04/01/2020
ছোটবেলায় বাবা মা তেতুল খেতে নিষেধ করে নাই এমন কাওকে মনে হয় না খুঁজে পাওয়া যাবে। তেতুল নিয়ে শুধুমাত্র আমাদের দেশে নয় সারা উপমহাদেশেই প্রচুর ভুল ধারনা আছে। নিচে কিছু ভুল ধারনার লিস্ট দিলাম দেখি কে কে ছোট বেলায় এইগুলো শুনেছেন!
✅ তেতুল খেলে বুদ্ধি কমে যায়
✅ তেতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায়
✅ পিরিয়ডে পেট ব্যাথা করে আর ব্লিডিং বেশি হয়
✅ ক্ষত শুকাই না
✅ ছেলেদের যৌন ক্ষমতা কমে যায়
✅ তেতুল গাছে খারাপ জীন থাকে, এর বাতাস গায়ে লাগলে পাগল হয়ে যায়
আর কেউ অন্যে কিছু শুনে থাকলে শেয়ার করতে পারেন।
মজার ব্যাপার হচ্ছে তেতুল খেলে উপরের একটাও হয় না বরং নিচে দেওয়া উপকারিতা গুলো যদি চান তাহলে তেতুল খেতে পারেন।
✅ উচ্চ রক্তচাপ কমায়, হার্টের প্রবলেম কমায়
✅ ভিটামিন সি দ্রুত ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে
✅ তেতুল ক্ষুধা বাড়ায়, মুখের রুচি ফিরিয়ে আনে
✅ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
✅ বাচ্চাদের পেটের ক্রিমি কমায়
✅ লিভার ভাল রাখে
✅ গায়ের ঝালা পোড়া কমায়
✅ ডায়বেটিস কনট্রোল করে
✅ ওজন কমাতে সাহয্য করে
✅ সর্দিকাশি প্রতিরোধ করে
✅ পেপটিক আলসার ভাল করে
লিখতে লিখতে আমার হাত ব্যথা হয়ে যাচ্ছে কিন্তু উপকারীতা শেষ হচ্ছে না। তেতুল সম্পর্কে কারো ভুল ধারনা থাকলে আজিই বাদ দিন। তবে তার মানে এই না একগাদা লবন আর চিনি দিয়ে তেতুল খেয়ে শরীরের বারোটা বাজাবেন। তা কিন্তু তেতুলের দোষ না চিনি লবনের দোষ!
04/01/2020
এনি হচ্ছেন আমার মা যার আমরা না খাইলে কোনো প্রবলেম নাই কিন্তু বিড়াল, কুকুর না খাইলে তার খুব প্রবলেম হয়৷ মাঝে মাঝে বাড়ি গেলে মাছ খেতে পারি না, কারণ সারা বাসা ঘুরে ঘুরে আম্মার বিড়াল মাছ খাচ্ছে। ভাল বড় পিস তাদের ভাগ্যেই যায় আমরা শুধু চেয়ে থাকি।
একবার বাসার একটা বিড়াল হারিয়ে যায়, আম্মা তার জন্যে মানত করে রোজা রেখেছিল আবার মসজিদে মিলাত মানত করেছিল। বেশ কিছুদিন পরে বিড়াল বহাল তবিয়তে আরেক বিড়ালের সাথে ডেটিং করা কালে ধরা পরে আর আম্মাও তার মানত পূরন করে মসজিদে মিলাদ দেয়! এই হচ্ছে আমার মা!
