26/04/2026
এই যে এনিমেটেড ছবিটা দেখতে পারছেন- এইটা পুরা দুনিয়ার মত আপনার কাছেও খুবই খুদ্র বিষয় হইতে পারে। কিন্তু এই ছবির সাথে জরিয়ে ছিলো ২টা ক্লান্তিময় জীবনের শান্তির নীড়, হাতে হাত রেখে একসাথে একই পথে চলার এক চিমটি আলো, এক সমুদ্র মায়া-মমতা, এক বিরামহীন বিশ্বাস, শেষ ভরসা, অগাধ সম্মান- মর্যাদা ও একটা পৃথিবীর এক মহাগ্রন্থের উপাখ্যান।
আজ এই ছবিটাই একটা স্মৃতির মহাসৌধ। যদিও ২টা জীবনই এখন ২ পথে। কিন্তু স্মৃতির ফেলে আসা পাতাগুলি এখনো আমাদেরকে মিলায় একই স্মৃতিতে।
চাইলে এই কাহিনি অবলম্বনেও একটা অপ্রাপ্তির মহাকাব্য রচনা করা সম্ভব।
আজো গ্যালারি স্ক্রল করতে গিয়ে ছবিটার কাছে গিয়ে আঙুল টা থমকে গেলো, যদিও প্রতিবারই থমকে যায়। কিন্তু এই ভোর ৪টায় ঘুম ভেঙে পুরানো স্মৃতির এক মহাসত্যকে শুধুমাত্র আঙুলের এক স্পর্শেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তাই অতীতকে স্মরণ করতেই এই কঠিন ইস্পাত মনও অজান্তেই চোখের অশ্রু জ্বলজ্বল করে তুললো। জীবন থেকে হারিয়ে ফেলা আড়াই বছরের সোনালি রঙিন উজ্জ্বল জ্বল জ্বলে সময়ের স্মৃতি কি এতো সহজে ভূলা সম্ভব!!
না আমি ভূলিনি। ভূলবো না। ভূলতে চাইও না। 🙂
ছবিটি কারোর কাছে রাস্তায় পরে থাকা ছেরা কাগজের টুকরার মত হইলেও কারোর কাছে জীবনের এক মহাচিহ্ন। এ এক মহাসত্য। এ এক মহাকাব্য। এ এক মহাগ্রন্থ। মহা স্মৃতি । এই স্মৃতি কখনো ভূলার মত নয়। এই অধরা মহাস্মৃতির উপাখ্যান নিয়েই জীবন বহমান। মৃত্যু ব্যতিত এই মহাস্মৃতির স্টোরেজটা কখনোই মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
লিখতে গিয়ে হঠাৎই বিখ্যাত গানটা মনে পরে গেলো-
"কত ভালোবাসি, কি যে ভালোবাসি,
এতো ভালোবাসি তাই, মনে জাগে ভয়,
এতো সুখ ভাগ্যে যদি না সয়।।
------------ ওমরসানি ও শাবনূর"
আসলে ভাগ্যে সুখটা আর সয় নি। গানের এই একটা বাক্য আমাদের জীবনে সত্য হয়েই রইলো।
আসলে জীবন কেনো এমন হয়। আমরা চাইলেও কেনো নদীর স্রোতের মত কখনোই প্রতিকূলে চলতে পারি না। যদি পারতাম তবে -----------------------!😰
&&&&
26/04/2026
5:00 AM
"জীবন থেকে নেয়া"