Sami with his Keyboard

Sami with his Keyboard

Share

Amateur Performance and Data Analyst of Cricket, Feature Writer, Author of Ekushey Book Fair 2024

14/08/2026

বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে, বাংলাদেশি একজন সিমার ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে ১৯৮ রানে অলআউট করে ফেলবে আর বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শেষে ৩৫১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে শেষ করবে- টেস্ট শুরুর আগে কেউ বললে কী বিশ্বাস করতেন?

আমি অন্তত করতাম না।

কিন্তু এই অবিশ্বাস্য ব্যাপার সম্ভব হয়েছে একজনের জন্যে, তিনি হাসান মাহমুদ। কাউন্টিতে ভাল বোলিং করেছেন, বোঝা যায় কন্ডিশনটা মাথায় গেঁথে নিয়েছেন তিনি। তার ফল এই টেস্ট। কিন্তু এতটাও কী সহজ ছিল এমন বোলিং করা?

হাসানের বোলিংয়ে প্রথমেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- কিভাবে তিনি পিচটাকে পড়েছিলেন?

প্রথম সকালে বাতাসে আর্দ্রতা আছে, পিচে ঘাসের ছোঁয়া আছে আর সাথে আছে নতুন কোকাবুরা বল। পেস, বাউন্স আর মুভমেন্ট পাবার জন্যে একজন পেসারের আদর্শ কন্ডিশন এটা। আর এই পিচ ব্যাবহার করতে পারাই তার সবচেয়ে বড় সফলতা। তিনি কিন্তু 'জোরে বল করার' স্ট্রাটেজিতে জাননি, বরং তিনি বেছে নিয়েছিলেন টেস্ট পেসারের ক্লাসিক স্ট্রাটেজি- একই জায়গায় টানা বল ফেলে ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করা।

হাসানের বোলিংকে খুব কাছ থেকে দেখলে তার পরিকল্পনাটা অবশ্য পরিষ্কার বোঝা যায়। তার পরিকল্পনা স্বচ্ছ- গুড লেংথে বল ফেল, ফোর্থ স্ট্যাম্পের করিডর দিয়ে সিম মুভমেন্ট করাও আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য কর।

কারণ এরকম অবস্থায় ব্যাটারের জন্য তিনটা অপশনই খোলা থাকে তাতে-

বল ছেড়ে দিলে বল স্ট্যাম্পের কাছে যেতে পারে।
ড্রাইভ করতে এজড হতে পারে।
ডিফেন্সিভ পুশ করলেও এজড হবার চান্স থাকে।

কঠিন পরীক্ষা যাকে বলে!

বিশেষ করে মিচেল স্টার্ককে করা ডিসমিশালটাতে এটা খুব স্পষ্ট বোঝা যায়। স্টার্ককে করা বলে হাসান 'করিডর অফ আনসার্টেইনটি' তে বল ফেলে এওয়ে সিম করেন, স্টার্ক বডি থেকে দূরের বল পিক করতে গিয়ে আউট হয়ে যান।

অস্ট্রেলিয়ান টপ অর্ডারের সবচেয়ে বড় অ/স্ত্র বোধহয় এদের ইগো। টেস্টেও তারা ফ্রন্ট ফুটের এটা/কিং ইনটেন্ট নিয়ে খেলতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে। হাসান এই ইগোকেই ট্রাপ করতে পেরেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের টানা এমন বল দিয়েছিলেন যাতে ব্যাটাররা ড্রাইভ করতেই বাধ্য হয়।

তবে হাসানের সাফল্যটা ভাল বোঝা যাবে স্টিভ স্মিথের আউটটা দেখলে। কারণ,অন্য ব্যাটারদের ক্ষেত্রে যা কাজ করছিল স্মিথের ক্ষেত্রে তা করছিল না। এর কারণ তার ব্যাটিংয়ের ধরণ। স্মিথের ব্যাটিংয়ের ধরণ একটু ভিন্ন- বলে লেট কন্ট্যাক্ট, ট্রিগার মুভমেন্টটা ঠিক কনভেনশনাল নয়, বল ছাড়ার জাজমেন্টে সে এই গ্রহের সেরা প্লেয়ার। তাই ট্রাডিশনাল ফোর্থ স্ট্যাম্প ট্যাকটিকস তার ক্ষেত্রে খুব কাজে দেয়না।