04/01/2020
Huda Beauty এর কসমেটিকস এর নাম শুনে নাই এমন মনে হয় কাওকে পাওয়া যাবে না। অরিজিনাল হোক আর ডুপ্লিকেট হুদা আমাদের সবার চেনা। কিন্তু এই হুদা বিউটির জননী সম্পর্কে আমরা মনে হয় খুব একটা জানি না।
হুদা কাত্তান একজন ইরাকি আমেরিকান মেকাপ আর্টিস্ট৷ এক সময় মেকাপ আর্টিস্ট হিসাবে কাজ করতেন পরে চাকরি ছেড়ে দিয়ে হুদা বিউটি নামে ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দিয়ে বিউটি ব্লগ লেখা শুরু করেন। ২০১৩ সাল থেকে বলা যায় কমার্শিয়ালি কাজ করতে থাকেন এই মুসলিম নারী। তবে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় ইনস্টাগ্রাম! বর্তমানে একটা পোস্ট থেকেই পান বাংলাদেশি টাকায় ২৮ লাখ টাকা! ভাবা যায়!
তবে একদিনে কখনো সাফল্য আসে না। হুদা এই উঠে আসার পিছনে তার দুই বোনের ও অনেক অবদান আছে। যারা এখন হুদার সাথেই কাজ করছে।
ফোর্বস সাময়িকীর মতে, পৃথিবীর টপ ১০ জন পাওয়ারফুল বিউটি ব্লগার এর তালিকায় আছেন এই ৩৬ বছরের নারী। তার ব্যক্তিগত জীবনও খুব গুছানো। হাইস্কুলে সহপাঠীকে বিয়ে করেছেন ২০০৮ সালে আর এক বাচ্চা সহ বেশ সুখে আছেন।
04/01/2020
শখের বসে নাকি কেউ কেউ বিজনেস করে!! আল্লাহ তাদের এত শখ কেন এত কস্টের জন্যে। জব থেকে বিজনেস করা হাজার হাজার গুন বেশি কঠিন মনে হচ্ছে। এরপরও হয়ত শান্তি নিজের কিছু ত হচ্ছে! এখনো বিজনেসের বি ও শুরু হয় নাই, প্যারা খেয়েই যাচ্ছি! যারা আগে বিজনেস করেন তাদের জন্যে রেস্পেক্ট আর ভালবাসা।
21/11/2019
চটজলদি জলপাইয়ের ভর্তাঃ
খুব সহজ আর মজাদার এই ভর্তা বানানো খুবই সোজা, খুব অল্প উপকরণ দিয়ে বানাতে পারবেন
উপকরণঃ
১. জলপাই
২.চিনি
৩.লবন
৪. শুকনা মরিচ
৫. সরিষার তেল ( ইচ্ছা)
জলপাই সিদ্ধ করে চটকিয়ে নিতে হবে, শুকনা মরিচ সরিষার তেলে অথবা শুকনো ভেজে নিতে হবে। এরপর চিনি, লবন, শুকনো মরিচ আর জলপাই চটকিয়ে ভর্তা করে নিলেই ডান জলপাই এর ভর্তা। খুব সহজ কিন্তু খুব মজা। আচার বানানোর সময় না পেলে এইটা বানিয়ে খেতে পারেন।
18/11/2019
রিসেন্ট ইউজ করা কিছু সানব্লকের রিভিউ
সানব্লকের মেইন কাজ স্কিনকে রোদ থেকে বাঁচানো কিন্তু এইটা সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা এইটা আসলে এক দুইদিনে বুঝা যায় না। সো এই ফ্যাক্টর টা আসলে প্রুফ করা কঠিন তবে অন্যে ফ্যাক্টর গুলো নিয়ে আমি আলোচনা করতে পারি। মুখে দেওয়ার পর এইটার কেমন লাগে, কালো লাগে কিনা কিনবা সাদা সাদা হয়ে থাকে কিনা এইসব নিয়ে আজকে আমার এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করতে পারি।
১. Neutrogena Ultra Sheer Dry-Touch Sunblock SPF 50+ ঃ খুব জনপ্রিয় একটা সানব্লক। মাক্সিমাম পেইজ গুলোতে এইটা সাজেস্ট করে।
এইটার ভাল দিক হচ্ছে এর SPF অনেক বেশি আর Neutrogene ব্র্যান্ড নিয়ে ত কিছু বলার নাই, স্কিনের জন্যে বেশ সেফ এই ব্র্যান্ড। শুধু খেয়াল রাখবেন প্রোডাক্ট যাতে অরিজিনাল হয়। যেহেতু জনপ্রিয় তাই এই ব্র্যান্ড এর ফেক প্রোডাক্ট বাজারে অনেক বেশি।
এই সানব্লকের খারাপ দিক হলো এইটা একটু সাদা সাদা হয়ে ভাসে। আমার স্কিন গরমকালে ঠিক থাকে বাট শীতকালে বেশ শুস্ক থাকে। তখন এই সানব্লক টা আমাকে বেশ ভুগিয়েছে। গরমে এই সানব্লক গলে গিয়ে বাজে লাগে।
আমি কম্পেক্ট পাউডার দিয়ে এই প্রব্লেম গুলো সামাল দেওয়ার চেস্টা করতাম খুব একটা ভাল ফল পাই নি।
২. NIVEA's Moisturising Sun Lotion SPF 30ঃ NiVEA ও খুব ভাল ব্র্যান্ড। এই সানব্লকের ভাল দিক হচ্ছে এর Moisturising ক্যাপাসিটি। শীতকালে স্পেশালি হাতে পায়ে দেওয়ার জন্যে খুব ভাল। আমি মুখ ধুয়ে এইটা মেখে ফেলি। আলাদা করে শীতের জন্যে লোশন দিই না৷ আমি খুবই অলস,একবার Moisturising ক্রীম দিব আবার সানব্লক দিব এইটা আমাকে দিয়ে হয় না। ৫ মিনিটে রেডি হয়ে অফিসে যাওয়াত রেকর্ড আছে আমার সো এত কিছু করার টাইম আসলে পাই না।
এই সানব্লকের খারাপ দিক হচ্ছে একটু কালো লাগে, বাট আপনি যেকোন অয়েল বেসড Moisturising ক্রীম ইউজ করলে এই প্রবলেম কিছুটা পাবেন। আমি এর উপর কম্পেক্ট পাউডার দিয়ে দি। তখন ভাল কভারেজ দেয়।
৩. Bio Screen Sun Block SPF 60 : সবার শেষে এইটা নিয়ে বলবো কারন এইটা সব চাইতে প্রিয় আমার। আমি জানি না এইটা কতটা জনপ্রিয়। স্পেসিফিক একটা অনলাইন শপ ছাড়া এইটা সান ব্লক টা আমি খুঁজে পাই নাই।
এই সানব্লকটা বিবি ক্রিম হিসাবে খুব ভাল কাজ করে, এইটা আমার ড্রাই স্কিনে ভাল স্যুট করেছে আর তেলতেলে ও হয়ে থাকে আর SPF ও খুব ভাল। এইটা আমি BIOXin থেকে ডক্টর এর পরামর্শে নিয়েছিলাম। তখন আমার স্কিনের অবস্থা খুব খারাপ ছিল। এইটা আমি মেকাপ এর আগে প্রাইমার হিসাবেও ইউজ করি।
এইটার খারাপ দিক একটায়, দাম অনুসারে প্রোডাক্ট একটু কম মনে হয়েছে। আমি এইটা ৯০০ টাকা করে নিয়েছিলাম। কিপ্টার মত ইউজ করি, হাতে পায়ে NIVEA দিয়ে কাজ চালাই।
12/11/2019
শখের প্রিয় লাল শাড়িঃ
লাল রং কে বলা হয় Symbol of Attraction! লাল রং এ নাকি অপোজিট জেন্ডার কে সব চাইতে বেশি আকর্ষণ করে। এইটা ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যে প্রযোজ্য।
বিভিন্ন সাইকোলজিকাল রিসার্সে দেখা গেছে, মেয়েরা ডেট এ যাওয়ার জন্যে লালকে সব চাইতে বেশি প্রাধান্য দেয়। কি জানি হয়ত আমাদের দেশে তাই বিয়ের শাড়ি মানেই লাল! উৎসব মানেই লাল!
