💚
Farhan Nahid
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Farhan Nahid, Coach, Dhaka.
আমি মাইন্ডসেট ও সফট স্কিলস ট্রেইনার - যারা পার্সোনালি এবং প্রফেশনালি গ্রো করতে চান তাদের পাশে আছি।
লেখক - "লার্ন এনিথিং"
কর্পোরেট ট্রেইনার | L&D প্রফেশনাল | ইন্সপিরেশনাল স্পিকার
19/08/2026
এটা হচ্ছে আসল Soliotion যেকোনো Pending কাজ দ্রুত শেষ করে ফেলার।
কারণ, আপনি যে কাজটা বারবার বলছেন পরে করব, সেটাই একদিন আপনার সবচেয়ে বড় পেরেশানির কারণ হতে পারে।
অফিসের কাজ হলে আমরা বেশ সিরিয়াস থাকি। Deadline আছে, তাই করতে হবে।
কিন্তু নিজের কাজ?
একটা বই কিনে ভাবি, পরে পড়ব।
Educational video দেখি, save করে রাখি, পরে দেখব।
কোনো course-এ registration করতে হবে, ভাবি পরে করব।
কাউকে একটা call দেওয়ার কথা, সেটাও পরে।
কারণ মাথার ভেতর একটা কথা খুব confidently চলে:
“আরে, কাজটা তো আমারই। পরে করলেই হবে।”
আমার সাথেও এটা অনেকবার হয়েছে।
সমস্যা হলো, এই “পরে” শব্দটা আসলে কোনো সময়ের নাম না।
এটা একটা Comfortable Excuse.
একসময় দেখবেন, কাজটা শুধু পিছায়নি। আপনি নিজেই কাজটার থেকে পিছিয়ে গেছেন।
আর সবচেয়ে Interesting ব্যাপার হলো, অনেক সময় আমরা কাজটা করতে চাই না এমনও না। করতে চাই। শুধু আজকে না।
এখানেই একটা ছোট জিনিস surprisingly কাজ করে।
নিজের জন্য একটা Deadline ঠিক করুন।
“পরে করব” বলার বদলে বলুন,
“আমি এটা শুক্রবার রাত ৮টার মধ্যে করব।”
Deadline যখন নির্দিষ্ট হয়, আপনার Brain কাজটাকে Vague Intention হিসেবে না দেখে একটা Commitment হিসেবে ধরতে শুরু করে।
আর এখান থেকেই Self-Discipline তৈরি হতে থাকে।
তবে নিজের সাথে Deadline রাখতে হলে আগে নিজেকে বুঝতে হবে।
Self-Awareness আপনাকে দেখাবে আপনি কোন কাজগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন, কেন এড়িয়ে যাচ্ছেন, আর কোন Excuse আপনি বারবার নিজেকেই বিশ্বাস করাচ্ছেন।
এই ছোট Observation-টাই হয়তো আপনার Productivity-এর বড় Turning Point হতে পারে।
আর এই self-awareness-এর জায়গাটাই Emotional Intelligence-এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তাই August 28, Friday, রাত ৮টায় আমি একটি Free Webinar করছি: Control Your Emotions: Emotional Intelligence।
আমি Farhan Nahid, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি University Student থেকে Working Professional পর্যন্ত মানুষকে Professional Life-এ আরও Effectively Grow করতে সাহায্য করি।
শুধু emotion control নয়, নিজের emotion বুঝে better decisions নেওয়া, relationship improve করা, difficult conversation handle করা এবং emotional resilience তৈরি করার practical approach নিয়ে কথা হবে।
Comment করুন “EI”। Registration link পেয়ে যাবেন।
Free বলে registration অনেকেই করবেন। কিন্তু invitation পাবে তারাই, যারা সত্যিই নিজের growth নিয়ে serious।
আর হ্যাঁ, আজকের post পড়ার পর একটা কাজ করুন।
রেজিস্ট্রেশন টা এখনই করে ফেলুন এবং যে কাজটা অনেকদিন ধরে “পরে” করছেন, সেটার একটা deadline এখনই দিয়ে দিন।
হয়তো আপনার বড় changeটা motivation থেকে নয়, একটা ছোট deadline থেকেই শুরু হবে।
Follow me for practical self-development insights.