তাই হাসান দ্রুতই তার ফোর্থ স্ট্যাম্পেই টানা বল করার স্ট্রাটেজি থেকে সরে আসেন। বরং শর্ট বল-ফুলার বল- ফোর্থ স্ট্যাম্প বল কম্বিনেশন দিয়ে তিনি স্মিথকে খানিকটা ডিসকমফোর্টে ফেলে দেন। এই সিকোয়েন্সের মূল লক্ষ্য ছিল আমি যেটা বুঝতে পারি তা হল, স্মিথের হেড পজিশন আর মুভমেন্ট প্যাটার্নটাকে ডিসরাপ্ট করা। হাসান সেটা শেষতক পেরেছিলেনও।

তবে হাসানকে এখনই 'কমপ্লিট টেস্ট বোলার' ধরে নেওয়ার পক্ষপাতি আমি নই। কারণ কন্ডিশন তার পক্ষে ছিল, আর তার স্ট্রাটেজিটা অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের সাথে এক্সট্রিমলি ইফেক্টিভ ছিল। কিন্তু এই একই বোলিং হয়তো ফ্লাট পিচের পুরানো বলে যেখানে সিম মুভমেন্ট খুব বেশি পাওয়া যাবেনা- সেখানে খুব একটা ইফেক্টিভ হবেনা।

তা সেটা পরে ভাবলেও চলবে, আপাতত ডারউইনে হাসানের অবিশ্বাস্য রূপকথায় অবগাহন করেই নাহয় দুপুরটা পার করা যাক!

07/07/2026

গা ছমছম কী হয় কী হয়...

06/07/2026

পর্তুগালের মিডফিল্ডও গোল করতে চায়। ফরোয়ার্ডরাও গোল করতে চায়।

একটা দলে সবাই মিলে স্টার হতে চাইলে তো হইল না। আপনার টিমে রোনালদো খেলতেসে,আপনার কাজ তার পাসিং লেন তৈরি করা। আপনি উপরে উঠে তার লেন ব্লক করে রাখলে কেমনে হবে।

এই টিম কোয়ার্টারে ওঠার যোগ্যই না। নেহায়েৎ গোলকিপারটা ভাল।

06/07/2026

স্পেন ও পর্তুগালের সব ম্যাচ দেখা হয়নি। তবে এই বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ আমি দেখছি। যেহেতু নিয়মিত এই দুইটা দলকে ফলো করা হয়না, তাই এদের নিয়ে বিশদ লেখা আসলে আমার জন্য অবান্তর। তবে বিশ্বকাপ ২০২৬ এ দেখা বেশ কিছু ম্যাচ থেকে আমার মনে হয়েছে দুইটা দলের দুটো স্পেশাল উইকজোন আছে, যেটা তারা একে অপরের বিপক্ষে কাজে লাগাতে পারে।

পর্তুগালের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো মিড-ব্লকে দুই লাইনের (মিডফিল্ড ও ডিফেন্স) একটা লম্বালম্বি স্পেস তৈরি হওয়া, বিশেষ করে যখন তাদের মিডফিল্ড প্রেস করতে সামনে ওঠে কিন্তু ডিফেন্সিভ লাইন একই সঙ্গে উপরে ওঠে না। ফলে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার-এর পিছনে এবং সেন্টার ব্যাক-এর সামনে একটি খালি স্পেস তৈরি হয়, যেখানে একজন এটা/কিং মিডফিল্ডার বা ফলস নাইন সহজেই বল গ্রহণ করতে পারে। অন্যদিকে স্পেনের পজিশনাল প্লে এই অঞ্চল আক্রমণ করার জন্য আদর্শ। তারা যদি নিয়মিত থার্ড ম্যান কম্বিনেশন, ওয়াল পাস এবং পজিশনাল রোটেশন ব্যবহার করে ওই খালি স্পেসে-এ একজন ফ্রি প্লেয়ার খুঁজে বের করতে পারে, তাহলে পর্তুগালের ডিফেন্সিব ব্লক ভেতর থেকে ভেঙে যাওয়ার চান্স আছে। এরপর সেন্টার ব্যাক বেরিয়ে এলে স্পেন সঙ্গে সঙ্গে থ্রু বল দিয়ে শেষ লাইনে আঘা/ত করতে পারবে। অর্থাৎ, পর্তুগালের ডিফেন্সিভ কম্প্যাক্টনেস নষ্ট করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হবে সেন্ট্রাল ওভারলোড সৃষ্টি করে লাইন-এর মাঝের স্পেসকে নিয়ন্ত্রণ করা।

