Goal's

Goal's

Share

If you like my videos subscribe and leave your like!

The official name of page of "GOAL'S "is a youtube channel and a page that provides football videos,update news, and highlight for everyone to enjoy.

25/07/2026

দেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় কমবেশি শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন হয়ে থাকে।
# গ্রাম বাংলার রূপ

25/07/2026

দেশের প্রতিটি মাদ্রাসায় কমবেশি শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন হয়ে থাকে।

10/02/2026

Vote for Monisha

09/02/2026
09/02/2026
09/02/2026

১ নম্বর আসামিকে বাদ দিয়ে ৪ নং আসামির রিমান্ড চায়,,,,দেখেন কি একটা অবস্থা। 😇 ゚viralシfypシ゚viralシalシ

Photos from Goal's post 09/02/2026

"অনেক দলকেই তো দেখলেন। এবার দাড়িপাল্লা দেখেন।" - এই কথাটা আপনারা কমবেশি সবাই শুনেছেন। এই কথার পিঠে, তারেক রহমান ইঙ্গিত দিলেন, জামায়াতকে ১৯৭১ সালে দেখা হয়েছে। নতুন করে দেখার কিছু নেই।

তবে তারেক রহমানের কথাটা ভুল। ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামি ক্ষমতায় ছিল না। জামায়াতকে কোনদিনই ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হয়নি।
সত্যিই কি জামায়াতকে ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হয়নি?

২৫শে মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হয়ে ঢাকায় আসেন টিক্কা খান। এই লোকটাকে ঠিক ২৫শে মার্চের রাতেই কেন পাঠানো হলো - সেটা নিশ্চয়ই আপনাদের বলে দিতে হবে না। একটা বিশেষ কাজ করতে টিক্কা খান ঢাকায় এসেছিলেন। এবং বলাই বাহুল্য যে, সফলভাবে তিনি তার কাজ শেষ করতে পেরেছিলেন।

রেলওয়ে সুইপার কলোনির চুন্নু ডোম টিপসইসহ জবানবন্দীতে বলেন,
"দেখলাম ঢাকা জজ কোর্টের দক্ষিণ দিকের যে রাস্তা শাখারীবাজারের দিকে চলে গেছে সেই রাস্তার দুই পাশে ড্রেনের ধারে যুবক-যুবতীর, নারী-পুরুষের, কিশোর-শিশুর বহু পঁচা লাশ।

দেখতে পেলাম, বহু লাশ পাচে ফুলে বীভৎস হয়ে আছে, দেখলাম শাখারীবাজারের দুদিকের ঘরবাড়িতে আগুন জ্বলছে, অনেক লোকের অৰ্দ্ধপোড়া লাশ পড়ে থাকতে দেখলাম, দুই পার্শ্বে অদূরে সশস্ত্ৰ পাঞ্জাবী সৈন্যদের প্রহরায় মোতায়েন দেখলাম। শাখারীবাজারের প্রতিটি ঘর থেকে যুবক-যুবতী, বালক-বালিকা, কিশোর-শিশু ও বৃদ্ধের লাশ তুলেছি. জনতাকে মূল্যবান সামগ্ৰী, দরজা, জানালা, সোনাদানা সবকিছু লুটে নিয়ে যেতে দেখলাম। লাশ উঠাতে উঠাতে এক ঘরে প্রবেশ করে এক অসহায়া বৃদ্ধাকে দেখলাম। বৃদ্ধা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পানি পানি বলে চীৎকার করছিল, তাকে আমি পানি দিতে পারি নাই ভয়ে, বৃদ্ধাকে দেখে আমি আরও ভীত হয়ে পালিয়ে এসেছি। আমি পানি দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের পিছনে সশস্ত্ৰ পাঞ্জাবী সেনা প্রহরায় থাকায় আমি সেই বৃদ্ধাকে পানি দিয়ে সাহায্য করতে পারি নাই।

আমরা ১৯৭১ সনের ২৮শে মার্চ শাখারীবাজার থেকে প্রতিবারে একশত লাশ উঠিয়ে তৃতীয়বার ট্রাক বোঝাই করে তিনশত লাশ ধলপুর ময়লা ডিপোতে ফেলেছি। ২৯শে মার্চ সকাল থেকে আমরা মিটফোর্ড হাসপাতালের লাশঘর ও প্রবেশপথের দুপার্শ্ব থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিববাড়ী, রমনা কালিবাড়ী, রোকেয়া হল, মুসলিম হল, ঢাকা হল থেকে লাশ উঠিয়েছি।

২৯শে মার্চ আমাদের ট্রাক প্ৰথম ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রবেশপথে যায়। আমরা পাঁচজন ডোম হাসপাতালের প্রবেশপথে নেমে একটি যুবকের পচা, ফুলা, বিকৃত লাশ দেখতে পেলাম। লাশ গলে যাওয়ায় লোহার কাটার সাথে গোথে লাশ ট্রাকে তুলেছি। আমাদের ইন্সপেক্টর পঞ্চম ডোম আমাদের সাথে ছিলেন। এরপর আমরা লাশঘরে প্রবেশ করে বহু যুবক-যুবতী, বৃদ্ধকিশোর ও শিশুর স্তুপীকৃত লাশ দেখলাম। আমি এবং বদলু ডোম লাশঘর থেকে লাশের পা ধরে টেনে ট্রাকের সামনে জমা করেছি, আর গণেশ, রঞ্জিত (লাল বাহাদুর) এবং কানাই লোহার কাটা দিয়ে বিধিয়ে বিধিয়ে গলিত লাশ ট্রাকে তুলেছে। মেয়েদের লাশের কারো স্তন পাই নাই যোনিপথ ক্ষত-বিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখেছি। মেয়েদের লাশ দেখে মনে হয়েছে, তাদের হত্যা করার পূর্বে তাদের স্তন টেনে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, যোনিপথে লোহার রড কিংবা বন্দুকের নল ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি যুবতী মেয়ের মাথায় খোপা খোপা চুল দেখলাম। মিটফোর্ড থেকে আমরা প্রতিবারে একশত লাশ নিয়ে ধলপুর ময়লা ডিপোতে ফেলেছি।"

এটা শুধু একজন ডোমের ২ দিনের দিনলিপির বর্ণনা। এমন সহস্র কেইস আমি নিজ হাতে ফাইল করেছি। ইন্টারভিউ করেছি। আমাকে বা চুন্নুকে আপনারা যে পরিমাণ বিশ্বাস করবেন, তার চেয়ে বেশি বিশ্বাস করবেন সে সময়ের ইউএস এম্বাসি বা ব্রিটিশ হাইকমিশনকে। তাদের নিজেদের ইন্টার্নাল রিপোর্টে হাজার হাজার মানুষ মেরে ফেলার ঘটনা লিপবদ্ধ আছে। আমি সেসব ফাইলস লন্ডন থেকে ফ্লোরিডা থেকে আনিয়েছি। আমি আর চুন্নু ডোম মিথ্যা বললেও ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার সিরিল পিকার্ডের মিথ্যা বলার কথা না।

শেখ হাসিনা যখন ২০২৪ সালের ২রা আগস্ট নাগাদ ৮০০ মানুষ মেরে ফেললো, আমার পক্ষে কি তার ১০ দিন পর গিয়ে ১২ই আগস্ট হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে যাওয়া সম্ভব ছিল? আপনার পক্ষে সম্ভব ছিল? বিবেকে কুলানো সম্ভব?

কিন্তু অধ্যাপক গোলাম আযমের বিবেকে কুলিয়েছিল। ২৫শে মার্চের ঘটনার ১০দিন পর উনি দলবল নিয়ে গভর্নর টিক্কা খানের বাসায় যান। আরও আগেই যেতেন কিন্তু কারফিউ থাকায় আগে যেতে পারেননি। টিক্কা খানের বাসায় গিয়ে তারা মাননীয় গভর্নরকে ধন্যবাদ জানান এবং তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য, ইয়াহিয়া খানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই সৌজন্য সাক্ষাতে অন্য যারা ছিলেন -
১. খান ই সবুর - দৃক গ্যালারির ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমের নানা এবং একমাত্র ব্যক্তি যার কবর জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের ভিতরে অবস্থিত।
২. খাজা খাইরুদ্দিন - ঢাকার সাবেক মেয়র, পূর্ব পাকিস্তান শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ভাইগ্না। খাইরুদ্দিনের ছেলে আলকামাকে পরে পাকিস্তান বাংলাদেশের হাই কমিশনার বানিয়েছিল। বাংলাদেশ তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।
৩. মৌলভী ফরিদ আহমদ - ইস্কান্দার মীর্জা (ঐ পলাশীর সিপাহসালার মীর জাফরের নাতির ছেলে ইস্কান্দার মীর্জা) এর শ্রমমন্ত্রী। ডাকসুর সাবেক ভিপি। তার দুই ছেলে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে পালাক্রমে দুইবার কক্সবাজার সৈকত আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন।
(কে কার কী লাগে - এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে জানা জরুরি।)