18/08/2026
আপনাকে ছোটবেলা থেকে Emotion Control করতে শেখানো হয়েছে। Emotion বুঝতে শেখানো হয়নি।
কারণ, সবাই বলেছেন রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত না নিতে। কিন্তু কেউ কি আপনাকে শিখিয়েছে রাগের মাথায় আসলে কী করতে হয়?
কারণ Emotionally Stable হওয়া মানে শুধু রাগ কমে যাওয়া না।
ধরুন, অফিসে কেউ আপনার কাজ নিয়ে এমন একটা কথা বলল, যেটা আপনার খুব খারাপ লাগল। আপনি রেগে গেলেন।
এখন শুধু চুপ করে থেকে রাগ কমানোর চেষ্টা না করে যদি নিজেকে জিজ্ঞেস করেন,
“আমি আসলে রেগে গেলাম কেন?”
“কোন কথাটা আমাকে trigger করল?”
“আমি কি অসম্মানিত বোধ করেছি?”
“নাকি আমার নিজের কোনো insecurity এখানে কাজ করছে?”
তখন আপনার emotion আর শুধু একটা feeling থাকে না।
এটা হয়ে যায় data.
আর সেই data দিয়ে আপনি যখন decision নেন, decision টা শুধু সেই মুহূর্তের রাগ থেকে আসে না। বরং আপনি বুঝতে পারেন কী আপনাকে trigger করে, কেন করে এবং ভবিষ্যতে একই পরিস্থিতিতে কীভাবে আরও ভালোভাবে respond করবেন।
এটাই একটা বড় emotional intelligence myth: “Emotions are irrational, তাই ভালো decision নিতে হলে emotion বাদ দিতে হবে।”
** না। **
Emotion আপনার rational thinking-এর শত্রু না। Emotion একটা information system.
আপনার emotion সবসময় সঠিক নাও হতে পারে,
কিন্তু সেটা সবসময় শোনার মতো কিছু বলছে।
আমরা মানুষ হিসেবে ভীষণ emotional।
এই emotion-ই আমাদের দুর্বলতা হতে পারে, আবার ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় superpower হতে পারে।
কেউ আপনাকে রাগ না করতে শেখাতে পারে।
কিন্তু আপনি যদি শিখে ফেলেন আপনার রাগ আপনাকে কী বলছে, তখন খেলাটাই বদলে যায়।
আমি Farhan Nahid, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি কাজ করি মানুষকে নিজের সম্ভাবনা বুঝতে এবং professional life-এ আরও ভালোভাবে grow করতে সাহায্য করার জন্য।
আর এই বিষয়টা আরও গভীরভাবে বুঝতে চাইলে, ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাত ৮টায় আমার Free Webinar “Emotional Intelligence”।
এখানে শুধু emotion কী সেটা না, বরং কীভাবে emotion বুঝবেন, manage করবেন, conflict-এ better communicate করবেন এবং emotional resilience তৈরি করবেন, সেগুলো practicalভাবে explore করব।
Comment করুন “ Ei ” Registration link পেয়ে যাবেন।
যেহেতু ফ্রি তাই অনেকে রেজিস্ট্রেশন করে তবে ইনভিটেশন তারাই পাবে যারা নিজেদের গ্রোথ নিয়ে সিরিয়াস।
কারণ আপনার emotion-কে দুর্বলতা বানাবেন, নাকি superpower,
সিদ্ধান্তটা শেষ পর্যন্ত আপনার।
17/08/2026
একটা খারাপ দিন কীভাবে পুরো জীবনকে খারাপ মনে করায়?