অন্যদিকে স্পেনের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ফুলব্যাকদের অত্যন্ত উঁচু পজিশন নেওয়া এবং রেস্ট ডিফেন্স-এ ঘাটতি তৈরি হওয়া। স্পেন আক্রম/ণের সময় দুই ফুলব্যাকই প্রায় উইঙ্গারের সমান উচ্চতায় উঠে যায়, ফলে পেছনে অনেক সময় মাত্র দুই সেন্টার-ব্যাক এবং একজন সিঙ্গেল পিভট দিয়ে ট্রানজিশন সামলাতে হয়। যদি প্রথম প্রেস ভেঙে যায়, তবে দুই হাফ-স্পেস এবং ফুলব্যাকের পিছনের করিডোর ফাঁকা হয়ে যায়। পর্তুগালের জন্য এটাই সবচেয়ে লাভজনক এলাকা। তারা যদি বল জয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রথম বা দ্বিতীয় পাসেই বলকে স্পেনের ফুলব্যাকের পিছনের স্পেসে খেলতে পারে, বিশেষ করে ডায়াগোনাল রান ও থার্ড-ম্যান কম্বিনেশন ব্যবহার করে, তাহলে স্পেনের সেন্টার-ব্যাকদের বড় এলাকা কভার করতে হবে। এতে ডিফেন্সিভ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে এবং বক্স এর ভেতরে পর্তুগালের ডমিনেশন কিছুটা বাড়বে, যা পর্তুগালের দ্রুত ট্রানজিশনকে অত্যন্ত বিপজ্জ/নক করে তুলতে পারে।

06/07/2026

ব্রাজিল পুরো ম্যাচে নরওয়ের প্লেয়িং স্ট্রাটেজিটা বুঝতে বেশ বড় ভুল করে ফেলেছে। এটা কোচের ভুল নাকি প্লেয়ারদের এক্সিকিউশনের অভাব জানিনা, বাট তারা এই ভুলটা অন দা পিচ করেছে।

নরওয়ে এমন দল নয় যারা ৬৫% বল রেখে ম্যাচ জিততে চায়। তারা প্রতিপক্ষকে এমন এক illusion of control দেয়, যাতে মনে হয় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিপক্ষের হাতে। কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দিষ্ট স্পেস ফাঁকা রাখে, প্রতিপক্ষকে সেখানে আক্রমণ করতে উৎসাহিত করে, তারপর বল জিতেই ৩–৫ সেকেন্ডের মধ্যে সবচেয়ে কম পাসে গোলের সুযোগ তৈরি করে। ব্রাজিল সেই ফাঁদে পড়েছিল।

ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল rest defense। প্রতিটা আক্রমণের সময় তারা ২-৩-৫ স্ট্রাকচারে উঠে যাচ্ছিল। এই সময়ে তখন দুই ফুলব্যাকই হাই পজিশনে, দুই হাফ-স্পেসে মিডফিল্ডার এবং পাঁচজন প্লেয়ার প্রায় একই লাইনে অবস্থান করছিল। এর ফলে ব্রাজিল যখন বল হারায়ে ফেলে তখন পিছনে কার্যত মাত্র দুই সেন্টার-ব্যাক এবং একজন সিঙ্গেল পিভট ছাড়া কেউই ছিল না।

নরওয়ে কিন্তু ম্যাচে কোন হাই প্রেস করেনি। তারা বেশ ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রাজিলকে বল রাখতে দিয়েছে। কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল বল কেড়ে নেওয়া নয়, কোন জায়গায় বল হারালে সবচেয়ে বড় স্পেস পাওয়া যাবে সেটার জন্যে অপেক্ষা করা।

যখনই ব্রাজিল হাফ-স্পেসে কম্বিনেশন খেলতে গিয়ে বল হারিয়েছে, তখনই নরওয়ের প্রথম পাস কখনোই নিরাপদ ব্যাকপাস ছিল না। প্রথম পাসই ছিল vertical release। অর্থাৎ বল সঙ্গে সঙ্গে মিডফিল্ড স্কিপ করে সামনে পাঠিয়ে দেওয়া।

এর ফলে ব্রাজিলের rest defense সবসময় back-pedaling অবস্থায় পড়েছে। মানে, সেন্টার-ব্যাকরা সামনে বের হবে নাকি পিছিয়ে যাবে এই সিদ্ধান্ত নিতে অনেক দেরি করেছে। এই হেজিটেশনের যে সময়টুকু সেটুকুই নরওয়ে ব্যাবহার করেছে দারুণভাবে।

ব্রাজিল ম্যাচে নরওয়ের সবচেয়ে চমৎকার ব্যাপার ছিল তারা হল্যান্ডকে তাদের মূল শক্তি হিসাবে ব্যাবহার করেনাই।

অনেকেই মনে করবে হল্যান্ড দুই গোল করেছে, তাই ব্রাজিলের সমস্যাটা মনে হয় ছিল হল্যান্ড।

কিন্তু সেটা সত্য না।

মূল সমস্যা ছিল হল্যান্ডকে বল দেওয়ার আগের স্ট্রাকচার।

নরওয়ে হালান্ডকে এটা/কের টার্গেট ম্যান হিসেবে ব্যবহার করেনি।

বরং নরওয়ের এটাকের সময়-

-একজন second runner গভীরে নেমেছে।
- একজন wide player touchline ধরে রেখেছে।
- ফলে দুই সেন্টার-ব্যাক horizontal stretch হয়েছে।

যেই মুহূর্তে একজন সেন্টার-ব্যাক wide channel cover করতে বের হয়েছে, হল্যান্ড সঙ্গে সঙ্গে তার আইকনিক blindside run নিয়েছে।

এটা classic third-man manipulation।

এতে হল্যান্ড শেষ মানুষ।

আক্রমণটা তৈরি করেছে তার আশেপাশের movement।

নরওয়ের সাথে যদি আর্জেন্টিনার খেলা হয়, আর্জেন্টিনার সামনেও বেশ কিছু বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

আর্জেন্টিনার সমস্যা মোটেও হল্যান্ড হবেনা। আর্জেন্টিনার মূল সমস্যা হবে Zone 14 and both half-spaces এ আর্জেন্টিনার খেলার ধরণ।

আর্জেন্টিনা build-up-এর সময় দুই fullback-ই অনেক উঁচুতে উঠে আসে।

Enzo/Mac Allister ধরনের midfielder-রা দুই half-space এ অবস্থান করে।

এতে positional superiority তৈরি হয়।

কিন্তু turnover হলে,

দুই half-space-ই transition lane হয়ে যায়।

নরওয়ে ঠিক এই lane-গুলোতেই vertical pass ঢুকায় আর বল সোজা আক্র/মণের দিকে।

নরওয়ের সাথে ম্যাচ হলে সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটা হবে রোমেরোর।

রোমেরো ডিফেন্ডার হিসাবে এগ্রেসিভ। তিনি স্ট্রাইকারের পেছনে গিয়ে ডুয়েল করতে ভালোবাসেন। কিন্তু হল্যান্ড-এর বিরুদ্ধে এটা বেশ বিপ/জ্জনক। কারণ রোমেরো যদি ডিফেন্স লাইন ভেঙে বের হয়ে যায়,তার পিছনের চ্যানেল নরওয়ের জন্য অটোমেটিক এটা/ক জোন হয়ে যাবে।

আর নরওয়ে ঠিক এটাই চায়।

অন্যদিকে টাগ্লিয়াফিকো বা মলিনার মত ডিফেন্ডারদের এটা/কজোনের ওয়ার্করেট বেশ হাই। এরা যদি উপরে উঠে আসে, তাহলে নরওয়ে ওয়াইড এরিয়া দিয়ে কাউন্টার এ/টাক করার পরিবর্তে সেন্ট্রাক এটা/ক ধরে রাখবে। এরপর ডায়াগোনাল সুইচ করলে ফুলব্যাকরা কার্যত তখন অসহায়। ব্রাজিল বেশ কয়েকবার এভাবে ধরা খেয়েছে।

মোদ্দা কথা, নরওয়ের সাথে যদি আর্জেন্টিনার খেলা হয় তাহলে আর্জেন্টিনারও ম্যাচটা জিততে ঘাম ছুটে যেতে পারে!

05/07/2026

২০২৬ বিশ্বকাপে এখন অব্দি ফেভারিট দলগুলার বিপক্ষে যারাই খেলতে নামসে, সবাই লো ব্লক ডিফেন্সে খেলসে। এই ট্যাকটিক্স কাজেও লাগসে। আর্জেন্টিনাকে তো কেপ ভার্দে দৌড় করায়ে ছাড়সে, ব্রাজিল জিতল শেষ মুহূর্তে।

তবে এই লো ব্লক ডিফেন্সিভ দলগুলার মত খেলা নরওয়ে খেলে না। তবে আজকে নরওয়ে কোন ট্যাকটিক্সে মাঠে নামবে জানিনা, কিন্তু যদি ওদের স্বভাবজাত খেলাটা খেলে তাহলে ম্যাচ বেশ এক্সাইটিং হবে বলে আমার ধারণা। রেজাল্টে নরওয়ে হয় বেশি গোল কনসিভ করবে নাহয় বেশি গোল দিবে। কিন্তু স্বাভাবিক খেলা খেললে এর মাঝামাঝি হবার সুযোগ বেশ কম।

কেন বলছি এটা?