লাল আমারও খুবই পছন্দের কালার। লাল ড্রেস কিংবা শাড়ি নেই এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না।
লালকে কিন্তু রাগের রং ও বলা হয়। ওয়েবসাইট ডিজাইন কিংবা বাড়ির দেয়ালের রং এর জন্যে তাই আমরা লাল এভয়েড করার ট্রাই করি। কারন লাল চোখে বেশিক্ষন দেখতে ভাল লাগে না।
যে যাই বলুক, লাল মানেই কিন্তু একটা ভাল লাগা কাজ করে। সবার লাল ড্রেস পরা কোন ছবি থাকলে শেয়ার করবেন। লাল ড্রেসে ছবি কিন্তু অনেক ভাল আসে 🥰
11/11/2019
কাঁচা আমের পোড়া শরবতঃ
জীম করে এসে জামাই বললো শরবত খাবে! বাসায় লেবু শেষ, যেহেতু ডায়েট মেইনটেইন করি তাই ট্যাং জাতীয় ড্রিংক পাউডারও থাকে না। রাত ১১ টা বাজে তারে আমি কই থেকে শরবত জাতীয় কিছু এনে দি। পরে মনে পরলো, গরমে কাঁচা আম সংরক্ষণ করেছিলাম। তার দুইটা এখনো আছে৷ আমি কাঁচা আমের শরবত সাধারণত পুড়িয়ে বানাই। এইটার দুইটা ভার্সন করি। নিচে দেওয়া হলঃ
প্রথমে আম পুড়িয়ে নিতে হবে৷ বেগুন ভর্তার মত চুলায় দিয়ে উল্টে, পালটে পুড়িয়ে নি। এই পোড়া আম ছিলে আমি ডিপে রেখে দি। এই আম ছাঁকনি তে করে ভাল করে ছেকে পিউরী রেডি করে নি। অনেক মাস পর্যন্ত এইটা ভাল থাকে৷ স্বাদ গন্ধ নস্ট হয় না।
১. গোল মরিচ ভার্সনঃ পোড়া আমের পিউরী, গোল মরিচ গুড়া, বিট লবন আর অল্প চিনি দিয়ে ভাল করে ফেটে নিলেই শরবত রেডি। যেদিন ক্লান্ত থাকি ওইদিন এই ভার্সন বানায়।
২. পুদিনা পাতা ভার্সনঃ যেদিন এনার্জি ভাল থাকে ওইদিন, পুদিনা পাতা দুই তিনটা, ধনে পাতা দুই তিনটা, কাচা মরিচ স্বাদ অনুসারে ভাল করে পেস্ট করে নি। সাথে আধা চা চামচ ভাজা জিরে গুড়া, বিট লবন আর প্রয়োজন মত চিনি দিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করে নিলেই রেডি পোড়া আমের শরবত।
আমার নতুন সংসারে ব্লেন্ডার নেই। আমি সব পাটায় বেটে ছাঁকনিতে ছেকে নি, টেস্টে কোন কমতি হয় না। একটু ঝামেলা হয় এই যাহ!