দেখেন, সবসময় ভালো থাকার কোনো কারণ থাকে না।
তবুও যারা ভালো থাকতে শেখে, তারাই কঠিন সময়টা অন্যভাবে পার করে।
হয়তো সমস্যা এই নয় যে আপনার জীবনে খারাপ কিছু ঘটছে। সমস্যা হলো, প্রতিটা খারাপ ঘটনাকে আপনি নিজের পুরো জীবনের গল্প বানিয়ে ফেলছেন।
পরীক্ষায় খারাপ ফল। চাকরিতে rejection। বসের একটা কথা। বন্ধুর দূরত্ব। সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা।
একটার পর একটা কারণ আসে, আর মন বলে, “আজকে ভালো থাকার কোনো কারণই নেই।”
কিন্তু একটা বিষয় বদলালে পুরো অভিজ্ঞতাটাই বদলে যেতে পারে।
ভালো attitude মানে সমস্যা নেই এমন ভান করা নয়। বরং সমস্যা থাকার পরও নিজেকে বলতে পারা, “হ্যাঁ, এটা কঠিন। কিন্তু এখানেই আমার গল্প শেষ না।”
কারণ আপনি যখন ভালো কিছুর সম্ভাবনা দেখতে শেখেন, তখন একই পরিস্থিতির মধ্যেও নতুন কিছু দেখতে শুরু করেন।
যে rejection আপনাকে ভেঙে দিচ্ছিল, সেটাই হয়তো আপনাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে শেখাচ্ছে।
যে কঠিন conversation আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলেছে, সেটাই হয়তো আপনাকে emotional maturity শেখাচ্ছে।
যে দিনটা একদম বাজে গেছে, সেটাও হয়তো আপনাকে পরের দিনের জন্য একটু শক্ত করে দিচ্ছে।
জীবন সবসময় আপনাকে ভালো থাকার কারণ দেবে না।
কখনো কখনো আপনাকেই কারণটা খুঁজে নিতে হবে।
আর সেটাই resilience।
আমি ফারহান নাহিদ, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি কাজ করি মানুষকে নিজের সম্ভাবনা বুঝতে এবং professional life-এ আরও ভালোভাবে grow করতে সাহায্য করার জন্য।
তাই আজ নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন:
“আমি কি পরিস্থিতির কারণে খারাপ আছি, নাকি পরিস্থিতিটাকে যেভাবে দেখছি তার কারণেও?”
হয়তো আপনার জীবন বদলানোর প্রথম পদক্ষেপটা পরিস্থিতি বদলানো নয়।
Perspective বদলানো।
আর মনে রাখবেন, ভালো mood সবসময় পাওয়া যায় না। অনেক সময় সেটা আপনাকেই তৈরি করতে হয়। ❤️
একটা ছোট্ট সুযোগ আছে যারা সত্যিই নিজের growth নিয়ে serious।
আগামী ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাত ৮টায় আমি নিচ্ছি একটি Free Webinar: Emotional Intelligence।
শিখবেন কীভাবে:
• নিজের emotion বুঝে impulsive reaction কমাবেন
• কঠিন পরিস্থিতিতে emotionally resilient থাকবেন
• empathy ও relationship improve করবেন
• conflict ও difficult conversation আরও effectively handle করবেন
• এবং নিজের leadership ও communication আরও শক্ত করবেন
Webinarটি free হলেও, সবাই শুধু registration করলেই হবে না। যারা সত্যিই growth নিয়ে serious, তাদের জন্যই এই learning journey-টা meaningful হবে।
Comment করুন “EI”
Registration link পেয়ে যাবেন। দেরি করলে এবার শুধু webinar না, নিজের একটা গুরুত্বপূর্ণ learning opportunity-ও miss করতে পারেন।
আর এমন practical self-development insight নিয়মিত পেতে Follow করে সঙ্গে থাকুন।
16/08/2026
৫+ বছর ট্রেইনিং প্রফেশন এ কাজ করার পর সবচাইতে বড় ভুল ধারণাটা পুরোপুরি ভেঙে গেছে।
আমি এটা আগে কখনো বলিনি, কারণ আমিও একসময় এটাই বিশ্বাস করতাম যে ট্রেইনারদের কাজটা অনেক সহজ।
একটা রুমে যাবেন, কিছু কথা বলবেন, দু-একটা গল্প করবেন, সবাইকে একটু মোটিভেট করবেন, তারপর বের হয়ে আসবেন। ব্যস!
এতো বছর কাজ করার পর, আর বিশেষ করে আমার মেন্টরদের সাথে থেকে দেখে শেখার পর বুঝলাম, আমি আসলে এই প্রফেশন তাকে কতটা ভুল বুঝেছিলাম।
মেইনলি Training শুরুই হয় আসলে Gap Analysis দিয়ে। কোথায় সমস্যা? কেন সমস্যা? মানুষ কী জানে, কী পারে না, আর কী শিখলে বাস্তবে Performance বদলাবে?