নরওয়ে সাধারণত ৪-৩-৩ থেকে আক্র/মণের সময় ৩-২-৫ বা ৩-৫-২ ধরনের ফর্মেশন তৈরি করে। এতে ফুল-ব্যাকরা অনেক ওপরে উঠে যায় এবং আক্র/মণে অতিরিক্ত খেলোয়াড় যোগ করে। কিন্তু বল হারায়ে ফেললে আবার এই এটা/কিং পজিশনিংই সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। দুই ফুল-ব্যাক একসঙ্গে ওপরে থাকলে সেন্টার-ব্যাকদের দুই পাশের হাফ-স্পেস ও চ্যানেল খালি হয়ে যায়। দ্রুতগতির উইঙ্গার বা ইনসাইড-ফরোয়ার্ড থাকা দলগুলো ঠিক এই জায়গাতেই আক্র/মণ চালিয়ে নরওয়ের ডিফেন্সকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে।

যেটা সবচেয়ে ভাল পারবে ভিনিশিয়াস জুনিয়র!

নরওয়ের আক্রমণও অনেকাংশে আরলিং হালান্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। মিডফিল্ডের প্রধান লক্ষ্য থাকে দ্রুত বল তুলে দেওয়া অথবা বক্সে ক্রস পৌঁছে দেওয়া। ফলে আজকে ব্রাজিল যদি হালান্ডকে ডাবল-মার্ক করে এবং তার দিকে যাওয়ার পাসিং লেন কেটে দেয়, তাহলে নরওয়ের আক্রমণের গতি অনেক কমে যেতে পারে। তখন তাদের আক্র/মণ অনেক বেশি প্রেডিক্টেবল হয়ে যেতে পার। আর আনচেলত্তি নিশ্চয়ই চাইবেন যেন হল্যান্ডের পাসিং লেনটা বন্ধই থাকে।

মিডফিল্ডে আমার মতে বড় দলগুলার বি/পক্ষে নরওয়ের দুর্বলতা হতে পারে মার্টিন ওডেগার্ড।ওডেগার্ড এটা/কিং স্পেসে অসাধারণ হলেও, তিনি প্রায়ই ডানদিকের হাফ-স্পেসে নেমে গিয়ে বল গ্রহণ করেন। এতে মাঝমাঠের জোন ১৪-এ একটা টেমপোরারি শূন্যতা তৈরি হয়। যদি ব্রাজিল শক্তিশালী প্রেসিংয়ের মাধ্যমে নরওয়ের প্রথম লাইন ভেঙে ফেলে, তাহলে ডিফেন্স ও মিডফিল্ডের মাঝখানে বড় ফাঁক তৈরি হতে পারে। সেখান থেকেই ব্রাজিলের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডাররা বল পেয়ে সরাসরি ডিফেন্সের দিকে আক্রমণ চালাতে পারে।

নেইমার জুনিয়র আজকে মাঠে থাকলে নাম্বার টেন হিসাবে সে এই কাজটা চমৎকারভাবে করতে পারবে বলে আমার ধারণা।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নরওয়ের খেলার ফ্লো-টা অনেক সময় উইং-নির্ভর হয়ে পড়ে। বামদিকে ড্রিবলার এবং ডানদিকে ওভারল্যাপিং ফুল-ব্যাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে আক্রমণের দিক অনেকটাই অনুমান করা যায়। যদি ব্রাজিল উইং ডিফেন্ডিং শক্ত করে এবং ক্রসের সুযোগ সীমিত করে, তাহলে নরওয়ের এটা/ক উল্লেখযোগ্যভাবে কম কার্যকর হয়ে যাইতে পারে। আমার ধারণা ব্রাজিল শুরু থেকেই আজ এটা করবে।

তবে নরওয়ের সবচেয়ে বড় ট্যাকটিক্যাল ঝুঁকি হলো গেম ম্যানেজমেন্ট। এরা যখন এগিয়ে থাকে, তখনও অনেক সময় এটা/কিং ফরমেশন বজায় রাখে। অর্থাৎ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্লক নিচে নামিয়ে জায়গা ন্যারো করার বদলে একই এটা/কিং কাঠামো ধরে রাখে। এর ফলে ম্যাচের শেষ ভাগে প্রতিপক্ষের কাউন্টার-অ্যাটাক বা দ্রুত ট্রানজিশনের সুযোগ বেড়ে যায়। নকআউট ফুটবলে, যেখানে একটি ভুলই পুরো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে, এই প্রবণতা বড় দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে। আর কে না জানে, শেষদিকে আনচেলত্তির সুপারসাব ঠিক এই কাজটাই করে।

তবে সব মিলায়ে বেশ চমৎকার একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে বলে আমার ধারণা!

media.bolavip.com 04/07/2026

অনেকেই বলছেন হুলিয়ান আলভারেজ ফর্মে নেই।

কিন্তু আমার মতে সমস্যাটা আলভারেজের ফিনিশিং নয়, বরং তার রোল এবং স্পেস এক্সেস। বাস্তবে সে এমন সব জায়গায় খেলছে যেখানে তার সবচেয়ে বড় অ/স্ত্রগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

আলভারেজের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সেকেন্ড স্ট্রাইকার মুভমেন্ট। আপনাকে বুঝতে হবে যে সে একজন ক্লাসিক নম্বর ৯ নয়, যে দুই সেন্টার-ব্যাকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পোচারের মত বলের অপেক্ষা করবে। তার শক্তি হলো ডিফেন্ডারদের ব্লাইন্ড সাইড-এ দৌড় দেওয়া, ফলভ মুভমেন্ট করে একজন সেন্টার-ব্যাককে বাইরে টেনে আনা, তারপর খালি চ্যানেলে ঢুকে পড়া। ম্যানচেস্টার সিটিতে সে যখন খেলেছে, তখন প্রায়ই ডিফেন্সের পিছনে ডি ব্রুইনা বা বার্নার্ডো সিলভা সেই ভার্টিক্যাল পাস দিতে পারত। কিন্তু এবার সেটা হচ্ছেনা। এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিল্ড আপ অনেক বেশি মেসি নির্ভর এবং পজেশন ওরিয়েন্টেড । ফলে আক্র/মণের গতি ধীর হচ্ছে, প্রতিপক্ষ এই সময়ের মাঝেই লো ব্লক গঠন করে ফেলছে, আর আলভারেজের জন্য তার স্কিলের সাথে মানানসই কোন স্পেস-ই থাকছে না।

আরেকটি বড় কারণ হলো ভার্টিক্যাল কম্প্যাক্টনেস। প্রতিপক্ষ এখন মেসিকে আটকানোর জন্য মাঝমাঠকে ন্যারো করে রাখছে। এর ফলে আলভারেজ যতক্ষণ পিচে থাকছে তাকে বারবার নিচে নেমে এসে বল রিসিভ করতে হচ্ছে। সমস্যা হলো, একজন স্ট্রাইকার যখন ৩০-৪০ মিটার নিচে নেমে বিল্ড আপ-এ জড়িয়ে পড়ে, তখন বক্সে পৌঁছানোর সময় তার আর ঐ এক্সপ্লোসিভ রানটা দেওয়ার সুযোগ থাকে না। সে নিজেই বল ক্যারি করছে, নিজেই কমবিনেশন প্লে করছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি বক্সে-এ পৌঁছানোর মতো টাইমিংটা হারিয়ে ফেলছে। অর্থাৎ সে স্ট্রাইকার-এর চেয়ে কানেক্টর-এর ভূমিকা বেশি পালন করছে।

ক্লাবে কী সে এই রোলে খেলে?

আবার আমার মনে হয় আর্জেন্টিনার পজিশনাল স্ট্রাকচার-ও তার জন্য আদর্শ নয়। অনেক সময় মেসি হাফ স্পেস-এ ড্রিফট করেন, তখন ডানদিকের উইংগার ভেতরে চলে আসে, আর ততক্ষণে ফুলব্যাক ওভারল্যাপ দেয়। এতে যেটা হয় তা হল সেন্ট্রাল করিডর-এ খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেড়ে যায়। আলভারেজের স্বাভাবিক রানগুলোও তখন সেই ভিড়ের মধ্যে পড়ে যায়। একজন স্ট্রাইকার-এর সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো স্পেস বিফোর দ্যা পাস। কিন্তু এখানে পাস আসার আগেই স্পেসটাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

প্রেসিংয়ের দিক থেকে আলভারেজ এখনও অসাধারণ। তার ডিফেন্সিভ ওয়ার্করেট এখনও হাই। ট্রিগার প্রেস দেওয়া, গোলকিপার-এর পাসিং লেন বন্ধ করা, পিভট শ্যাডো কাভার করা এবং অপোজিশন বিল্ড আপ একদিকে ঠেলে দেওয়া- সবকিছুতেই কিন্তু এখনও আলভারেজ বেশ দারুণ কাজ করছে।

কিন্তু এই বিশাল ডিফেন্সিভ ওয়ার্কলোড-এর মূল্য তাকে এটা/কিং ফেজ-এ দিতে হচ্ছে। বারবার ৩০-৪০ মিটার হাই ইন্টেনসিটি প্রেস করার পর একই ইনটেনসিটি-তে পেনাল্টি বক্স-এ স্প্রিন্ট করা আসলে শারীরিকভাবে কঠিন। তাই উপরের দিকে সে ২০২২ বিশ্বকাপের মত 'ভাল' খেলছেনা।

আরও একটি সূক্ষ্ম বিষয় হলো মেসি-আলভারেজ স্পেসিং। মেসি স্বাভাবিকভাবেই বলের কাছে আসেন। আদর্শ অবস্থায় আলভারেজকে তখন শেষ লাইনে থেকে ডিফেন্সিভ চাইলে স্ট্রেচ করার কথা। কিন্তু দেখা যায় বাস্তবে অনেক সময় সেও বলের দিকে চলে আসে। ফলে যেটা হয়, অপোজিশন সেন্টা ব্যাকদের আর গভীরে নামতে হয় না। ডিফেন্সিভ লাইন ন্যারো-ই থাকে, আর আর্জেন্টিনা নিজেরাই নিজেদের ভার্টিক্যাল ডেপথ কমিয়ে ফেলে। এর ফলে থ্রু বল বা ডায়াগোনাল রান-এর সুযোগও কমে যায়। এই পুরো সমস্যাটা হয় আলভারেজও মেসির সাথে একসাথে উপরে উঠে গেলে। যেটা আগে ডি মারিয়া কখনই করত না।

এছাড়া প্রতি/পক্ষ কোচরাও এখন আলভারেজকে অনেক ভালোভাবে পড়ে ফেলেছে। তারা জানে, সে বল পায়ের কাছে নয়, স্পেস এটা/ক করে। । তাই অনেক দল হাই লাইন না তুলে মাঝারি বা নিচু ব্লকে থেকে তার রানিং লেন বন্ধ করে দিচ্ছে, যেইটা আজকে কেপ ভার্দে দারুণভাবে করতে পারসিল। এতে আলভারেজ বল পেলেও সেটা প্রায়ই ব্যাক টু গোল অবস্থায় পায়, যেখানে সে একদমই কমফোর্টেবল নয়।

তাই আলভারেজের খারাপ খেলার দায়টা আসলে শুধু আলভারেজের না। এইটা মূলত আর্জেন্টিনার মেসি-সেন্ট্রিক ট্যাকটিক্স। কোয়ালিফায়ারে এইটাতে সমস্যা হয়নাই, তবে এখন এটা হচ্ছে। লিওনেল স্কালোনি এর সমাধান না খুঁজলে ফ্রান্সের মত দলের সাথে কপালে খারাপই আছে।

media.bolavip.com

13/06/2026

নাঈম হাসানের জায়গায় একবার নিজেকে কল্পনা করুন।

বাস স্টপ বা ট্রেন স্টেশনে নেমেছেন রাতে। বাসায় যাবেন।জেলা শহরে তখন অনেক রাত। আপনি একটা রিক্সা নিলেন বা নিলেন একটা সিএনজি। হতে পারেনা? স্বাভাবিক না? স্বাভাবিক কিন্তু। আমি নিজেই প্রায়শ যশোরে যাই এমন রাতে।

আপনি রিক্সায় উঠলেন, পথিমধ্যে পুলিশের গাড়ি আটকাল। তারা আপনাকে তুলবে পুলিশের জিপে না, অচেনা এক কালো বা সাদা গাড়িতে।

নাঈম হাসান পরিচিত ছিলেন, সেলিব্রেটি ছিলেন, তার ফোন দেওয়ার মত জায়গা ছিল। কিংবা তিনি যদি কাল গু/*মও হয়ে যেতেন তাও দেশ তোলপাড় হয়ে যেত।

আপনি কাকে ফোন দেবেন? আপনি তো এই রাষ্ট্রের কাছে একটা 'নোবডি' । প্রথম সেকেন্ডে আপনাকে আটকালে আপনি ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকবেন, বাকবি/*তন্ডায় জড়াবেন, দ্বিতীয় সেকেন্ডে একটা অচেনা গাড়ি আপনাকে নিয়ে চলে যাবে কোথাও। আপনাকে আর খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

আপনার জন্য দেশ তোলপাড় হবেনা। সর্বোচ্চ যেটা হতে পারে, নিউজফিড ২ দিন গরম থাকতে পারে। তারপর আপনাকে ভুলে যাওয়া হবে। আপনার মা, আপনার বাবা, আপনার আত্মীয় স্বজন আপনার খোঁজে ছুটে বেড়াবে। কিছুদিন পর পিআর না থাকায় আপনার নামটাও নেবেনা মিডিয়া।

এই রাষ্ট্রের কাছে আপনি এতটাই 'নোবডি'।

নাঈম হাসানের সাথে যেটা হয়েছে, সেটা আমাদের যে কারো সাথে যেকোনদিন হতে পারে। আর আমাদের কারো পরিণতিই নাঈমের মত হবেনা। কারণ, আমরা সেলিব্রেটি নই।

এই রাষ্ট্রের কাছে আমরা একেকজন ট্যাক্স পেয়ার 'নোবডি'....!

