07/09/2026
একজন মেয়ে বিয়ের পর নিজের পরিচিত ঘর, পরিবার, আপন মানুষ—সবকিছু ছেড়ে এসে স্বামীর ঘরকে নিজের ঘর করে নেয়।
বিয়ের পর তার খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে পোশাক-আশাক, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র—ছোট-বড় অনেক কিছুর দায়িত্বই স্বামীর ওপর এসে পড়ে।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমান সময়ে অনেক স্বামীই স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব বলতে শুধু খাবার আর মাথা গোঁজার জায়গাটুকুকেই বোঝেন।
স্ত্রীর একটা ভালো পোশাক প্রয়োজন—
ঘরের কোনো প্রয়োজনীয় জিনিস দরকার—
অনেকদিন ধরে ব্যবহার করা কোনো জিনিস বদলানো প্রয়োজন—
এসব চাহিদাকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না।
অথচ স্ত্রী খুব বেশি কিছু চায় না।
সে শুধু চায়, তার প্রয়োজনটুকু যেন তার মানুষটা বুঝতে চেষ্টা করে।
চায়, কিছু চাইতে গেলে যেন তাকে মনে না হয় সে কারও কাছে বোঝা হয়ে গেছে।
অনেক সময় একটা ছোট্ট প্রয়োজন পূরণ করে দেওয়াই একজন স্ত্রীর কাছে অনেক বড় ভালোবাসা হয়ে দাঁড়ায়।
এগুলো শুধু আমার মুখের কথা নয়—আমার নিজের চোখে দেখা বাস্তবতা।
সংসারে দায়িত্ব মানে শুধু দু’বেলা খাবার দেওয়া নয়।
স্ত্রীর প্রয়োজন, ইচ্ছা, সম্মান আর ছোট ছোট চাওয়াগুলোর প্রতিও যত্নশীল হওয়াই তো একজন স্বামীর দায়িত্বের অংশ। ❤️
এই কারণেই আমি মনে করি, প্রতিটি মেয়েরই নিজের একটা উপার্জনের পথ থাকা দরকার।
আমি বলছি না যে, তোমাকে হাজার হাজার টাকা আয় করতেই হবে, কিংবা সংসারের সব দায়িত্ব তোমাকেই নিতে হবে।
শুধু এতটুকু চেষ্টা করো—নিজের একান্ত প্রয়োজনের ছোটখাটো জিনিসের জন্য যেন সবসময় কারও মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে না হয়।
নিজের একটা আয় মানে স্বামীকে ছোট করা নয়,
সংসারের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নয়,
বরং নিজের আত্মসম্মান, আত্মবিশ্বাস আর নিজের প্রয়োজনের সময় নিজের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতা।
তাই মেয়েরা—
সংসার করো, পরিবারকে ভালোবাসো, স্বামীর ওপর ভরসা রাখো; কিন্তু নিজের পায়ের নিচের মাটিটুকুও শক্ত রাখো। ❤️
উপার্জনটা বড় না, নিজের সক্ষমতাটাই বড়।