20/07/2026
গতকালের ম্যাচে আমার মতে আর্জেন্টিনা খেলা শুরু হওয়ার আগেই হেরে যায় ডিউ টু দা পুর গেম প্লানিং অফ স্কালোনি। শুরু থেকেই মনে হয়েছে তিনি বিশ্বাসই করতেন না যে আর্জেন্টিনা ১২০ মিনিটে স্পেনকে হারাতে পারে। ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই দল যেন জয়ের জন্য নয়, পেনাল্টি শুটআউটের অপেক্ষায় খেলছিল। টুর্নামেন্টের শুরুতে বিশ্বের এক নম্বর দল হয়ে যদি স্পেনের বিপক্ষে নিজেকে মিনো ভেবে এত রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে নামতে হয়, তাহলে সেটি সত্যিই হতাশাজনক।
স্কোয়াডে নিকো পাজ, প্যালাসিওস, আলমাদা এবং বারকোর মতো ক্রিয়েটিভ ফুটবলার বেঞ্চে বসে ছিল। তবুও তিনি বারবার এম.এম.এ মাইন্ডসেটের খেলোয়াড়দেরই অগ্রাধিকার দিলেন; কেন? আমার বিশ্বাস, মেসির পর নিকো পাজই এমন একজন ছিলো, যে একটি অসাধারণ পাস দিয়ে স্পেনের শক্ত রক্ষণভাগ ভেঙে দিতে পারত। অথচ তাকে পর্যাপ্ত সময়ই দেওয়া হলো না।
স্কালোনির বদলিগুলোও ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি ছয়টি পরিবর্তন করেছেন, কিন্তু প্রতিটি পরিবর্তনই ছিল নিরাপদ ও রক্ষণাত্মক চিন্তার প্রতিফলন। কোথাও মনে হয়নি যে তিনি ১২০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ জিততে চান। বরং পুরো পরিকল্পনাই যেন পেনাল্টির দিকে নিয়ে যাওয়ার ছিল। একই ভুল আমরা থমাস টুখেলের দলকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে করতে দেখেছি।
২০২২ সালে স্কালোনি ছিলেন আর্জেন্টিনার নায়ক। কিন্তু ২০২৬ সালে তার কৌশল, সিদ্ধান্ত এবং মানসিকতা ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। একজন কোচের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নিজের দলকে বিশ্বাস করানো যে তারা জিততে পারে। কিন্তু গতকাল সেই বিশ্বাসের কোনো ছাপই দেখা যায়নি।
আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস, মেসির অবসরের পর আর্জেন্টিনাকে আবার বিশ্বকাপ জিততে হলে হয়তো অন্তত আরও দুই দশক অপেক্ষা করতে হতে পারে।