তারপর সেই Gap অনুযায়ী Content Plan, Design করতে হয়। আর এখানেই শুরু হয় আসল পড়াশোনা। (যারা ভাবেন Trainer-দের বুঝি কোনো কাজই নেই, এটা তাদের জন্য, LOL) 😄
তারপর Audience অনুযায়ী Delivery Plan, Activity, Engagement, Facilitation, Feedback, Assessment... আর শেষে Business Impact ও Roi পর্যন্ত।
মাঝখানে আরও কত কিছু থাকে, সেটা একজন Trainer-ই জানেন। :)
তবে এই পেশার সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তটা জানেন?
Training শেষ হওয়ার কয়েকদিন বা কয়েকমাস পর যখন কেউ এসে বলে,
"আপনার ওই Session-এর একটা জিনিস আমি কাজে লাগিয়েছি। সত্যিই আমার কাজে উপকার হয়েছে।"
সেই অনুভূতিটা ব্যাখ্যা করা কঠিন।
কারণ তখন আপনি শুধু একটা Session নেননি। কারও Journey-তে হয়তো ছোট্ট একটা Turning Point হয়ে গেছেন।
আমি এটাও বলছি না যে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা আইনজীবীদের মতো Trainer-দেরও মানবতার মুক্তির দূত বানিয়ে রাখুন। 😄
শুধু এটুকু মনে রাখুন, আপনার Career-এ একজন ভালো Mentor থাকলে আপনার Professional Life সত্যিই বদলে যেতে পারে, ইন-শা-আল্লাহ।
আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, তার বড় একটা Credit আমার Mentors-দের।
তাঁদের কাছ থেকে শেখা, ভুল করা, আবার শেখা, আর আজ আপনাদের Career Growth-এর পাশে দাঁড়িয়ে আপনাদের ভালোবাসা পাওয়া, এই Journey-র সবচেয়ে সুন্দর অংশগুলোর একটি।
হয়তো আপনার Career-এও এমন একজন মানুষ আছেন, যাঁর একটা কথা আপনার পথ বদলে দিয়েছিল।
সেই মানুষটার কথা মনে পড়লে, হয়তো আজই তাঁকে একটা "ধন্যবাদ" বলা যায়।
আর যদি নিজের Growth Journey-তে এমন আরও কিছু বাস্তব কথা খুঁজে থাকেন, সঙ্গে থাকুন।
আমি ফারহান নাহিদ, Learning & Development Professional, Corporate Trainer and Author of Learn Anything Book, যারা নিজের Professional Life-এ Grow করতে চান, তাঁদের শেখার Journey-তে পাশে থাকার চেষ্টা করি।
ভালো Training শুধু মানুষকে কিছু শেখায় না, শেখা জিনিসটা বাস্তবে ব্যবহার করার মতো করে তোলে।
16/08/2026
আমরা বাঙালিরা জ্ঞান দিতে ওস্তাদ।
সামনের মানুষটা কথা শেষ করার আগেই আমরা "আসলে কী করা উচিত জানো?" বলা শুরু করি। অ্যাডভাইস রেডি। সলিউশন রেডি। লেকচার রেডি।
কিন্তু একটু থামুন।
সেই মানুষটা কি আসলে সলিউশন চেয়েছিল?
কখনো ভেবে দেখেছেন কারো সত্যিকারের কঠিন সময়ে পাশে থাকার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় কী?
জ্ঞান দেওয়া না।
পরামর্শ দেওয়া না।
শুধু শোনা।
হ্যাঁ, শুধু শোনা।
সে যা বলতে চায়, ভালো হোক বা খারাপ সব বলতে দিন। কোনো জাজমেন্ট না, কোনো "কিন্তু" না, শুধু আপনার উপস্থিতি।
এতেই সে অনেক ভালো অনুভব করবে।
বলুন তো, আপনি কি আমার সাথে একটু একমত হবেন?
