31/08/2026
🚨🇦🇷 জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরের ঘোষণা! 💔
২০ বছরের ভালোবাসা, লড়াই, অশ্রু আর গৌরবের পর আর্জেন্টিনার জার্সিকে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি।
মেসি লিখেছেন:-
ফাইনালের পর থেকে এতটা সময় পেরিয়ে গেছে। অনেক ভেবেচিন্তে আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি…
এটা এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা নিতে গিয়ে আত্মা পর্যন্ত কেঁদেছে, আর এখনো কাঁদে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এটাই সেই সময়। আমি শপথ করে বলছি, আমি সবসময় সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। শুধু গত কয়েক বছর নয়, তারও অনেক আগে থেকেই। সবসময় এই জার্সির জন্য লড়েছি, নিজের সবটুকু দিয়েছি—আপনাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য, আর ফুটবলের মাধ্যমে যেন আপনারা আর্জেন্টাইন হওয়ার গর্ব অনুভব করেন, সেটা নিশ্চিত করার জন্য।
আর খুব বেশি সময় বাকি নেই, একের পর এক অধ্যায় শেষ হয়ে আসছে। আর এটা এমন একটি অধ্যায়, যেটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। আমি ভালোবাসি, ভালোবেসেছি এবং সারাজীবন ভালোবেসে যাব জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারাকে। আমি নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েছি, এখন আর দেওয়ার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। আর আমার পেছনে এমন কিছু দারুণ তরুণ খেলোয়াড়ও আসছে, যারা এই জায়গায় থাকার যোগ্য।
এই ২০ বছর ধরে আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। ভেতর থেকে আপনাদের সেই আওয়াজ শুনতে আমি ভীষণ মিস করব। এখন থেকে আমি আপনাদেরই একজন হয়ে যাব—বাইরে থেকে সবসময় সমর্থন করব, পাশে থাকব; ভালো সময়ে যেমন, খারাপ সময়ে তার চেয়েও বেশি।
সবসময় পাশে থাকার জন্য, এই সুন্দর অথচ কঠিন যাত্রায় আমার সঙ্গে থাকার জন্য আমার পরিবারকে ধন্যবাদ। যেসব কোচ, সতীর্থ এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে পথ চলার সুযোগ হয়েছে, প্রত্যেককে ধন্যবাদ। আমি সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছি অমলিন স্মৃতি আর এমন সব মুহূর্ত, যা কোনোদিন ভুলতে পারব না।
আমি এই শান্তি আর গর্ব নিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে, আমার সতীর্থদের সঙ্গে মিলে আপনাদের এমন কিছু স্বপ্নের মুহূর্ত উপহার দিতে পেরেছি, যেগুলো আমরা নিজেরাও স্বপ্ন দেখতাম। আপনাদের সঙ্গে এই সবকিছু বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতা ছিল এক পাগল করা অনুভূতি। আমি আপনাদের ভালোবাসি!
আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।
চলো আর্জেন্টিনা!
*এই কথাগুলো আমি ২১ জুলাই লিখেছিলাম, ফাইনালের দুই দিন পর। আজ, আমার বাবাকে নিয়ে যা ঘটেছে তার পর, আমি আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত।*
16/08/2026
ঐতিহাসিক জয়ের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে শান্ত।
16/08/2026
সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে টাইগাররা।
16/08/2026
ভারতীয় স্পিনার কুলদীপ যাদবের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫ উইকেট নেওয়া প্রথম সফরকারী স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।
16/08/2026
🔥অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ইতিহাস, মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে টাইগাররা, তাও আবার ১১টি সেশন ডমিনেট করে। বাংলাদেশকে ২৩ বছর টেস্ট খেলার জন্য আমন্ত্রণই জানায়নি অজিরা। যখন আমন্ত্রণ জানালো তখন বুঝলো টাইগারা যখন গর্জে উঠে তখন যে কোন মাঠে বিশ্বের যে কোন বড় দলকেই হারাতে পারে। ১-০ তে সিরিজ এগিয়ে টাইগাররা। ডারউইনে টাইগারদের জয়ের রোমাঞ্চ এখন ছড়াচ্ছে প্রতিটি ক্রিকেট ভক্তের হৃদয়ে।
08/08/2026
🇦🇷মেসিকে বো**মা মে-রে উড়িয়ে দেয়ার হু*মকি দেয়া হয়েছিলো!!🫢🚨 **বিশ্বকাপের ঝলমলে আয়োজনের আড়ালে ছিল ভ-য়ংকর এক অন্ধকার!**
মাঠে গোল, গ্যালারিতে উল্লাস সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ছিল উৎসবের রঙে রাঙানো। কিন্তু গোপন নিরাপত্তা প্রতিবেদনের তথ্য সামনে আসতেই জানা গেল, এই মহাযজ্ঞের সময় একাধিক তারকা ফুটবলার, কোচ ও রেফারি ছিলেন প্রাণ*না*শের হু*মকিতে।**
সবচেয়ে বেশি হু*মকির মুখে ছিলেন **লিওনেল মেসি**। তাঁকে লক্ষ্য করে বো**মা হা*মলার হু*মকি পর্যন্ত দেওয়া হয়। ডালাসে পুলিশকে ফোন করে এক ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তিনি ও তাঁর দুই সহযোগী বো***মা নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছেন। মেসিকে
হ-ত্যার হু*মকি ছড়িয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। এমনকি একটি ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামের ডাস্টবিনে বো**মা থাকার খবর পেয়ে পুরো ভেন্যুতে তল্লাশি চালাতে হয়।
**ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও** ছিলেন নিরাপত্তাঝুঁকিতে। তাঁর হোটেল সম্পর্কে সন্দেহজনকভাবে খোঁজ নেওয়া এক ব্যক্তিকে
গ্রে-প্তার করা হয়। কানাডায় এক ভক্ত লিফটে তাঁর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, আরেক ম্যাচে রোনালদোর জার্সি পরা এক দর্শক মাঠেই ঢুকে পড়েন।
মাঠের ভুলও হয়ে উঠেছিল প্রাণ না-শের কারণ। **এমবাপ্পে, সরলথ, ক্যাম্পাজ ও লুকাস দিনিয়ে** পেয়েছেন ভয়াবহ হু*মকি। প্রথম রাউন্ডে বিদায়ের পর **দক্ষিণ কোরিয়া দল ও কোচ হং মাইওং-বোকে** হ**ত্যার হু*মকি দেওয়া হয়।
তবে সবচেয়ে বেশি হু-মকি পেয়েছেন ফরাসি রেফারি **ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ার**। আর্জেন্টিনা–মিসর ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর তাঁর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে এসেছে প্রায় **৬ হাজার হু**মকিমূলক বার্তা**! ভিএআর রেফারি উইলি দেলাজোদও ছিলেন হু-মকির শিকার। পরিস্থিতি এতটাই গুরু-তর হয় যে তাঁদের বাড়ি ও পরিবারের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করতে হয়।
**অর্থাৎ, বিশ্বকাপ ঘিরে কতকিছুই না ঘটে গেলো। বের হচ্ছে সব ধিরে ধিরে!!!