05/07/2026
Amirabad Club
It is a Social,Welfare & Sports Club Organization for Amirabad Village and its help all Titas Upozela peoples.
05/07/2026
05/06/2026
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে শিক্ষিত মহলেও এত ভুল তথ্য প্রচলিত আছে যে, সত্যিটা যেন ইতিহাসের আড়ালে হারিয়ে গেছে। আপনি কি জানেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম কিভাবে পাকিস্তানের অংশ হলো? অথবা কেন খুলনা-সাতক্ষীরা বাংলাদেশে থাকলেও মুর্শিদাবাদ যায়নি? চলুন, ইতিহাসের সূত্র ধরে জেনে নেওয়া যাক ৭টি প্রচলিত অপপ্রচারের সঠিক জবাব।
অপপ্রচার-১: জিন্নাহর পূর্ব বাংলা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ছিল না, তাই কলকাতা ভারতের অংশ হয়ে যায়।
জবাব: তাহলে কি করে ৯৯% অমুসলিম পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) পাকিস্তানের অংশ হলো? দেশভাগের র্যাডক্লিফ লাইনের মূল প্রস্তাব অনুযায়ী এই তিন জেলা ছিল ভারতের ভাগে — চাকমা রাজপ্রাসাদে ভারতের পতাকাও ওড়ে। কিন্তু জিন্নাহ বুঝেছিলেন, এই তিন জেলা ভারতের হাতে গেলে চট্টগ্রাম বন্দর অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তাই তিনি পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলা ভারতকে ছেড়ে দেন এবং বিনিময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নেন। আজ সাজেক ভ্যালিতে ঘুরতে গেলে ফিরোজপুরের পাঞ্জাবি মুসলিমদের ত্যাগের কথা স্মরণ রাখবেন। উৎস: The Partition of India (Cyril Radcliffe Award, 1947) ও Jinnah: India-Partition-Independence (Jaswant Singh)।
অপপ্রচার-২: জিন্নাহ ইচ্ছাকৃতভাবে কলকাতাকে ভারতের হাতে ছেড়ে দেন যাতে লাহোর পাকিস্তানের অংশ হয়।
জবাব: কলকাতার তৎকালীন জনসংখ্যার ৭০% ছিল হিন্দু। ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ১৭ জন মেয়রের মধ্যে মাত্র ৪ জন মুসলিম ছিলেন — সেটাও হিন্দু ভোট বিভক্ত হওয়ার সুবাদে। অন্যদিকে লাহোর ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশভাগের মূলনীতি ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল পাকিস্তানে যাবে। তাই কলকাতা ভারতেই পড়ার কথা ছিল। জিন্নাহ নিজে গুজরাটি হলে, তার কাছে করাচি বা কলকাতা — উভয়ই সমান। তিনি কোনো ‘লাহোর প্রেমী’ ছিলেন না। উৎস: The Great Divide (H.V. Hodson) ও Bengal: The Partition of a Province (Joy Chatterjee)।
অপপ্রচার-৩: বাংলা বঞ্চিত হয়েছে — মুর্শিদাবাদ, মালদাহ পাইনি, এটা জিন্নাহর উদাসীনতার ফল।
জবাব: শুধু বাংলা নয়, পাঞ্জাবের অর্ধেকের বেশি যায় ভারতের দখলে। জিন্নাহ চেয়েছিলেন সম্পূর্ণ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ পাকিস্তানে যাক, কিন্তু কংগ্রেস ও ইংরেজরা বাংলা-পাঞ্জাব ভাগ করতে বাধ্য করে। জিন্নাহর হাতে সেনাবাহিনী ছিল না — তিনি আইনি পথে লড়েছেন। আর জানেন কি? খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট প্রথমে ভারতের ভাগে পড়েছিল। জিন্নাহ মুর্শিদাবাদের বদলে এই তিন জেলা নিয়ে নেন। এতে বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্রসীমা ও বন্দর হারাতো না। মালদাহ ভাগ হয়ে যায় — চাঁপাই নবাবগঞ্জ পায় পাকিস্তান। উৎস: The Transfer of Power in India (V.P. Menon) ও Partition of Bengal (A.K. Gupta)।