যাইহোক, ৪ঠা এপ্রিল গোলাম আযমের নেতৃত্বাধীন এই দল গভর্নর হাউস থেকে বের হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ২৫শে মার্চের গণহত্যাকে জাস্টিফাই করেন আর স্বাধীনতার পক্ষপাতীদের ভারতের দালাল ট্যাগ দেন।

২ দিন পর খান ই সবুর আর গোলাম আযম আলাদা করে টিক্কার সাথে একান্ত বৈঠকে যান। তাদের আলাপের বিষয় ছিল - এখন কী করতে হবে। কীভাবে পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র মানুষদের উপর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

আলবদর, রাজাকার, শান্তিকমিটি - এই সবগুলার ফর্মেশন প্ল্যানের টপ মাস্টারমাইন্ড ছিলেন অধ্যাপক গোলাম আযম। টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তানের আর কোন দলকে পাত্তা না দিয়ে, পাকিস্তানের বন্ধু চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়কে পাত্তা না দিয়ে গোলাম আযমকে সর্বোচ্চ পাত্তা দেওয়ার কারণ হলো - গোলাম আযম পাকিস্তানের মহামহিম রাষ্ট্রপতি কসাই ইয়াহিয়া খানের বাম হাত ছিলেন। (ডানহাত ছিলেন বুড়ো শয়তান নুরুল আমিন)।

আইয়ুব খানের চ্যালা ইয়াহিয়া খান মনে প্রাণে আরেক জন আইয়ুব খান হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন। উনার গুরু প্যারালাইজ হয়ে যাওয়ার পর শিষ্য ইয়াহিয়ার কাছেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তরিত হয়।
আইয়ুব, ইয়াহিয়া, পীরজাদাদের মজ্জাগত ধারণা ছিল যে পলিটিশিয়ানরা 'জাস্ট কুত্তারবাচ্চা'। তাদেরকে কুত্তা হিসেবে ট্রিট করতে হবে, কুত্তার মত মেরে ফেলতে হবে।

আমি মুখ খারাপ করছি এটা ভাববেন না। এই 'কুত্তে কি অওলাদ' ইয়াহিয়ার মুখের ভাষা ছিল।
তারা সিভিলিয়ানদের দেখতে পারতো না। ফলে ৭০ এর নির্বাচনে ক্ষমতা সিভিলিয়ানদের হাতে তুলে দেওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ইয়াহিয়ার ছিল না। মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ভালোভাবেই জানতো যে, পাকিস্তানের বড় তিন নেতা যথা মুজিব, ভুট্টো এবং ভাসানী - কারও পক্ষেই একক সংখ্যাগরীষ্ঠতা অর্জন সম্ভব না। এরা একে অন্যকে দুই চোখে দেখতে পারে না। ফলে কোয়ালিশনের কোন সম্ভাবনাও নেই। তার উপর জামায়াত, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাপ - এগুলোর ফ্র্যাকশন তো আছেই।

ফলে নির্বাচন হলেও কোন দলের সংখ্যাগরীষ্ঠতা পাওয়ার কথা না। একের পর এক ব্যর্থ ইলেকশন দিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের আন-ফিট প্রমাণ করে আবার মার্শাল ল জারি করবে - এই ছিল প্ল্যান।

প্ল্যানের বারোটা বাজিয়ে দেন মওলানা ভাসানী। কেউ কল্পনাও করেনি যে ভাসানী সরে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগকে জিততে দিবেন। এটা ছিল "দলের উপর দেশ" নীতির বাস্তবায়ন। সাইক্লোনের পর পাকিস্তানিদের আচরণ দেখে রাগে, দুঃখে, ক্ষোভে ভাসানী নির্বাচন বয়কট করেন। আর সাইক্লোন পুরো জাতির সাইকোলজি চেঞ্জ করে দিয়ে লীগের ভোট ব্যাংক বাড়িয়ে দেয়। নির্বাচনের ১০ দিন আগে দাঁড়িয়ে এহেন পরিস্থিতিতে কিচ্ছু করার ছিল না ইয়াহিয়ার। নির্বাচন ফেয়ার হয়। আর একক সংখ্যাগরীষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ।

কিন্তু এই জয় ইয়াহিয়ার হজম হয়নি। ভুট্টো জিতলেও সে হজম করতে পারতো না। সে ভুট্টো আর মুজিবকে সমানে হেইট করতো।

জাস্ট মুজিব জিতে যাওয়ায় মুজিবের প্রতি বিদ্বেষটা বেড়ে যায়। পাকিস্তানে একটা যুদ্ধ লাগানোর কোন প্রয়োজন ছিল না। মুজিব একদম শেষ পর্যন্ত যুদ্ধটা এড়াতে চেয়েছিলেন। এমনকি তাজউদ্দিন আর চার নেতার পরামর্শ সত্ত্বেও মুজিব যুদ্ধ এড়িয়ে যে কোন উপায়ে আপোষ করতেই চাচ্ছিলেন। অখন্ড পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারলেই তো মুজিবের লাভ।

কিন্তু ভুট্টো জানতো পাকিস্তান অখন্ড থাকলে তার প্রধানমন্ত্রী হবার সম্ভাবনা নেই। তিনি তার ইরানী স্ত্রীকে বলেছিলেন, "আধা হো তো আধা হি সাহি"।

তাই যুদ্ধটা খুব দরকার ছিল ভুট্টোর। এবং সেই যুদ্ধে তার প্রয়োজন ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক পরাজয়।
অন্যদিকে যুদ্ধটা খুব দরকার ছিল ইয়াহিয়ার। কিন্তু তার দরকার ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বিজয়।

আগস্ট মাস নাগাদ দুই জন দুইজনের অভিসন্ধি বুঝে ফেলে। ভুট্টো-ইয়াহিয়া সম্পর্ক চরম উত্তাপে পৌঁছায়। অক্টোবর আসতে আসতে ইয়াহিয়া বুঝতে পারেন যে তাকে আগামী ৭-৮ মাসের মধ্যেই ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। বাইরে থেকেও চাপ বাড়ছিলো।
আমেরিকা, ইউরোপ সিভিলিয়ানদের কাছে ক্ষমতা ছাড়তে চাপ দিচ্ছিলো। এই ক্ষমতাটা কোন বাঙালির হাতে ছাড়া গেলে - ইয়াহিয়ার "বাঙালি বিদ্বেষ" এর কুখ্যাতি কিছুটা কমার কথা ছিল।

ইয়াহিয়া নতুন শাসনের ড্রাফট করেন। তাতে রাষ্ট্রপতি রাখা হয় ময়মনসিংহের নুরুল আমিনকে। নুরুল আমিন বাঙালি। আর উপ-রাষ্ট্রপতি রাখা হয় অধ্যাপক গোলাম আযমকে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রযন্ত্রের কতটুকু আস্থাভাজন হলে, কত বড় কোলাবরেটর হলে পাকিস্তানের সিটিং প্রেসিডেন্ট একজন অধ্যাপককে তার উত্তরসূরী হিসেবে ড্রাফট করতে পারেন!

দফায় দফায় বৈঠক হয় গোলাম আযম, ইয়াহিয়া, ভুট্টো, আর নুরুল আমিনদের মাঝে। কিন্তু কাজ হয় না। ভুট্টো কোনভাবেই ইয়াহিয়া আর গোলাম আযমকে সহ্য করতে পারে না। ডিসেম্বর মাস নাগাদ আপোষ হয় যে, "ঠিক আছে। অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। ইয়াহিয়া রাষ্ট্রপতি থাকবে। নুরুল আমিন প্রধানমন্ত্রী হবেন। ভুট্টো হবেন উপপ্রধানমন্ত্রী। কিন্তু গোলাম আযমকে কোন পদ দেওয়া যাবে না"।

মূলত ভুট্টোর চিন্তা ছিল যে, ইয়াহিয়াকে বাতিল করে দেওয়া জাস্ট সময়ের ব্যাপার। যুদ্ধে হারলেই ইয়াহিয়া বাদ। আইবুড়ো নুরুল আমিনের এক বিন্দু সমর্থন পশ্চিম পাকিস্তানে নেই। তাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া যাবে।
"বাট দ্যাট আযম ক্যান বি আ থ্রেট।"

সে জামায়াতের আমির। তার বিশাল জনসমর্থন আছে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় কোন পদে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে বসিয়ে ভুট্টো ঝুঁকি বাড়াতে চাননি।

(এটা গেল কেন্দ্রীয় সরকারের কথা। এদিকে প্রাদেশিক সরকারে টানা গুম খুন ধর্ষণ গণহত্যার জন্য টিক্কা খানের গ্লোবাল ইমেজ খুব খারাপ হয়। আইএমএফ টাকা বন্ধ করে দেয়। ইউরোপ তার এইডের টাকা সম্মিলিতভাবে বন্ধ করে। টিক্কা খানকে সরিয়ে আইওয়াশ হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য সিভিলিয়ান গভর্নমেন্ট ফর্ম করে ইয়াহিয়া খান। এর মুখ্যমন্ত্রী বানানো হয় ডাক্তার মালিককে।

এটাই সেই কুখ্যাত মালিক মন্ত্রিসভা। গোলাম আযমের দুই প্রিয় পাত্র, জামায়াতের দুই সিনিয়র নেতা পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী হন। এরা হলেন একেএম ইউসূফ আর আব্বাস আলী খান। আব্বাস পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির হয়েছিলেন। উনি ছিলেন গোলাম আযমের ইমিডিয়েট উত্তরসূরী। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা তাদের টেবিল থেকে হয়েছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেম মেজর রাও ফরমান আলী।)

বাংলাদেশের বিজয়ের পর গোলাম আযম একূল অকূল দু'কুল হারিয়ে এতীম হয়ে যান। উনার ঘাঁটি ছিল বাংলাদেশ, সেটা তো হাতছাড়া হয়েছে। আর এদিকে পশ্চিম পাকিস্তানে কিছু করতে গেলেই ভুট্টো দারুণ ডিস্টার্ব করে। নিরুপায় আযম তখন বাইরেই থাকতেন বেশি, বিশেষ করে লন্ডনে। যেখানে তিনি পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি গঠন করেছিলেন ১৯৭২ সালে। তখনও তিনি বাংলাদেশ মেনে নিতে পারেননি। উনি পাকিস্তানের অখন্ডতা ফেরত চান।

জিয়াউল হকের আমলেও আযম শান্তি পাননি। সরকার তাকে রাজনৈতিক কর্মকান্ড করতে দিচ্ছিলো না। এদিকে, সে সময়টাতে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে পাকিস্তানপন্থীদের পুনর্বাসন প্রকল্প চালু করেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। যুদ্ধাপরাধীদেরকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক প্রদান করা হয়। সুবাতাস বইতে দেখে গোলাম আযম ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন। তার নাগরিকত্ব মামলা চলে দীর্ঘদিন। এর মাঝে বাংলাদেশে জামায়াত পুরোদমে কিং মেকার দল হিসেবে সংসদে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর খালেদা জিয়ার সাথে জামাতের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। জামায়াত সে সময় আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় বন্ধু। খালেদা জিয়া গোলামকে শায়েস্তা করতে নাগরিকত্ব আইনে গ্রেফতার করেন। পরে ৯৪ সালে বিখ্যাত বিচারপতি হাবীবুর রহমানের বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে গোলামকে তার নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেন।

অনেকে বলেন গোলাম আযম একাত্তর সালে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। আমি নিজে এমন কোন প্রাইমারি ডকুমেন্ট দেখিনি, প্রমাণ পাইনি। এটা আমার স্রেফ অত্যুক্তি মনে হয়। কিন্তু এই কথা সত্য নয় যে গোলাম আযম ও জামায়াতে ইসলামি কোনদিন ক্ষমতায় ছিলেন না, তাদেরকে নাকি একবার সুযোগ দিয়ে দেখতে হবে। গোলাম আযম ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ডি ফ্যাক্টো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের আওতায় রাখার সর্বোচ্চ রাজনৈতিক চেষ্টাটা করেছেন। সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি নুরুল আমিন ছিলেন না। নুরুল আমিন বার্ধক্যজনিত কারণে পিন্ডি থেকে নড়তেও পারতেন না, কাজ করতে পারতেন না। পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিটি ছিলেন অধ্যাপক গোলাম আযম।

(লেজ - ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস থেকে যায়। তাও যদি ইতিহাস মুছে ফেলার জন্য প্রফেশনাল এক্সপার্ট হায়ার করতে চান, তাহলে পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের সাথে যোগাযোগ করুন।
Never ask a man his salary, a woman her age and Syeda Rizwana Hasan about what her father was doing during 1971 and how she and her team successfully erased that history.)

৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫
ঢাকা, বাংলাদেশ
(রিপোস্ট)

08/02/2026

পক্ষে গেলে হালাল বিপক্ষে গেলে হারাম। ゚viralシfypシ゚viralシalシ

08/02/2026

শেখ হাসিনা এত এত উন্নয়ন করেও ১৭ বছরে মাত্র ২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ করেছে। আর ড. ইউনুসের নেতৃত্বে সরকার কোন উন্নয়ন না করেও ২৩ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ঋণ করেছে। লুটপাটের বিশ্ব রেকর্ড ইউনুস সরকার ।

07/02/2026

হবিগঞ্জ-১ আসনের জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি সিরাজুল ইসলাম মিরপুরি।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka