21/06/2026
২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডেতে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে আলোড়ন তুলেছিল বাংলাদেশ।
তবে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ জয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ২১ বছর। ২০২৬ সালে এসে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।
বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। সেই বছরই প্রথমবার কোনো দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জেতে টাইগাররা। এরপর সবচেয়ে বেশি ১২ বার সিরিজ হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭ বার ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২০১৫ সালে বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের অন্যতম সেরা সময় পার করে। ওই বছর ঘরের মাঠে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে টানা সিরিজে হারিয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায় দলটি।
11/06/2026
১২ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৭৭ ইনিংসে ২৪০৮* রান করেছেন সৌম্য সরকার। চেয়েছিলাম সৌম্য সরকারকে নিয়ে আর কখনো পরিসংখ্যান তুলে ধরে পোস্ট করবো না। কিন্তু একদম বাংলা ভাষায় বলতে হচ্ছে কিছু ক্রিক পন্ডিতের জন্য না লিখে পারলাম না।
দ্রুততম ২,০০০ হাজার রান করা ব্যাটসম্যান কে? সৌম্য সরকার✅
২০০০ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্টাইক রেট কার? সৌম্য সরকারের ৯৪.৪৪ : ✅
৭৭ ইনিংস শেষে বাংলাদেশ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গড় ⤵️
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৩৩.৯০✅
সৌম্য সরকার ৩২.৯৮।
৭৭ ইনিংসে খেলতে আর কোনো ব্যাটসম্যানকে ১২ বছর অপেক্ষা করতে হয়নি। সৌম্য সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো পারফরম্যান্স আর কোন ব্যাটসম্যানের ছিল, যে কারনো সৌম্য সরকারের এত সুযোগ পাওয়ার পরেও কেনো ৭৭ ইনিংস খেলতে সৌম্যকে ১২ বছর অপেক্ষা করতে হলো?
৭৭ ইনিংসে শেষে বাংলাদেশের হয়ে ২,০০০ হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স কেমন ছিল⤵️
👉 ইমরুল কায়েস ৭৭ ইনিংসে ২৪৩৪- গড় ৩২.৪৫- স্টাইক রেট ৭১.২৩।
👉 সৌম্য সরকার - ৭৭ ইনিংসে ২৪০৮- গড় ৩২.৯৮ - স্টাইক রেট - ৯৪.৪৪ ❌❌❌
👉 লিটন দাস ৭৭ ইনিংসে ২২৬৩- গড় ৩২.৩৩- স্টাইক রেট ৮৭.৫১।
👉 তামিম ইকবাল ৭৭ ইনিংসে ২২৫০- গড় ২৯.২২- স্টাইক রেট ৭৭.৪০
👉 সাকিব আল হাসান ৭৭ ইনিংসে ২১৮৮- গড় ৩৪.৭৩- স্টাইক রেট ৭৬.০৫।
👉 মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭৭ ইনিংসে ১৭৬৩- গড় ৩৩.৯০- স্টাইক রেট ৭১.৭৮।
👉 মুশফিকুর রহিম - ৭৭ ইনিংসে ১৫২১ রান- গড় ২৩.৭৭- স্টাইক রেট ৬৪.৯৪।
👉 হাবিবুল বাশার -৭৭ ইনিংসে ১৫০৮- গড় ২০.৩৮- স্টাইক রেট ৬০.০১
👉 মোহাম্মদ আশরাফুল ৭৭ ইনিংসে ১৪৬৫- গড় ২০.০৭- স্টাইক রেট ৭০.৬৪
👉 শাহরিয়ার নাফিস - ৭৫ ইনিংসে ২২০১ রান, গড় ৩১.৪৪- স্টাইক রেট ৬৯.০৪।
05/06/2026
রেকর্ড বুকে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়াকে টানা তিন ওয়ানডে সিরিজ হারানোর ঐতিহাসিক কীর্তি......
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল পাকিস্তান। সদ্য সমাপ্ত সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে অজিদের বিপক্ষে টানা তৃতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের অনন্য কীর্তি গড়েছে গ্রিন শার্টসরা।
বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তিকে টানা তিনটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজে হারানো অত্যন্ত বিরল ঘটনা। পাকিস্তান এখন প্রথম এশিয়ান দেশ এবং বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করল।
এই ঐতিহাসিক যাত্রার শুরু ২০২২ সালে। লাহোরে বাবর আজমের নেতৃত্বে পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে। দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই সিরিজ জয় পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিল।
এরপর ২০২৪ সালে আসে আরও বড় অর্জন। মোহাম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে স্বাগতিকদের ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে। অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে সেই সিরিজ জয়কে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আর এবার ২০২৬ সালে শাহীন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে ঘরের মাঠে আবারও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা তৃতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই তিনটি সিরিজ জয় এসেছে তিন ভিন্ন অধিনায়কের নেতৃত্বে— বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং শাহীন শাহ আফ্রিদি। ভিন্ন সময়, ভিন্ন কন্ডিশন এবং ভিন্ন নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে ধারাবাহিকভাবে পরাজিত করা পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক অর্জন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা তিন ওয়ানডে সিরিজ জয় শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি পাকিস্তান ক্রিকেটের ধারাবাহিক উন্নতি, গভীরতা এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার প্রতিফলন। ইতিহাসের পাতায় এই কীর্তি দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
05/06/2026
Team India’s upcoming schedule till March 2027 📆😍
04/06/2026
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া সবসময়ই বোলারদের জন্য বিশেষ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই কৃতিত্বের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি একাধিকবার প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়েছেন।
অলরাউন্ডার শাকিব আল হাসান ও সাবেক স্পিনার আব্দুর রাজ্জাকও এই তালিকার শীর্ষ সারিতে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে তারা ম্যাচজয়ী বোলিং উপহার দিয়েছেন।
তরুণ পেসার নাহিদ রানা খুব অল্প সময়েই আলোচনায় উঠে এসেছেন। সীমিত সংখ্যক ম্যাচ খেলেই একাধিকবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়ে তিনি ভবিষ্যতের বড় তারকা হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। একইভাবে তাসকিন আহমেদও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের জন্য ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছেন।
এছাড়া আবু জায়েদ, তানভীর ইসলাম, রিশাদ হোসেন, হাসান মাহমুদ, রুবেল হোসেন ও মোহাম্মদ রফিকের মতো বোলাররাও নিজেদের দিনে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে এই সম্মানজনক তালিকায় নাম
23/05/2026
🔥 ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের তালিকায় বাংলাদেশের গর্ব মুশফিকুর রহিম! ব্যাটিং গড় স্টিভ স্মিথের চাইতেও সেরা! 🇧🇩🏏
বিশ্ব ক্রিকেটের বড় বড় তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে নিজের নাম তুলে ধরেছেন এলিট তালিকায়। টেস্ট ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা, ধৈর্য আর লড়াকু মানসিকতার আরেক নাম — মুশফিকুর রহিম। ❤️
📊 ২০২২ সালের পর থেকে:
✅ ১৯০৭ রান
✅ গড় ৪৬.৫১
✅ ৭টি সেঞ্চুরি/ফিফটি
12/05/2026
মিরপুরে বাংলাদেশের পাকিস্তান বধের গল্পষষ্ঠ পাকিস্তানি হিসেবে টেস্ট অভিষেকের দুই ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেললেন আব্দুল্লাহ ফজল। এই ছয়জনের মাঝে ৩ বারই প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম এই কাজ করেছিলেন ইয়াসির হামিদ, তিনি তো উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরিই করে ফেলেছিলেন।
বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে ফিফটি করা প্রথম বাংলাদেশি ছিলেন তামিম ইকবাল।
আব্দুল্লাহ ফজলের ভাগ্যটা আজকে বেশ সুপ্রসন্ন; স্টাম্পে হিট করলেও ফজলের বেল পড়েনি। অভিষেকে বাংলাদেশকে ভালোই ভোগাচ্ছে অভিষিক্তরা।নাহিদ রানার আগুন ঝরা বোলিং,টাইগারদের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
11/05/2026
টেস্টে টানা ৫ ইনিংসে ফিফটি সাথে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ মুমিনুলের 🔥🇧🇩
পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টেও আবারও জ্বলে উঠলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে ৯১ রানের দারুণ ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ৫৬ রান করে আউট হওয়ার আগে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের ২৬তম টেস্ট অর্ধশতক।
এর মধ্য দিয়ে টেস্টে টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটির দেখা পেলেন মুমিনুল 💫
তবে এই ইনিংসকে আরও বিশেষ করে তুলেছে আরেকটি অর্জন। ফিফটি পূর্ণ করার পথেই টেস্ট ক্রিকেটে ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। বাংলাদেশের ইতিহাসে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে পৌঁছালেন এই অনন্য ক্লাবে।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে ৫০০০+ রান:
🏏 তামিম ইকবাল
🏏 মুশফিকুর রহিম
🏏 মুমিনুল হক
টানা পাঁচ ইনিংসে মুমিনুলের রান:
৮২, ৬৩, ৮৭, ৯১, ৫৬ 🔥
পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টে ৫ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুমিনুল হক। এই কীর্তিতে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
তবে এই অর্জনে গড়েছেন আরেকটি বড় রেকর্ডও। মাত্র ১৩৯ ইনিংসে ৫ হাজার রান পূর্ণ করে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটার হয়েছেন মুমিনুল। ভেঙেছেন মুশফিকুর রহিমের ১৪৯ ইনিংসের রেকর্ড।
বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম ৫০০০ টেস্ট রান:
🏏 ১২৯ ইনিংস — তামিম ইকবাল
🏏 ১৩৯ ইনিংস — মুমিনুল হক
🏏 ১৪৯ ইনিংস — মুশফিকুর রহিম 🔥
07/05/2026
২০২৪ সালের পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজটা বাংলাদেশের জন্য খুবই স্পেশাল হয়ে থাকবে; এই টেস্টের দুইটা ম্যাচে বাংলাদেশ একদম হারা ম্যাচ জিতেছে, যেটা বাংলাদেশের পারস্পেক্টিভে রেয়ার, তাও প্রতিপক্ষের মাটিতে।
প্রথম টেস্টটায় ৪৪৮/৬ এ ডিক্লেয়ার দেয় পাকিস্তান, আর দ্বিতীয়টাতে তো বাংলাদেশেরই ৬ উইকেট পড়ে যায় ২৬ রানে। সেখান থেকে বাংলাদেশ যে জিতেছে: সেটা অকল্পনীয়। এমনকি এই দুইটা জয়ের জন্য বাংলাদেশ গত ডব্লুটিসিতে পাকিস্তানের উপরে শেষ করেছে, সাতে থেকে বাংলাদেশ শেষ করে গত ডব্লুটিসি।
কালকে থেকে নতুন এক সিরিজ; এই জায়গায় এখন পাকিস্তান প্রতিশোধ হিসেবে এরকম অকল্পনীয় জয় ছিনিয়ে না নিলেই হয়। ডব্লুটিসি আসার পর এভরি সিঙ্গেল টেস্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আশা করি বাংলাদেশ ভালো একটা সিরিজ কাটাবে। শুভকামনা।
07/05/2026
🏏🇧🇩 টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটারদের পারফরম্যান্স! 🇧🇩
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান, গড় ও স্ট্রাইক রেটে যারা এগিয়ে 🔥
🔝 টপ পারফর্মাররা:
👉 Mushfiqur Rahim – ৬৬৯০ রান | গড় ৩৮.৫২ | SR ৪৮.৬৩
👉 Tamim Iqbal – ৬১৩৪ রান | গড় ৩৮.৮৯ | SR ৫৮.০০
👉 Mominul Haque – ৪৮৫৯ রান | গড় ৩৭.৬৭ | SR ৫৪.৪৭
👉 Shakib Al Hasan – ৪৬০৯ রান | গড় ৩৭.৯৫ | SR ৬১.৬৮
👉 Litton Das – ৩১৯৭ রান | গড় ৩৬.০২ |