10/06/2026

পাওয়ারপ্লে তখন শেষ। ১১ তম ওভারের প্রথম বল। রকেট এন্ড থেকে ছুটে আসছেন নাহিদ রানা। ওল্ড স্কুল একশনে ১৪৭.৯ গতিতে হার্ড লেংথে বল ছুড়লেন তিনি। ব্যাকফুটে শরীর থেকে দূরের বলকে পিক করতে গিয়ে বলের গতির কাছে টাইমিং হারালেন জশ ইংলিশ, এজড হয়ে বল সোজা চলে গেল কিপারের হাতে।

২৯ তম ওভারের তৃতীয় বল। ক্রিজে তখন এলেক্স ক্যারি। নাহিদ রানা এবার গতির সাথে মেশালেন ভ্যারিয়েশন। ১৪৬ কিলোমিটার ঘন্টার এক বলকে ওবল সিম করিয়ে গুড লেংথে পিচ করালেন। এংগেল ইন করতেই আবারও লাইন মিস করে ফেললেন এলেক্স ক্যারি,থিন নিক হয়ে বল আবারও সোজা কিপারের গ্লাভসে।

৩১ তম ওভারের ৪র্থ বল। রকেট এন্ড থেকে ছুটে আসছেন নাহিদ রানা। ওল্ড স্কুল একশনে বল ছুড়লেন ১৪৬ কিমি পার ঘন্টায়। কিন্তু এবার লেংথটা একটু নিচে। পেস আর শর্ট লেংথের সাথে যাদের নিত্যনৈমিত্তিক ওঠাবসা, সেই তাদের একজন স্কট নাহিদ রানার ১৪৬ গতির শর্ট লেংথের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে দিলেন গালিতে দাঁড়িয়ে থাকা হৃদয়ের হাতে।

৩৩ তম ওভারের প্রথম বল। অস্ট্রেলিয়ার তখন ৭টা উইকেট পড়ে গেছে,জয়ের সুবাতাস বইছে বাংলাদেশ ক্যাম্পে। আবারও ১৪৮ গতির এক শর্ট লেংথের বল, পুল করতে গিয়ে বিহাইন্ড দ্য স্কয়ারে ক্যাচ দিয়ে দিলেন বারলেট। আর তা তালুবন্দী করতে ভুললেন না তানজিদ।

১৪৭.৯, ১৪৬, ১৪৬ আর ১৪৮। নাহিদ রানার চারটি উইকেটই আসল এক্সট্রা পেস আর গতিতে। শেষের দুটি আবার চিরাচরিত কুইকিদের শর্ট লেংথের বলে। পুরো ম্যাচ জুড়েই নাহিদ রানার গতি আর বাউন্সের কাছে খাবি খেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা। যে অস্ট্রেলিয়ানদের গতি,বাউন্স আর গ্যাবার লাফিয়ে ওঠা বলের সাথে ওঠাবসা,সেই অস্ট্রেলিয়ানরা মিরপুরে এসে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল এক নাহিদ রানার গতির কাছে। নাহিদ রানা একেকটি বল করেন,আমার নিজেকে চিমটি দিতে হয়। সত্যি দেখছি তো? না স্বপ্ন? মিরপুরে এসে এক বাংলাদেশি পেসারের গতির কাছে পরাস্ত হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ানরা? আসলেই?

তার চেয়েও অবাক করা নাহিদ রানা এই গতিতেও নিজের ভ্যারিয়েশনকে ব্যাবহার করতে ভোলেননি। দ্বিতীয় উইকেটটাই দেখুন, ১৪৬ গতির ওবল সিম! এই উইকেটটিও চোখ কপালে তোলায় বটে। এক সময় ওবল সিম করতে দেখেছি জসপ্রীত বুমরাদের। আমাদের কেউ কেউ তা পারলেও তা ঠিক যুৎসই হত না। কারণ ওবল সিমের বিশেষত্ব এই যে, এই সিমে বলের গতি ১৪৫ এর উপরে থাকা চাই!

বাংলাদেশের কাছে একটি ম্যাচ জয়, নাহিদ রানার কাছে ম্যাচে পাওয়ার চারটি উইকেট, এসবের বাইরেও আজকের ম্যাচের পাওয়া আরো অনেক কিছুই। তা ঐ জশ ইংলিশের দিকে তেড়ে যাওয়া নাহিদ রানা আর নাহিদ রানার গতির কাছে পরাস্ত হওয়া অস্ট্রেলিয়ানরা!

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Suhrawardy Hall
Dhaka