#কাচাআমেরশরবররেসিপি
11/11/2019
একদিন আগের ঘটনা, আমি আর আমার হাসবেন্ড রাতে জিম শেষে বাড়ি ফিরছিলাম, হঠাৎ দেখি আমাদের বাসার একটু সামনে এক আপু আর এক ছোট বাচ্চা নিয়ে দাড়িয়ে কান্না করে ফোনে কথা বলছিলেন, যা থেকে আন্দাজ করলাম উনি বাসা থেকে বের হয়ে এসেছেন। পারিবারিক এমন ঘটনা আমাদের আসে পাশে প্রায় ঘটে, সত্ত্যি বলছি, এইটাও আমরা এড়িয়ে যেতাম। বাট উনার সাথে একটা বেবি ছিল যার পা ছিল খালি। বাইরে ঝড় আসছে, অনেক ঠান্ডা আর বাতাস ছিল। আমি আর হাসবেন্ড ঘটনা এড়াতে পারলাম না। এগিয়ে গিয়ে সাহায্য করতে চাইলাম। উনি প্রথমে কিছুই বলতে চাননি পরে আমাদের পরিচয় আর বাড়িওয়ালা চিনতে পারায় আমাদের সাথে কথা বলেন। উনাকে আমরা আমাদের বাসায় আসতে বলি, একটু ইতস্তত করে উনি বাবুটার কথা ভেবে আমাদের বাসায় আসেন।
উনার কাছে যা শুনলাম তা শুনে মারাত্মক মন খারাপ হল। উনি হাউজওয়াইফ, উনার হাসবেন্ড বেশ বড়লোক। কিন্তু উনার সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করেন, টাকা নিয়ে খোটা দেন, অসুস্থ হলে চিকিৎসা করাতে চান না। যেহেতু উনি হাউজওয়াইফ উনি টাকা রোজগার করেন না, তাই উনার সাথে বাজে ব্যবহার করেন। উনি ১০ বছর বাচ্চার কথা ভেবে চুপ ছিল কিন্তু আর অপমান নিতে পারছেন না। উনি আগে সরকারি জব করত কিন্তু উনার হাসবেন্ড জব ছাড়তে বাধ্য করেন বলে উনি সব ছেড়ে সংসারে মন দেন কিন্তু ওই হাসবেন্ডই এখন উনাকে টাকা নিয়ে বাজে ব্যবহার করছে। আপুর ফ্যামিলি কিছু বলে না কারন তারাও বড়লোক জামাই এর ফেভার নিতে চাই। বলা যায় মেয়েকে বিক্রি করে দিয়েছেন টাকার কাছে।
আমি জব করি, কিন্তু যারা জব না করে ফ্যামিলির জন্যে নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দেন তাদের পুর্ন সম্মান করি। অনেক আপুরা বাচ্চার জন্যে সব ছাড়েন, কিন্তু ফ্যামিলির কাছে সম্মান পান না। তারা কিছুদিন পর বোঝা হয়ে যান ফ্যামিলির। তাদের ফ্যামিলির জন্যে দিন রাত পরিশ্রম আমরা ইগনোর করি।আরেহ ওতো হাউজওয়াইফ, কিছু করে না বলে হেয় করি। কিন্তু আমাদের ফ্যামিলিতে উনাদের অবদান, হাসবেন্ড এর চাইতে কোন অংশে কম না। ওই আপু চাইলে জব ধরে রাখতে পারতো, হাসবেন্ডকে ছেড়ে দিয়ে নিজের মত চলতে পারত, কিন্তু উনি সব স্যাক্রিফাইস করেন, কিন্তু দিনশেষে অপমান ছাড়া উনার কিছুই জোটে না। কতটুকু অপমান আর অত্যাচারিত হলে উনি এত রাতে ছোট বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে কান্না করেন!
কেউ জব করবে, কেউ হয়ত জব না করে ফ্যামিলি জন্যে সময় দিবে। প্রতিটা মেয়ে যে যার জায়গা থেকে ফ্যামিলির জন্যে করতে চাই৷ এই চাওয়াকে সম্মান করা উচিত।
উনার শেষ একটা কথা ছিল, দামি দামি গয়না পরতে দিলেই মানুষ সুখে থাকে না, সম্মান টাও লাগে।
সত্ত্যি তাই, দামি গয়না, টাকা আর গাড়ি বাড়ি দিয়ে হয়ত কিছু মানুষ হয়ত সুখে থাকে কিন্তু সবাই না, কিছু মানুষের সম্মান টাও লাগে।
বি.দ্রঃ উনি উনার এক রিলেটিভ এর কাছে চলে যান যাতে অপরিচিত একটা ফ্যামিলি উনার জন্যে কোন অসুবিধায় না পরেন।
10/11/2019
ফুল কোর্স মেনুঃ
সব্জি খিচুড়িঃ খিচুড়ি আমার খুব প্রিয় খাবার। নরম সব্জি খিচুড়ি হলে ত কথাই নাই। কিন্তু ভাত যেহেতু বেশি খাওয়া যাবে না তাই আমার কলিগের পরামর্শে এই রেসিপি টা ফলো করি। খেতেও খুব মজা প্লাস পুস্টিগুনে ভরা।
উপকরণঃ
১. পছন্দের যত সব্জিঃ এইটা আসলে কোন বাধাধরা কোন কিছু নাই। যত খুশি সব্জি নিতে পারেন। তবে পুস্টির কথা বিবেচনা করে লাল, হলুদ আর সবুজ সব্জি মিশিয়ে নিবেন। আলু আর মিস্টি কুমড়া জাতীয় সব্জি কম করে নেওয়া ভাল।
২. পোলাও এর চালঃ পোলাও এর চাল দুই চা চামচ। হাসবেন না। সত্ত্যি এত পরিমানই আমি নি। যেহেতু চালের পরিমান খুবই কম তাই পোলাও এর চাল নি যাতে গন্ধে পেট ভরে যায়। আপনি আপনার পছন্দের যেকোন চাল নিতে পারেন। কিন্তু পরিমান হবে খুবই কম।
৩. ডালঃ যেহেতু ডাল প্রোটিনে ভরপুর থাকে, এইটা চালের চাইতে এক্টু বেশি নিতে পারেন।
৪. এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা, হলুদ, কাচামরিচ, পেয়াজ, আদা কুচি, রসুনকুচি আর লবনঃ আপনার স্বাদ অনুসারে। আদা ওয়েটলসে কাজ করে, রসুনের উপকারী গুন বলে শেষ করতে পারবো না।
৫. মুরগী মাংসের কিউবঃ আমি হাফ কাপের মত নি। এক বেলার জন্যে এক পিস আর দুইবেলার কথা চিন্তা করলে দুই পিস নেওয়া যায়।
এইবার সব উপকরণ মিশিয়ে চুলায় দিয়ে দিন। আমি একটু নরমই খেতে পছন্দ করি।
আপনারা হয়ত এতক্ষণে খেয়াল করেছেন আমি তেলের কথা লিখি নাই! তেল দিবেন না। আঁতকে উঠবেন না। এইটার অল্টারনেটিভ আমি ঘি দি।
অবাক হওয়ার কিছু নাই। ঘি শুনলেই আমরা ভাবি খুব খারাপ জিনিস ওয়েট বাড়াবে। কিন্তু মজার কথা হচ্ছে ঘি আর তেলে প্রায় সমান ক্যালরি থাকে। কিন্তু ঘি এর ফুড ভ্যালু বেশি। তাই তেল না দিয়ে আমি অল্প পরিমাণ ( এক চা চামচ ঘি একদিনে খাওয়া যায়) ঘিতে রসুন, পেয়াজ আর দুইটা শুকনা মরিচ ভেজে খিচুড়ির উপর দিয়ে দি। আপনার প্লেইন খিচুড়ির টেস্ট নিমিষেই শতগুন বেড়ে যাবে।
আমি যখন একা থাকতাম তখন রাতে এই খিচুড়ি করে রাখতাম। এক বাটি পরের দিনের টিফিনের জন্যে উঠিয়ে রাখতাম। এইটা একটা পরিপূর্ণ খাবার। খেতে মজা আবার আবার খুব সহজে করা যায়।
বিঃদ্রঃ পোস্টে যে ছবি দেওয়া হয়েছে তা আমার চিট ডে এর জন্যে করা। তাই উপরে কাবাব আছে। এইটা আমি রেগুলার খায় না,ছবির খিচুড়িতে চাল ও একটু বেশি দেওয়া। রেগুলার যেটা খাই, ওইটার ছবি তোলা নাই। কিন্তু দেখতে এমনই হয়।