মন যা চায় আঁকি আর কবিতা বলি❤️
#কবিতা #যাপারিতাইকরি
Homeschooling Journey with Azlan
আজলান ও তার ছোট্ট বন্ধুদের আনন্দের সাথে শেখার একটি জায়গা❤️
Azlan Hossain Rayan and his mom's dream place ❤️
02/06/2026
⭕কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।
ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।
বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ? ⁉️
আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।
সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।
যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।
ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।
এখনো কি তাই আছে?
আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?
রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?
স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?
আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?
এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।
ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,
মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।
জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।
চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।
কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।
কারণ, রুচি হয়নি।
উনার বাবা মা আমার পরিচিত।
সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!
আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।
আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।
মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।
দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।
একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?
এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,
এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।
শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।
আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।
আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,
ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।
মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।
হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,
এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।
সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।
কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,
বাপ মায়েরা শিখাইছিল,
আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,
কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।
আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?
কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।
যন্ত্রের কি আর কান আছে?
একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?
তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।
কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?
২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।
তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷
মায়া করতে শেখান।
কারণে ভালোবাসা শেখান।
অকারণেও ভালোবাসা শেখান।
একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।
নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।
একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,
ভালো থেকো ফুল,
মিষ্টি বকুল,
ভালো থেকে,
ভালো থেকে ধান,
ভাটিয়ালি গান,
ভালো থেকে,
ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
ভালো থেকো..........
এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।
এই পৃথিবী একটা আয়না।
এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।
ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।
ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।
ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,
এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।
ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।
কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,
কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া.......
লেখা: সাদিকুর রহমান
27/05/2026
আজলানের ঈদ প্রিপারেশন 💙💙💙
22/05/2026
⭕যে মানুষটা আপনাকে অপছন্দ করে, সে আপনার সন্তানকে ভালোবাসতে পারেনা। অসম্ভব! আপনাকে দেখতে না পারলেও আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসে এই ধারণা নিতান্তই ভুল!
খেয়াল করে দেখবেন আপনার বাচ্চারা তাদের থেকেই সর্বোচ্চ যত্ন পায় যারা আপনাকে তুমুলভাবে ভালোবাসে।✅
আমি আমার বাচ্চাকে সেই সমস্ত মানুষের থেকে নিরাপদ রাখতে চেষ্টা করি যারা আমাকে অপছন্দ করে। এমন না যে দূরে সরিয়ে রাখি,কথা বলতে দিইনা- তবে তাদের সামনে আমার নজর সবসময় আমার বাচ্চার উপরই থাকে। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি যেকেউ যেকোনো সময় আপনার উপরের রাগ নিষ্পাপ বাচ্চাটার উপর নিতে পারে। ইতিহাসও সেটাই বারবার প্রমাণ করে ।
হিংসায়,ঘৃনায়,প্রতিশোধ থেকে মানুষ যা খুশি তাই করতে পারে। তখন মনে থাকেনা এইটা আমার রক্ত, আমার বংশ কিংবা আমারই আত্মীয়। মনে থাকেনা যে এই বাচ্চাটার কোনো দোষ নেই। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষ নির্মম হয়ে যায় ।
নিজের বাচ্চাকে কারো কাছে একা ছাড়বেন না। আপনার বাচ্চার বিকাশের জন্য কারো কোলে উঠিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দিবেন না আল্লাহর ওয়াস্তে। এতে যদি ও ফার্মের মুরগীর মতো হয়,অসামাজিক হয় তবু বেঁচে তো থাক! ছেলে মেয়ে ব্যবধান নেই এখানে।
সামনে ঈদ, অনেকে অনেক জায়গায় বেড়াতে যাবেন, গ্রামে ঈদ করতে ছুটবেন, আত্মীয়ের সাথে মিলে যাবেন, পুরোনো সব রাগ অভিমান ভুলে আনন্দে মাতবেন । সবই করবেন কিন্তু নিজের সন্তানকে পানি, কুকুর এবং মানুষ থেকে সাবধানও রাখার চেষ্টা করবেন।
কারো কাছে একা ছাড়বেন না, কারো ঘরে একা পাঠাবেন না, কারো বাড়িতে রাত কাটাতে দিবেন না, যত আপন এবং পরিচিতই হোক তার সাথে ঈদে একা ঘুরতে দিবেন না।
আপনি আমি আমরা সবাই পাপী, আপনাকে মানুষ অপছন্দ করতেই পারে কিন্তু আপনার সন্তান নিষ্পাপ। এই মাসুমের যেন কোনো ক্ষতি কেউ না করতে পারে ইনশাআল্লাহ! কাউকে বিশ্বাস কইরেন না। যে আপনাকে অপছন্দ করে তাকে তো আরোই না।
পশু এবং মানুষে এখন কোনোই পার্থক্য নেই!
#আশফিকানওশিন
প্রচন্ড গরমের পর রাজশাহী শহরে এক পশলা বৃষ্টির দেখা🥰⛈️🌩️☔
21/05/2026
⭕রাগ করলা বাংলাদেশ পুলিশ!?সকল প্রমাণ থাকার পরও তোমরা অন্ধ!কথা ঠিক নাবেঠিক?আসামির অপরাধ সত্য প্রমানিত হলেও আপনারা তদন্তের নাটক করে করে আসামীকে করে রক্ষা করেন!কথা ঠিক না বেঠিক?সত্য কথা শুনে রাগ করলেন নাকি বাংলাদেশ পুলিশ!
⬇️একটা জনপ্রিয় স্ট্রিট ইন্টার্ভিউতে কিছু পুরুষকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো - Would you rather keep your daughter in a room alone with a bear or a man?"
অর্থাৎ - তুমি কি তোমার মেয়েকে একটা বন্ধ ঘরে একা একটা ভাল্লুকের সাথে রাখবে, নাকি একজন পুরুষের সাথে?
বেশিরভাগ পুরুষ উত্তর দিয়েছে - with a bear.
কারন হিসেবে তারা বলেছে- ভাল্লুকের সাথে থাকলে তার পেট ভরা থাকলে বেঁচে ফেরার একটা সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু একজন পুরুষ মানুষের সাথে থাকলে বেঁচে ফেরার কোনো চান্স নাই।💔
এবং পুরুষরা প্রতিদিনই এটা প্রমান করে যাচ্ছে।
আল্লাহ তালা আমাদের সন্তানদের প্রতি সহায় হোক।প্রতিটা ধর্ষনের ঘটনা এক একটি বাজে অভিজ্ঞতা হচ্ছে।ন্যায় বিচার কই?!
21/05/2026
19/05/2026
⭕আমাদের দেশের কিছু বাবা- মায়ের গুনাবলী:
১.পুত্র সন্তানকে চোখে হারায়।
২.মেয়ে সন্তান ছাড়া কিছু বুঝেনা।
৩.মেয়ে জামাইয়ের টাকার ওপর সম্মান। যার জামাই যত টাকাওয়ালা সেই মেয়ের কদর বেশি।
৪.ছেলের বউকে আদর যত্নের সাথে তার বাপের টাকার মেলবন্ধন।
৫.যে ছেলের আয়রোজগার বেশি সে তত ভালবাসার।
*৬.সব সন্তানকে এক চোখে দেখে ও ভালবাসে ❤️
৬নং বাবা-মা যার আছে রে ভাই কপালটা ধুয়েমুছে রাখেন আপনার চাইতে ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী আর কেউ নাই🌻
# আমি আর আমার দেখা বাবা মা!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |