন্য বিড করেছিলো-তখনই চলে যাওয়া। কিন্তু সে না গিয়ে বরং ২০৩০ পর্যন্ত কন্ট্রাক্ট রিনিউ করেছিলো সিটির সাথে। এটা তার নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত।

তবে এইবার মনেহয়না এমন ভুল করবে। ইতিমধ্যেই সে ক্লিয়ার করেছে সে টটেনহামে যেতে চায়, সিটিকে সাফ জানিয়েছে স্যাভিনহো এটা।

লা লীগায় জিরোনার দুর্দান্ত সময় পাড় করার পর স্যাভিনহো সিটিতে যেই সমস্যাগুলো ফেইস করেছে বা করছে সেসব তাকে আলোচনা থেকে বের করেছে। প্লেয়িং টাইম না পাওয়া, পেপ গার্দিওয়ালার সিস্টেমে নিজের সহজাত খেলাটা খেলতে না পারা এরপর ম্যানসিটির একেরপর এক সাইনিংয়ের কারণে এখন আবার বাকিদের সাথে পজিশন নিয়ে লড়াই করতে হচ্ছে। মাঝখান থেকে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ মিস করলো।

এখন সিটি না ছাড়লে হয়তোবা ফিউচারে ভালো ক্লাব পাবেনা তখন গন্তব্য হবে সৌদি নয়তো ব্রাজিল লীগ। এসব দিক বিবেচনায় এখনই সিটি ছেড়ে টটেনহামে যাওয়ার বিকল্প নেই। রবার্তো ডি জার্বির মতো মডার্ন ফুটবলের ভালো একজন ট্যাক্টিশিয়ানের অধীনে খেলতে পারাটাও কামব্যাকের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হতে পারে।

14/08/2026

ফিফার সাথে উয়েফার ব্যাটেল চলছে বেশ কয়েকবছর হলো । এই ব্যাটেল টার কারণ মূলত ক্ষমতা, অর্থ, টুর্নামেন্টের নিয়ন্ত্রণ এবং ফুটবলের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে। এটা আরো তীব্র হয় ২০২৫ ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে।
নতুনভাবে ২০২৫ থেকে ৩২ ক্লাব নিয়ে আয়োজিত ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে এটা আরো তীব্র আকার ধারণ করে। ফিফা একপ্রকার উয়েফাকে টেক্কা দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে আরো সমৃদ্ধ হতে রীতিমতো আকাশছোঁয়া প্রাইজমানি নির্ধারণ করে প্রথম ক্লাব বিশ্বকাপ থেকেই। যেই প্রাইজমানি এতটা বেশি হয় যে এমন প্রাইজমানি ফিফা বিশ্বকাপেও দেওয়া হয়নি।

আর এতবেশি প্রাইজমানিই ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোকে আকৃষ্ট করে এটার দিকে ঝুঁকে পড়ার জন্য। আর বাংলার সেই প্রবাদ বাক্যের মতো হয়ে দাঁড়ায় যে টাকা পেলে কাঁঠের পুতুলও হা করে-ঠিক এই প্রবাদ বাক্যের মতো ইউরোপের ক্লাবগুলো ফিফার এই ক্লাব বিশ্বকাপে এসে বড়সড় একটা অর্থ আয় করে।

মূলত এখানেই উয়েফার স্বার্থে আঘাত লাগে, বড়সড় ক্ষতি হয়ে যায়।

প্রশ্ন হলো : এই ক্ষতির কারণ কি?

মূলত উয়েফা তাদের ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউসিএল, ইউরোপা লীগ, কনফারেন্স লীগ ইত্যাদি টুর্নামেন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ আয় করে। পরিমাণ টা এতবেশি যা প্রায় ৪ বিলিয়ন+ইউরো । কিন্তু ফিফা তাদের নতুন সংস্করণে আয়োজিত এই ক্লাব বিশ্বকাপ চালু করার পর উয়েফা বেশ খানিকটা ভয়ে আছে। ফিফার দেখানো বিপুল পরিমাণ প্রাইজমানিতে ধীরে ধীরে ক্লাবগুলোর আকৃষ্ট হওয়ার যেই একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেটাই ভবিষ্যতে উয়েফাকে বিপদে ফেলবে। সেইসাথে অতিরিক্ত ম্যাচের চাপের কারণে খেলোয়াড়দের কাছেও গুরুত্ব হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
আর এ কারণেই উয়েফা অনেকটা ক্ষীপ্ত ফিফার উপর।

তবে ফিফার সাথে উয়েফার এই দ্বন্দ্বের সূচনা ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনার শুরু থেকেই।

মাঝখানে এই দ্বন্দ্বের কারণে ফিফা এবং উয়েফা কোলাবোরেট করে খেলোয়াড়দেরকে যেই এওয়ার্ডগুলো দিতো সেটা থেকেও আলাদা হয়েছে ফিফা এবং উয়েফা। তাই এখন আর ইউসিএল জিতলেই ফিফা বেস্ট জিতবে কিংবা বিশ্বকাপ জিতলেই ব্যালন ডিওর জিতবে এমন কোনে নিশ্চয়তা নেই। ফ্রান্স ফুটবল নিজেরাও জানিয়েছে ব্যালন ডিওরের জন্য ফিফা বিশ্বকাপই গুরুত্বপূর্ণ নয়-এটা না জিতলেও কোনো প্লেয়ার ব্যালন জয়ের দাবী রাখে।

এবার ফিরে আসি সাম্প্রতিক একটা ঘটনায়। সাম্প্রতিক দেখা যায় আফ্রিকান রেফারি ওমর আর্তান উয়েফার আয়োজিত উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালের দায়িত্ব পালন করেন। ঘটনা টা স্বাভাবিক হলেও আদৌ এটা স্বাভাবিক নয়৷
ওমর আর্তান হলো সেই রেফারি যাকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিফা বিশ্বকাপে আসতে দেয়নি। এয়ারপোর্টে হেনস্থা করা এবং দেশে ফিরিয়ে দেয় ওমর আর্তানকে এবং পরবর্তীতে ওমর আর্তানকে টে'রো'রিস্ট গ্রুপের সদস্য আখ্যা দেয় ইউএসএ মিডিয়া।

এরপর সেই ঘটনার মধ্য দিয়েই উয়েফা তৎক্ষণাৎ ঘোষণা দেয় যে ওমর আর্তানই হবে উয়েফা সুপার কাপ ফাইনালের রেফারি।

উয়েফার এই ঘোষণা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলে-উয়েফার প্রসংশা করে বিশ্ব। আর এখানেই মূলত লাভ উয়েফার। উয়েফা যেই উদ্দেশ্যে ওমর আর্তানকে উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালের রেফারি হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন সেটাতে সফল।

তবে ফিফা-উয়েফার এই দ্বন্দ্বের মাঝেও ভালো দিকটা হলো ওমর আর্তান তার আসল স্বীকৃতি পেয়েছে, সন্মানিত হয়েছে।

14/08/2026

নিসন্দেহে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর,সৃজনশীল এবং স্বার্থহীন আক্রমণ ত্রয়ী।
এদের কম্বিনেশন এতটাই অবিশ্বাস্য ছিল যে আফটার স্কোরিং এদের সেলিব্রেশন দেখলে বুঝা মুশকিল যে কে স্কোর করেছে। তাছাড়া যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে দুর্দান্ত সব এসিস্ট করতে সক্ষম ছিল।

হ্যাটস অব লিজেন্ডস❤️

14/08/2026

নেইমার এক জাদুকর। ক্যারিয়ারের প্রায় অন্তিম পর্যায়ই বলা চলে, ন্যাশনাল থেকে তো অবসরেই চলে গেলেন। আর এক-দুই সিজন পর ফুটবল থেকেও রিটায়ার্ড করবেন।

কিন্তু তার জাদুতে যে আজও মুগ্ধ হয় মানুষ। না হয়ে উপায় কই? নেইমার তো প্রতিনিয়তই এমন জাদুকরী খেলা দেখিয়ে যাচ্ছেন....

আজও কোপা সুদামেরিকানার রাউন্ড অফ ১৬ এর ম্যাচে প্রথম এক গোলে পিছিয়ে পড়ে সান্তোস। তবে হাফ টাইমের আগেই নেইমারের দুটো অ্যাসিস্ট থেকে ২-১ এর লিডে চলে যায় তারা।

পুরো ম্যাচ জুড়েই মুগ্ধ করেছেন নেইমার, তার ক্যামিও তে পরাজিত হয়েছে ইকুয়েডরিয়ান ক্লাব। সামনে আছে সেকেন্ড লেগ, দেখা যাক কী হয়!

জাদুকররাও মানুষ, তারা তো আর সারাজীবন বেঁচে থাকে না। কিন্তু তাদের দেখানো ভেলকি কি তারা ভুলে যায়? না, কখনোই না। নেইমার হলেন তেমনই এক জাদুকর.....

13/08/2026

সুসময়ের আশায় বছরের পর বছর অপেক্ষা করা, ক্লাবেরও সেই প্লেয়ারকে প্রতি সিজনে ভরসা করা এবং ভরসা করে দলের নেতৃত্ব ভাড় তুলে দেওয়া-এটা বলা সহজ হলেও আদৌ সবার ক্ষেত্রে সম্ভব হয়না । কেউতো ২-৩ সিজনেই ক্লাব বড় শিরোপা না জিতলে চলে যায়।
কিন্তু মার্কুইনহোস যখন পিএসজিতে এসেছিলেন তখন প্রায় সব ক্লাবের অফার পেছনে ফেলেই পিএসজির প্রোজেক্ট দেখে পিএসজিতে এসেছিলেন। এরপর প্রায় অনেক বছর পাড় হয়েছে।
এই কয়েকবছরে তার যেসব সতীর্থ ছিলেন পিএসজিতে তারা সবাই ক্লাব ছেড়েছে-কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি থেকে গেছেন। পিএসজি তাকে জোড়ও করেনি থেকে যাওয়ার জন্য বরং ক্লাবের প্রতি দায়বদ্ধতা আর কিছু পাওয়ার অপেক্ষায় বছরের পর বছর কাটিয়েছেন।
পিএসজি লীগ ডমিনেশনের পর লীগ শিরোপাটা তাদের জন্য নির্ধারিত থাকলেও ইউসিএলে বরাবরই হোচট খেয়েছে। মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের নিয়েও পিএসজি কখনো সেই অধরা ইউসিএল জিততে পারেনি। অবশেষে তারাও বিদায় নিয়েছে। এমবাপ্পে চ্যাম্পিয়ানস লীগ জয়ের আশায় রিয়াল মাদ্রিদে গিয়েছে। কিন্তু একজনই থেকে গেছেন-সেটা মার্কইনহোস।

অবশেষে সেই থেকে যাওয়ার সুফল পাচ্ছে। ক্লাব ইতিহাসে এলিট ক্যারিয়ার গড়া ডিফেন্ডারদের একজন তিনি। ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ শিরোপা জেতা ডিফেন্ডার তিনি, ২য় সর্বোচ্চ শিরোপা জেতা প্লেয়ারটাও তিনি।

তবে এখনো শেষ হয়নি তার যাত্রা। গতরাতেই আবারো ক্যাপ্টেন্সির আর্মব্যান্ড পড়ে জিতেছেন উয়েফা সুপার কাপের শিরোপা। নতুন সিজনে আরো শিরোপা জিতবেন হয়তোবা এবং পরিশেষে শিরোপার ক্যাভিনেটে সবাইকে ছাড়িয়েও যেতে পারেন তিনিই।

One of the greatest defender in the world.

Most Trophy winner player in football history ⏳

13/08/2026

ইন্টারন্যাশনাল ফুটবলে এই মুহূর্তের সবচেয়ে চমকপ্রদ নিউজ হলো জাভি হার্নান্দেজের নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের কোচ হওয়া।

চমকটা শুধু জাভির নিয়োগে নয়, বরং নিয়োগের ধরনেও। বড় কোনো গুঞ্জন নেই, বড় জার্নালিস্টদের আগাম কোনো ইঙ্গিত নেই। এক কথায় প্রায় কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই নেদারল্যান্ডস ও জাভি মিলে পুরো ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছে।

কিন্তু প্রশ্নটা হলো : নেদারল্যান্ডস জাভির মধ্যে এমন কী দেখল, যার কারণে প্রায় দুই বছর কোচিংয়ের বাইরে থাকা একজন কোচকে তারা জাতীয় দলের দায়িত্ব দিল?
এর উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ডাচ ফুটবলের শিকড়ে, তাদের ফুটবল ফিলোসফিতে।

ষাটের দশকে রিনাস মিশেলস যে টোটাল ফুটবল দর্শনের ভিত্তি তৈরি করেছিলেন-তার সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন জোহান ক্রুইফ। পজিশনাল ফ্লুইডিটি, বলের উপর নিয়ন্ত্রণ, ট্রায়েংগেল তৈরি করে বল সার্কুলেশন এবং প্রতিপক্ষকে পজিশনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা। ডাচ ফুটবলের এই দর্শন পরবর্তীতে ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম বড় বিপ্লবের জন্ম দেয়।

ক্রুইফ ছিলেন সেই দর্শনের সবচেয়ে সফল ‘ফল’। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, নেদারল্যান্ডসের জাতীয় দলের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে নিজের দর্শনকে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ তার কখনো হয়নি।

অন্যদিকে, ক্রুইফের দর্শন যখন বার্সেলোনায় গিয়ে আরও বিকশিত হলো, তখন সেটিই ধীরে ধীরে নতুন এক রূপ পেল- পেপ গার্দিওয়ালার হাত ধরে বার্সেলোনায় সেটার নাম হলো টিকিটাকা।
আর বার্সেলোনার সেই টিকিটাকার অন্যতম বড় সুফল জাভি হার্নান্দেজের খেলোয়াড় জাভি থেকে কোচ জাভি হয়ে ওঠা। এবং তিনিই পেপ গার্দিওয়ালার পজিশনাল টিকিটাকাকে ভিন্ন রুপ দিয়ে পরিণত করেছেন কন্ট্রোল অরিয়েন্টেড টিকিটাকায়- যেই দর্শনের মূল শপথ হলো ম্যাচে বল পজিশনে রেখে মিডফিল্ড ডমিনেশন।

আর তাই রোনাল্ড কোম্যানের অধ্যায়ের সমাপ্তির পর হুট করে জাভিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়াটা আদৌ হুট করে হয়নি। এর পিছনে ছিলো নিখুত পরিকল্পনা এবং রিনাস মিশেলসের সেই টোটাল ফুটবলের ছোয়া আবারো নেদারল্যান্ডসে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা।

আর এই পরিকল্পনা থেকেই জাভি হার্নান্দেজের হাতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত নেদারল্যান্ডস দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka
1216