মানুষ যখন হার্ড টাইমস-এ থাকে, তখন সে আসলে চায় কেউ তাকে জাস্ট একটু বুঝুক।
আপনি যদি চুপ করে শুনতে পারেন, কোনো উপদেশ ছাড়াই এম্প্যাথি দিয়ে আপনি সেই মানুষের কাছে অনেক বেশি মিনিংফুল হয়ে যাবেন।
আপনিই ঠিক করুন এইটুকু পরিবর্তন আনবেন কি না।
এই কাজটার একটা নাম আছে "Active Listening"।
এটা একটা সফ্ট স্কিল। এবং এটা শেখা যায়।
শুধু চুপ করে থাকা না সচেতনভাবে, ইন্টেনশনালি শোনা। চোখে চোখ রেখে। মাথা নেড়ে। প্রপার রেসপন্স করে।
এই একটা স্কিল আপনার পার্সোনাল আর প্রফেশনাল লাইফের দুইটা জায়গাতেই আপনাকে অনেক এগিয়ে রাখবে।
আমার ট্রেনিং সেশন গুলোতেও এই স্কিল নিয়ে বিস্তারিত কাজ করি। কারণ এটা শুধু একটা টেকনিক না, এটা একটা পসিটিভ মাইন্ডসেট।
যারা যেকোনো স্কিল গভীরভাবে শিখতে চান, তারা আমার বই "লার্ন এনিথিং" বইটি পড়তে পারেন। অনেক ডিটেইল এ বলেছি আপনি কিভাবে যেকোনো স্কিল খুব দ্রুত আর এফেক্টিভলি শিখতে পারবেন।
সময় থেমে থাকে না। আপনার গ্রোথ এর ও থেমে থাকা উচিত না।
আপনি কি জানেন সবচেয়ে কম কথা বলা মানুষটাই রুমের সবচেয়ে পাওয়ারফুল মানুষ হয়?
কারণ সে শোনে।
আজ থেকে একটাই কাজ করুন, কারো কথার মাঝে থামিয়ে দেবেন না। শুনুন। পুরোটা।
এই একটা অভ্যাস আপনার পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।
আমি ফারহান নাহিদ একজন কর্পোরেট ট্রেইনার, যে আপনাকে হেল্প করি পার্সোনাল আর প্রফেশনাল জীবনে সত্যিকারের গ্রোথ আনতে।
15/08/2026
কেউ কিছু বললেই আপনি সাথে সাথে রিঅ্যাক্ট করেন?
যে কথাটা শুনে আপনি সাথে সাথে রিঅ্যাক্ট করেন, সেটার জন্য পরে আপনাকেই কেন আফসোস করতে হবে? তাইনা ?
কেউ কিছু বলল।
আপনার খারাপ লাগল।
আর আপনি ভাবার আগেই উত্তর দিয়ে ফেললেন।
তারপর?
কথা বাড়ল। সম্পর্ক খারাপ হলো।
আর কিছুক্ষণ পর আপনি একা বসে ভাবলেন,
“আমি চাইলে ওই কথাটা এভাবে বলতাম না…”
এই জায়গাটাই আসলে বিপজ্জনক।
কারণ আমরা অনেক সময় রাগের কারণে নয়, একটা মুহূর্তের impulse-এর কারণে এমন কিছু করে ফেলি, যেটা শান্ত মাথায় কখনোই করতাম না।
একটা interview-তে কঠিন প্রশ্ন।
Family meeting-এ কারও একটা মন্তব্য।
Relationship-এ ভুল বোঝাবুঝি।
Business communication-এ disagreement।
কিংবা অফিসে এমন কোনো feedback, যেটা আপনার ego-তে লেগে গেল।
সেই মুহূর্তে মনে হয়, “এখনই কিছু একটা বলতে হবে।”
কিন্তু সত্যিটা হলো, সবকিছুর উত্তর সঙ্গে সঙ্গে দিতে হয় না।
কখনো কখনো সবচেয়ে powerful response হলো একটু pause নেওয়া।
কারণ pause মানে দুর্বল হওয়া নয়।
Pause মানে আপনি আপনার emotion-কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ না দিয়ে নিজেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন।
ভাবুন তো, ওই একই পরিস্থিতিতে আপনি যদি ১০ সেকেন্ড থামতেন, নিজের emotion-টা লক্ষ্য করতেন, তারপর উত্তর দিতেন...
হয়তো ঝগড়াটা হতো না।
হয়তো সম্পর্কটা বাঁচত।
হয়তো interview-তে আরও ভালো উত্তর আসত।
হয়তো একটা business opportunity-ও হারাত না।
আমরা অনেক কিছু শিখি জীবনে। Communication, leadership, technical skills, networking...
কিন্তু নিজের emotion সামলানো?