অপপ্রচার-৪: জিন্নাহ রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী — তাকে আরাকান পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়েছিল।
জবাব: জিন্নাহ ছিলেন ব্রিটিশ সংবিধানের অধীনে কাজ করা গণতান্ত্রিক নেতা, কোনো সশস্ত্র বিপ্লবী নন। আরাকান ছিল ব্রিটিশ বার্মার অংশ, ভারতের নয়। দেশভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত লর্ড মাউন্টব্যাটেন শুধু ভারতীয় উপমহাদেশের ভাগ করতে পারতেন — বার্মা তাঁর এখতিয়ারের বাইরে। অর্থাৎ আজকের ঢাকার ডিসি যেমন মানিকগঞ্জে মসজিদ করার অনুমতি দিতে পারেন না, তেমনি জিন্নাহর পক্ষে বার্মার ভুখণ্ড দাবি করা অসম্ভব ছিল। উৎস: The Burma-Bengal Border (Willem van Schendel) ও Jinnah: A Life (Stanley Wolpert)।
অপপ্রচার-৫: জিন্নাহ জোর করে উর্দু চাপিয়ে দিয়েছিলেন।
জবাব: জিন্নাহর পুরো ভাষণ পড়লে বা শুনলে বুঝবেন — তিনি বলেছিলেন, প্রতিটি প্রদেশের প্রাদেশিক ভাষা ঐ প্রদেশের জনপ্রতিনিধিরা ঠিক করবেন, কিন্তু কেন্দ্রের অফিসিয়াল ভাষা হবে উর্দু। ঠিক যেমন ভারতের কেন্দ্রে হিন্দি-ইংরেজি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বাংলা, তামিলনাড়ুতে তামিল। বাংলা, পাঞ্জাবি, সিন্ধি — সব প্রাদেশিক ভাষার মর্যাদা তিনি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। উর্দু বা ইংরেজি নিরপেক্ষ সেতুবাক্য হিসেবে প্রস্তাব করেন — একজাতির ওপর আরেকজাতির আধিপত্য এড়াতে। আর একই প্রস্তাব আপনার ‘প্রিয় রাঠও’ দিয়েছিলেন ভারতের জন্য। উৎস: Jinnah’s Speech to the Constituent Assembly of Pakistan, 11 August 1947।
অপপ্রচার-৬: জিন্নাহ নিজে উর্দু বলতেন, তাই তিনি উর্দু চাপিয়েছিলেন।
জবাব: জিন্নাহর মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি। তিনি উর্দু তেমন পারতেন না — তাঁর সরকারি ভাষা ছিল ইংরেজি। তাঁর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান (পাঞ্জাবি), শিক্ষামন্ত্রী ফজলুল হক (বাঙালি, আদি ঢাকাইয়া), ধর্মমন্ত্রী আবুল আসাদ (জার্মান ইহুদি) — কেউই উর্দুভাষী ছিলেন না। অর্থাৎ জিন্নাহ ‘উর্দু সাম্রাজ্যবাদী’ হওয়ার বদলে বরং বহুভাষিক ও সংখ্যালঘু-বান্ধব একটি কেন্দ্রীয় ভাষার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন। উৎস: Freedom at Midnight (Larry Collins & Dominique Lapierre) ও Jinnah: A Political Study (M.H. Sayeed)।
অপপ্রচার-৭: জিন্নাহ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে গুলি চালিয়েছিল।
জবাব: এটি ইতিহাসের সবচেয়ে অযৌক্তিক অপপ্রচার। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করেন ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ সালে। তিনি তিন বছর আগেই মারা গেছেন — ভাষা আন্দোলন ও ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে তিনি কীভাবে গুলি চালাবেন? এই ভুল তথ্য কেবল ইতিহাস বিকৃতির সামিল, যা হয় নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির মতো ‘ডার্বি খান’রা প্রচার করেন, অথবা কেউ বাংলাদেশের ইতিহাস খুলে দেখেননি। উৎস: The Death Certificate of M.A. Jinnah, 11 September 1948, ও The History of Bangladesh (Sirajul Islam)।
আপনার মতামত ও সূত্র
এই লেখার মূল উদ্দেশ্য তথ্যভিত্তিক ইতিহাস চর্চা। প্রতিটি তথ্য নিচের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ও দলিল থেকে সংগৃহীত:
Radcliffe Award, 1947 (Original Boundary Documents)
The Partition of India — Cyril Radcliffe
Jinnah: India-Partition-Independence — Jaswant Singh
The Great Divide — H.V. Hodson
Transfer of Power in India — V.P. Menon
Jinnah’s 11 August 1947 Speech (Constituent Assembly of Pakistan)
Freedom at Midnight — Collins & Lapierre
The History of Bangladesh (Vol. 1-2) — Sirajul Islam
M.A. Jinnah’s Death Certificate (11 September 1948, Karachi)
ইতিহাস একতরফা নয়। সত্য যত কঠিন হোক, তাকে মুখোমুখি হওয়াই মুক্তবুদ্ধির পরিচয়। আপনি কী মনে করেন? মন্তব্যে জানাতে পারেন।@পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে শিক্ষিত মহলেও এত ভুল তথ্য প্রচলিত আছে যে, সত্যিটা যেন ইতিহাসের আড়ালে হারিয়ে গেছে। আপনি কি জানেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম কিভাবে পাকিস্তানের অংশ হলো? অথবা কেন খুলনা-সাতক্ষীরা বাংলাদেশে থাকলেও মুর্শিদাবাদ যায়নি? চলুন, ইতিহাসের সূত্র ধরে জেনে নেওয়া যাক ৭টি প্রচলিত অপপ্রচারের সঠিক জবাব।
অপপ্রচার-১: জিন্নাহর পূর্ব বাংলা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ছিল না, তাই কলকাতা ভারতের অংশ হয়ে যায়।
জবাব: তাহলে কি করে ৯৯% অমুসলিম পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) পাকিস্তানের অংশ হলো? দেশভাগের র্যাডক্লিফ লাইনের মূল প্রস্তাব অনুযায়ী এই তিন জেলা ছিল ভারতের ভাগে — চাকমা রাজপ্রাসাদে ভারতের পতাকাও ওড়ে। কিন্তু জিন্নাহ বুঝেছিলেন, এই তিন জেলা ভারতের হাতে গেলে চট্টগ্রাম বন্দর অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তাই তিনি পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলা ভারতকে ছেড়ে দেন এবং বিনিময়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে নেন। আজ সাজেক ভ্যালিতে ঘুরতে গেলে ফিরোজপুরের পাঞ্জাবি মুসলিমদের ত্যাগের কথা স্মরণ রাখবেন। উৎস: The Partition of India (Cyril Radcliffe Award, 1947) ও Jinnah: India-Partition-Independence (Jaswant Singh)।
অপপ্রচার-২: জিন্নাহ ইচ্ছাকৃতভাবে কলকাতাকে ভারতের হাতে ছেড়ে দেন যাতে লাহোর পাকিস্তানের অংশ হয়।
জবাব: কলকাতার তৎকালীন জনসংখ্যার ৭০% ছিল হিন্দু। ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ১৭ জন মেয়রের মধ্যে মাত্র ৪ জন মুসলিম ছিলেন — সেটাও হিন্দু ভোট বিভক্ত হওয়ার সুবাদে। অন্যদিকে লাহোর ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশভাগের মূলনীতি ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল পাকিস্তানে যাবে। তাই কলকাতা ভারতেই পড়ার কথা ছিল। জিন্নাহ নিজে গুজরাটি হলে, তার কাছে করাচি বা কলকাতা — উভয়ই সমান। তিনি কোনো ‘লাহোর প্রেমী’ ছিলেন না। উৎস: The Great Divide (H.V. Hodson) ও Bengal: The Partition of a Province (Joy Chatterjee)।
অপপ্রচার-৩: বাংলা বঞ্চিত হয়েছে — মুর্শিদাবাদ, মালদাহ পাইনি, এটা জিন্নাহর উদাসীনতার ফল।
জবাব: শুধু বাংলা নয়, পাঞ্জাবের অর্ধেকের বেশি যায় ভারতের দখলে। জিন্নাহ চেয়েছিলেন সম্পূর্ণ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ পাকিস্তানে যাক, কিন্তু কংগ্রেস ও ইংরেজরা বাংলা-পাঞ্জাব ভাগ করতে বাধ্য করে। জিন্নাহর হাতে সেনাবাহিনী ছিল না — তিনি আইনি পথে লড়েছেন। আর জানেন কি? খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট প্রথমে ভারতের ভাগে পড়েছিল। জিন্নাহ মুর্শিদাবাদের বদলে এই তিন জেলা নিয়ে নেন। এতে বাংলাদেশ বিশাল সমুদ্রসীমা ও বন্দর হারাতো না। মালদাহ ভাগ হয়ে যায় — চাঁপাই নবাবগঞ্জ পায় পাকিস্তান। উৎস: The Transfer of Power in India (V.P. Menon) ও Partition of Bengal (A.K. Gupta)।
অপপ্রচার-৪: জিন্নাহ রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী — তাকে আরাকান পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়েছিল।
জবাব: জিন্নাহ ছিলেন ব্রিটিশ সংবিধানের অধীনে কাজ করা গণতান্ত্রিক নেতা, কোনো সশস্ত্র বিপ্লবী নন। আরাকান ছিল ব্রিটিশ বার্মার অংশ, ভারতের নয়। দেশভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত লর্ড মাউন্টব্যাটেন শুধু ভারতীয় উপমহাদেশের ভাগ করতে পারতেন — বার্মা তাঁর এখতিয়ারের বাইরে। অর্থাৎ আজকের ঢাকার ডিসি যেমন মানিকগঞ্জে মসজিদ করার অনুমতি দিতে পারেন না, তেমনি জিন্নাহর পক্ষে বার্মার ভুখণ্ড দাবি করা অসম্ভব ছিল। উৎস: The Burma-Bengal Border (Willem van Schendel) ও Jinnah: A Life (Stanley Wolpert)।
অপপ্রচার-৫: জিন্নাহ জোর করে উর্দু চাপিয়ে দিয়েছিলেন।
জবাব: জিন্নাহর পুরো ভাষণ পড়লে বা শুনলে বুঝবেন — তিনি বলেছিলেন, প্রতিটি প্রদেশের প্রাদেশিক ভাষা ঐ প্রদেশের জনপ্রতিনিধিরা ঠিক করবেন, কিন্তু কেন্দ্রের অফিসিয়াল ভাষা হবে উর্দু। ঠিক যেমন ভারতের কেন্দ্রে হিন্দি-ইংরেজি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বাংলা, তামিলনাড়ুতে তামিল। বাংলা, পাঞ্জাবি, সিন্ধি — সব প্রাদেশিক ভাষার মর্যাদা তিনি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। উর্দু বা ইংরেজি নিরপেক্ষ সেতুবাক্য হিসেবে প্রস্তাব করেন — একজাতির ওপর আরেকজাতির আধিপত্য এড়াতে। আর একই প্রস্তাব আপনার ‘প্রিয় রাঠও’ দিয়েছিলেন ভারতের জন্য। উৎস: Jinnah’s Speech to the Constituent Assembly of Pakistan, 11 August 1947।
অপপ্রচার-৬: জিন্নাহ নিজে উর্দু বলতেন, তাই তিনি উর্দু চাপিয়েছিলেন।
জবাব: জিন্নাহর মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি। তিনি উর্দু তেমন পারতেন না — তাঁর সরকারি ভাষা ছিল ইংরেজি। তাঁর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান (পাঞ্জাবি), শিক্ষামন্ত্রী ফজলুল হক (বাঙালি, আদি ঢাকাইয়া), ধর্মমন্ত্রী আবুল আসাদ (জার্মান ইহুদি) — কেউই উর্দুভাষী ছিলেন না। অর্থাৎ জিন্নাহ ‘উর্দু সাম্রাজ্যবাদী’ হওয়ার বদলে বরং বহুভাষিক ও সংখ্যালঘু-বান্ধব একটি কেন্দ্রীয় ভাষার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন। উৎস: Freedom at Midnight (Larry Collins & Dominique Lapierre) ও Jinnah: A Political Study (M.H. Sayeed)।
অপপ্রচার-৭: জিন্নাহ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে গুলি চালিয়েছিল।
জবাব: এটি ইতিহাসের সবচেয়ে অযৌক্তিক অপপ্রচার। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মৃত্যুবরণ করেন ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ সালে। তিনি তিন বছর আগেই মারা গেছেন — ভাষা আন্দোলন ও ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে তিনি কীভাবে গুলি চালাবেন? এই ভুল তথ্য কেবল ইতিহাস বিকৃতির সামিল, যা হয় নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির মতো ‘ডার্বি খান’রা প্রচার করেন, অথবা কেউ বাংলাদেশের ইতিহাস খুলে দেখেননি। উৎস: The Death Certificate of M.A. Jinnah, 11 September 1948, ও The History of Bangladesh (Sirajul Islam)।
আপনার মতামত ও সূত্র
এই লেখার মূল উদ্দেশ্য তথ্যভিত্তিক ইতিহাস চর্চা। প্রতিটি তথ্য নিচের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ও দলিল থেকে সংগৃহীত:
Radcliffe Award, 1947 (Original Boundary Documents)
The Partition of India — Cyril Radcliffe
Jinnah: India-Partition-Independence — Jaswant Singh
The Great Divide — H.V. Hodson
Transfer of Power in India — V.P. Menon
Jinnah’s 11 August 1947 Speech (Constituent Assembly of Pakistan)
Freedom at Midnight — Collins & Lapierre
The History of Bangladesh (Vol. 1-2) — Sirajul Islam
M.A. Jinnah’s Death Certificate (11 September 1948, Karachi)
ইতিহাস একতরফা নয়। সত্য যত কঠিন হোক, তাকে মুখোমুখি হওয়াই মুক্তবুদ্ধির পরিচয়। আপনি কী মনে করেন? মন্তব্যে জানাতে পারেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ যারা জনগণের ভোটে (কারচুপি বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন ছাড়া) নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
16/12/2025
আজকে,
১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ এর মহান বিজয় দিবস।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও তাদের রুমের মাগফিরাতের জন্য আমিরাবাদ ক্লাব এর পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ পাক এর কাছে দোয়া।
08/09/2025
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পুর্ব পাকিস্তান এর মানচিত্র
03/07/2025
ভালোবাসি বাংলাদেশ পার্টি'র পক্ষে কুমিল্লা ১ (দাউদকান্দি-তিতাস) সংসদীয় আসন থেকে ত্রোয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিমান প্রতীক এ প্রার্থী হবেন মোঃরবিউল ইসলাম। (০৩/০৭/২০২৫ দৈনিকনয়া দিগন্ত)
https://enayadiganta.com/date/2025-07-03/6
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Amirabad, Titas
Cumilla
3547
26/06/2025