Comilla Victorians Supporters Association

Comilla Victorians Supporters Association

Share

This page all about the Comilla Victorians fans. Follow this page for latest updates.

20/12/2019
10/12/2019

৭ দলের অধিনায়ক
কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স : দাসুন সানাকা
ঢাকা প্লাটুন : মাশরাফি বিন মর্তুজা
খুলনা টাইগার্স : মুশফিকুর রহীম
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স : মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
সিলেট থান্ডার্স : মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত
রাজশাহী রয়্যালস : আন্দ্রে রাসেল
রংপুর রেঞ্জার্স : মোহাম্মদ নবী

17/11/2019

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স: সৌম্য সরকার, আল-আমিন হোসেন, ইয়াসির আলী রাব্বি, সাব্বির রহমান, সানজামুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, সুমন খান, কুশল পেরেরা, মুজিব উর রহমান, ডেভিড মালান ও দাসুন শানাকা।

20/09/2019

নতুন বলের #নতুন_রাজা
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন😍😍😍

20/09/2019

শুভ জন্মদিন ভাইস্তা রশিদ খান।
২০ বছরের ঘর থেকে বের হয়ে ২১ বছরে পা রাখলা আজ(সত্যি কিনা জানি না)। 😂😂
সবাই তোমায় বয়স নিয়া ট্রল করে কিন্তু সবাই তো জানে না যে আফগানিস্তানে ৭৩০ দিনে ১ বছর হয়।

শুভ জন্মদিন😄

16/09/2019

এবারের বিপিএলে বিসিবি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি না রাখলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে না খেলার সম্ভাবনা বেশি শহীদ আফ্রিদির😢😢😢

15/09/2019

#৪উইকেট
#মোহাম্মদ_সাইফুদ্দিন😍😍
আফগান শিবেরে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ৪ উইকেট তোলে নিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্ছের মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন 😍😍😍

14/09/2019

বিপিএলের নাম পরিবর্তন করে "বঙ্গবন্ধু বিপিএল" রাখা হয়েছে। এই বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন? আপনার মূল্যবান মতামত মার্জিত ভাষায় কমেন্ট করে জানান। 😳😳

14/09/2019

এবারের বিপিএল খেলছেন না আফ্রিদি 😭😭😭

13/09/2019

আফিফ শেখালেন কীভাবে জিততে হয়😍

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েছেন আফিফ হোসেন

রানটা খুব বেশি না হলেও চ্যালেঞ্জিং। জিততে হলে ১৮ ওভারে করতে হবে ১৪৫। এ লক্ষ্যে ভালো শুরু করার পরেও শুরু হয়েছিল পতনের মিছিল। একপর্যায়ে ছিল হারের চোখ রাঙানি। কিন্তু ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ ভেবে রেখেছিলেন অন্য কিছু। আশ্চর্য পতন থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়। সে পথে ভীষণ চাপের মধ্যেও রানের গতি বাড়িয়ে পাল্টে দেন ম্যাচের মোড়।

তাতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের স্বস্তির জয় তুলে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা করতে পেরেছে বাংলাদেশ। আর হ্যাঁ, সেই তরুণটি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আটে ব্যাট করতে নামা আফিফ হোসেন।

শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। তৃতীয় ওভারে বিনা উইকেটে ২৬ রান তুলেছিলেন দুজন। কিন্তু ওই ওভার থেকেই পতনের শুরু। চাতারার করা এ ওভারের শেষ বলে বোল্ড হন লিটন। পরের ওভারে চার বলের ব্যবধানে ফিরে যান সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিম। বিনা উইকেটে ২৬ রান তোলা বাংলাদেশ মাত্র ১০ বলের ব্যবধানে ৪ উইকেটে ২৯! এরপর দ্রুতই ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির রহমানও।

বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু দশম ওভারের পঞ্চম বল থেকে। মাদজিভাকে চার মারেন আফিফ।শন উইলিয়ামসের করা ১১তম ওভারে ১৫ রান তুলে নেন এ তরুণ। পরের ওভারে রায়ার্ন বার্লের প্রথম দুই বলে টানা দুই ছক্কা মারেন মোসাদ্দেক। ১২তম ওভার শেষে ৩৬ বলে ৪৯ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। হাতে ৪ উইকেট।

সপ্তম উইকেটে ৪৭ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন আফিফ-মোসাদ্দেক। তাঁদের এ জুটিই জয় এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে। শেষ ১৮ বলে ২৮ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। ম্যাচ তখনো বেশ কঠিন ছিল। কারণ নিজেদের ইনিংসে জিম্বাবুয়ের পেসারদের বিপক্ষে খাবি খেয়েছেন ব্যাটসম্যানেরা। রান তো সেভাবে ওঠেইনি উল্টো পড়েছে উইকেট। আর শেষের এ তিন ওভার পেসারদের জন্য রেখে দিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

কাইল জার্ভিসের করা ১৬তম ওভার থেবে ১৩ রান তুলে নেন মোসাদ্দেক-আফিফ। এর মধ্যে শেষ দুই বলে উইকেটরক্ষকের দুই পাশ দিয়ে চোখ ধাঁধানো দুটি চার মারেন আফিফ। লক্ষ্যটা নেমে আসে ১২ বলে ১৫ রানে। ১৭তম ওভারে ফিফটি তুলে নেন আফিফ। ২৪ বলে তাঁর এ ফিফটি অনেক দিন মনে রাখবেন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি।

চাতারার করা ১৭তম ওভারে ১০ রান আসায় জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫ রান। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে আফিফকে তুলে নেন মাদজিভা। ১ ছক্কা ও ৮ চারে ২৬ বলে ৫২ রানের স্মরণীয় ইনিংসই খেললেন তিনি। আফিফ ফেরার পর ৪ বলে দরকার ছিল ৩ রান। সাইফউদ্দিন এর মধ্যে প্রথম ২ বলেই জয় নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের। অপর প্রান্তে ২৪ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক।

এর আগে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারে কোনো ব্যাটসম্যানই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। স্টাম্প ওপেন করে দিয়ে চাতারাকে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন (১৪ বলে ১৯)। এ সুযোগে ইয়র্কারে লিটনকে বোল্ড করেন চাতারা। সৌম্য শুরু থেকেই বেশ অস্থির ছিলেন। তারই খেসারত গুণে আউট হন তিনি। আগের ওভারেই উইকেট পড়েছে, তা ভুলে কাইল জার্ভিসকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন সৌম্য (৭ বলে ৪)। সবচেয়ে বড় আঘাতটা লেগেছে ওই ওভারের (চতুর্থ) চতুর্থ বলে। জার্ভিসের বাউন্সার সামলাতে না পেরে ক্যাচ দেন মুশফিক (১ বলে ০)। পঞ্চম ওভারে সাকিবকে (৩ বলে ১ রান) তুলে নেন চাতারা।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে বিপর্যয় মেরামতের চেষ্টা করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ ও সাব্বির। কিন্তু নবম ওভারে প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহকে (১৬ বলে ১৪ রান) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রায়ান বার্ল। পরের ওভারে সাব্বির রহমান ফেরায় হার চোখ রাঙাচ্ছিল বাংলাদেশকে। মাদজিভার করা ১০ম ওভারের তৃতীয় বলে স্লগ চালিয়ে স্কয়ার লেগ অঞ্চলে তুলে মেরেছিলেন সাব্বির। দৌড়ে এসে অবিশ্বাস্য ক্যাচে সাব্বিরকে (১৫ বলে ১৫ রান) তালুবন্দী করেন বার্ল। কিন্তু দুর্দান্ত এক জুটিতে বাংলাদেশকে স্বস্তির জয় এনে দিলেন আফিফ-মোসাদ্দেক।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Cumilla