এটাই অনেক সময় শেখা হয় না।
আর এখানেই Emotional Intelligence এত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ জীবনে শুধু আপনি কী জানেন, সেটা নয়।
আপনি চাপের মুহূর্তে কীভাবে নিজেকে সামলান, সেটাও আপনার ভবিষ্যৎ ঠিক করে।
আমি ফারহান নাহিদ, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি কাজ করি মানুষকে তাদের professional life-এ আরও effectively grow করতে সাহায্য করার জন্য।
আর এই বিষয়টা নিয়েই ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাত ৮টায় করছি একটি Free Webinar: Control Your Emotions: Emotional Intelligence।
এখানে শুধু Emotional Intelligence কী, সেটা নয়। শিখব কীভাবে নিজের emotion বুঝবেন, impulse-এর বদলে consciously respond করবেন, conflict সামলাবেন, empathy বাড়াবেন এবং emotional resilience তৈরি করবেন।
তবে একটা কথা...
Free webinar দেখে সবাই register করতে পারে। কিন্তু নিজের growth নিয়ে সত্যিই serious যারা, তাদের জন্যই এই sessionটা worth it.
কমেন্ট করুন “EI”। Registration link পেয়ে যাবেন।
কারণ পরেরবার কেউ এমন কিছু বলবে, যেটা আপনাকে trigger করবে...
প্রশ্নটা হবে না, “আমি কী বলব?”
প্রশ্নটা হবে,
“আমি কি এবার নিজেকে control করতে পারব?”
সেখান থেকেই আপনার growth শুরু হতে পারে।
14/08/2026
একটা সিদ্ধান্তই অনেক কিছু বদলে দিতে পারে।
আর সিদ্ধান্তটা খুব simple: নিজেকে আর নিজের জীবনের last priority বানাব না।
একটু ভেবে দেখুন, অনেকদিন ধরে নিজেকেই আপনার priority list-এর একদম শেষে রেখে দিয়েছেন হয়তো।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লাস, অফিস। মিটিং। অ্যাসাইনমেন্ট। ডেডলাইন।
তারপর বাসায় ফিরে মনে হয়, আজ আর নিজের জন্য কিছু করার সময় নেই।
এভাবে কয়েকদিন যায়। তারপর কয়েক মাস।
একসময় খেয়াল করবেন, কাজ করছেন ঠিকই, কিন্তু নিজের energy কমে গেছে। নিজের যত্ন নেওয়ার ইচ্ছেটাও কমে গেছে। এমনকি আয়নায় নিজেকে দেখলেও মনে হয়, আগের সেই মানুষটা কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।
সমস্যাটা সবসময় motivation-এর না।
অনেক সময় আপনি নিজেকেই signal দিচ্ছেন যে আপনি গুরুত্বপূর্ণ নন।
সারাদিন অন্যদের জন্য সময় আছে, কিন্তু নিজের ঘুম ঠিক করার সময় নেই।
অন্যদের সামনে confident থাকার চেষ্টা আছে, কিন্তু নিজের শরীর-মনকে একটু pause দেওয়ার সময় নেই।
Career নিয়ে planning আছে, কিন্তু মানুষটা কেমন আছেন, সেটা check করার সময় নেই।
আর এখানেই একটা ছোট twist আছে।
নিজের যত্ন নেওয়া মানে লাক্সারি কিছু না।
নিজের যত্ন নেওয়া মানে নিজেকে আবার নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ হিসেবে treat করা।
খুব সিম্পল, আপনার posture ঠিক করা, পানি খাওয়া, ভালো খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিজের শেখার জন্য সময় রাখা, একটু গুছিয়ে থাকা, নিজের energy protect করা...
এগুলো ছোট কাজ।
কিন্তু ছোট কাজগুলোই অনেক সময় আপনাকে আবার নিজের কাছে ফিরিয়ে আনে।
কারণ আপনি যখন নিজের প্রতি যত্নশীল হন, আপনার energy বদলায়।
Energy বদলালে আপনার আচরণ বদলায়।
আচরণ বদলালে আপনার কাজের মানও বদলাতে শুরু করে।
হয়তো আপনার next level শুরু হবে আরও বেশি কাজ দিয়ে নয়।
শুরু হবে নিজেকে আর অবহেলা না করার সিদ্ধান্ত দিয়ে।
আমি ফারহান নাহিদ, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি তরুণ পেশাজীবী ও growth-minded মানুষদের শেখা, self-development এবং professional growth-এর পথে এগোতে সাহায্য করি।
আর এই journey-র একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো "নিজেকে বোঝা" দিয়ে শুরু করে।
এই ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাত ৮টায় থাকছে আমার Free Webinar: Emotional Intelligence।
শুধু emotion সম্পর্কে জানার জন্য না, বরং নিজের emotion manage করা, impulsive reaction কমানো, empathy বাড়ানো, কঠিন conversation সামলানো এবং আরও effective leader হওয়ার practical tools নিয়ে।
Free webinar বলে অনেকেই registration করবেন।
কিন্তু যারা সত্যিই growth নিয়ে serious, তাদের জন্যই থাকবে পরবর্তী invitation।
Comment করুন “EI”। আপনার প্রথম step হয়তো এখান থেকেই শুরু হবে।
14/08/2026
একটা অস্বস্তিকর সত্যি বলি?
অনেক ট্যালেন্টেড মানুষকে কেউ দ্বিতীয়বার ডাকতে চায় না। আবার এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের স্কিল হয়তো "সেরা" না, তবুও সবাই তাদের সাথেই কাজ করতে চায়।
কেন জানেন?
কারণ দিনের শেষে মানুষ শুধু মনে রাখে না আপনি কী কাজ করেছেন। মানুষ মনে রাখে, আপনার সাথে কাজ করার পর তারা কেমন অনুভব করেছিল।
আপনার সাথে কাজ করার পর যদি কেউ নিজেকে ছোট মনে করে, ভুল করতে ভয় পায়, নিজের ওপর বিশ্বাস হারায়, তাহলে আপনার দক্ষতা যতই অসাধারণ হোক, মানুষ ধীরে ধীরে দূরে সরে যাবে।
কিন্তু যদি আপনার সাথে ৩০ মিনিট কথা বলার পর কেউ মনে করে, "আচ্ছা... আমিও পারব", তাহলে আপনি শুধু কাজ করেননি, একজন মানুষকে শক্তি দিয়েছেন।
একই ট্রেনিং, একই কনটেন্ট, একই কোম্পানি। তবুও কিছু ট্রেইনার মানুষকে বদলে দেন, আর কিছু ট্রেইনার শুধু স্লাইড শেষ করেন।
পার্থক্যটা জ্ঞানে না।
পার্থক্যটা হলো, একজন মানুষকে তথ্য দেন, আরেকজন মানুষকে সাহস দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে, অফিসে, ব্যবসায়, কিংবা যেকোনো টিমে... আপনার আসল মূল্য শুধু আপনি কী জানেন, সেটা না। আপনার পাশে থাকলে মানুষ নিজের সেরাটা বের করতে পারে কি না, সেটাই।
আমি ফারহান নাহিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নতুন প্রফেশনাল এবং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে চাওয়া মানুষদের আরও কার্যকরভাবে শেখা ও গ্রো করতে সাহায্য করি।
এই কারণেই ৩১ জুলাই আমি একটি ফ্রি লাইভ সেশন করছি। সেখানে কথা বলব কীভাবে সহজে এবং দ্রুত শিখবেন, মাঝপথে ছেড়ে না দিয়ে শেষ পর্যন্ত শিখে যাবেন, আর নিজের learning style বুঝে নিজের মতো করে শেখার সিস্টেম বানাবেন।
কারণ এই fast-paced পৃথিবীতে শুধু skill থাকলেই হবে না। কীভাবে শিখতে হয়, এটা না জানলে খুব সহজেই পিছিয়ে পড়বেন। সিট সীমিত, তাই দেরি করলে হয়তো সুযোগটাই মিস করবেন।
আর যদি এমন কনটেন্ট চান, যা আপনার personal আর professional life-এ বাস্তব পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে, তাহলে আমাকে Follow করতে পারেন।
মনে রাখবেন, আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি আপনার CV নয়। আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো, আপনার উপস্থিতিতে মানুষ নিজের ওপর আরও বেশি বিশ্বাস করতে শেখে। সেটাই এমন এক দক্ষতা, যার বিকল্প কোনো AI ও হতে পারবে না।
13/08/2026
কিছু ম্যানেজারের এই বিষয়টা বুঝা উচিত
আপনার টিমের সবচেয়ে কঠিন মানুষটা হয়তো ৬ মাস আগেও আপনার সেরা পারফর্মার ছিল।
কিন্তু হঠাৎ সে বদলে গেলেই ম্যানেজাররা বলে,
"Disengaged."
"Negative."
"Team player না।"
কখনো কি থেমে ভেবেছেন, মানুষটা বদলেছে, নাকি তার ভেতরে কিছু বদলে গেছে?
একজন মানুষ সাধারণত একদিনে খারাপ কর্মী হয়ে যায় না। অনেক সময় তার আচরণ আসলে এমন কিছু বহন করে, যেটা সে মুখে বলতে পারছে না।
একটা promotion মিস হয়েছে।
কাজের স্বীকৃতি আসেনি।
কোনো প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি।
অথবা বারবার মনে হয়েছে, "আমি যতটা দিচ্ছি, তার মূল্য কেউ দেখছে না।"
তাই পরেরবার performance conversation-এ বসার আগে, পাঁচটা জিনিস মনে রাখুন।
১. Correction দিয়ে শুরু করবেন না, curiosity দিয়ে শুরু করুন।
"কাজটা এমন কেন হচ্ছে?" এর আগে জিজ্ঞেস করুন, "আপনি আসলে কেমন আছেন?"
২. আচরণ নয়, পরিবর্তনের জায়গাটা খুঁজুন।
"কখন থেকে এমন হলো?" প্রশ্নটা অনেক সময় "কেন এমন করছেন?" এর চেয়ে বেশি উত্তর দেয়।
৩. Silence-কে ভয় পাবেন না।
প্রথম উত্তরটা অনেক সময় আসল উত্তর নয়। একটু নীরবতা মানুষকে সত্যি বলার জায়গা দেয়।
৪. উত্তরটা আপনার বিরুদ্ধেও যেতে পারে।
হয়তো সমস্যাটা employee-এর attitude নয়। হয়তো কোনো কথা আপনি বলেছিলেন, কিন্তু রাখেননি।
৫. শুনে থেমে যাবেন না।
আপনি যদি জানতে চান কী হয়েছে, তারপর কিছুই না করেন, তাহলে পরেরবার সে আর আপনাকে সত্যি বলবে না।
Leadership-এর একটা অস্বস্তিকর সত্যি হলো, সবচেয়ে কঠিন মানুষগুলো অনেক সময় একসময় সবচেয়ে বেশি care করত।
তারা হঠাৎ caring বন্ধ করেনি।
হয়তো তারা শুধু অনেকদিন ধরে unanswered থেকেছে।
তাই মানুষকে শুধু তার বর্তমান আচরণ দিয়ে বিচার করবেন না। তার আগের version-টাও মনে রাখুন।
কারণ একজন ভালো leader-এর কাজ শুধু ভালো performer তৈরি করা নয়।
কখন একজন ভালো মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে, সেটা সময়মতো বুঝতে পারাও leadership।
আর সেই মুহূর্তে hero হওয়া মানে বড় কোনো speech দেওয়া নয়।
কখনো কখনো শুধু পাশে বসে বলা,
"আপনি ঠিক আছেন তো? সত্যি করে বলুন।"
সেখান থেকেই একটা মানুষ, একটা team, এমনকি একটা career আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
আমি ফারহান নাহিদ, Learning & Development Professional ও Corporate Trainer। আমি আপনার professional growth-কে আরও effective করতে সাহায্য করি।
একটা ছোট প্রশ্ন দিয়ে শুরু করুন। আজ আপনার টিমে কাকে জিজ্ঞেস করা দরকার, "আপনি আসলে কেমন আছেন?"
আর যদি বুঝতে চান, নিজের emotion সামলে অন্য মানুষের emotion কীভাবে বুঝবেন, communicate করবেন এবং difficult situation-এ আরও effective থাকবেন, তাহলে ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাত ৮টায় আমার Free Webinar: Emotional Intelligence।
অনেকেই free webinar দেখে registration করে। কিন্তু invitation পাবেন তারাই, যারা সত্যিই নিজের growth নিয়ে serious।
Comment করুন "EI"। Seat book করার পর বুঝবেন, এই session আপনার জন্য কতটা দরকার ছিল।
Follow করুন self-development ও professional growth-এর এমন আরও practical insight-এর জন্য।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka