নিজের শান্তির জন্য
কিছু মানুষকে হারানোই ভালো।
সব সম্পর্ক ধরে রাখার দায়িত্ব আপনার নয়।
যে মানুষ বারবার কষ্ট দেয়,
সম্মান করে না,
শুধু প্রয়োজনের সময় খোঁজ নেয়
তাকে ছেড়ে দেওয়া স্বার্থপরতা নয়,
এটা নিজের মানসিক শান্তিকে বেছে নেওয়া।
কারণ Peace of Mind
যেকোনো Relationship-এর চেয়ে বেশি মূল্যবান।
– Move On
Move On
Relationship Coach | Psychology-informed
Move On is an emotional healing & relationship consultancy platform.
We provide 1:1 support for clarity, healing & healthier connections. Trusted by over 40,750+ people
📩 DM “MOVE” to book your session
04/08/2026
অনেক ছেলেই এমন একজন girlfriend-এর সাথে relationship-এ থাকে, যাকে সবাই খুব sweet, caring আর innocent মনে করে। Friends বলে, "তুই অনেক lucky।" Family ভাবে, "মেয়েটা তো অনেক ভালো।" Social media-তে দুজনকে দেখে সবাই perfect couple বলে। কিন্তু relationship-এর ভেতরে ধীরে ধীরে এমন কিছু pattern তৈরি হয়, যেগুলো একজন মানুষকে emotionally ভেঙে দিতে পারে। শুরুর সময়টা প্রায় সবসময়ই অসাধারণ হয়। অতিরিক্ত attention, সারাদিন call, Endless compliments, Future plan -"তুমিই আমার soulmate।" "তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।" Psychology-তে একে বলা হয় Love Bombing।
শুরুতেই এত বেশি affection দেওয়া হয় যে আপনি খুব দ্রুত emotionally attached হয়ে পড়েন। কিন্তু attachment তৈরি হওয়ার পর relationship-এর rules বদলাতে শুরু করে।
"ওই মেয়েটা কে?" "ওর post-এ react করলে কেন?" "তোমার female friend-এর সাথে এত কথা বলো কেন?" "আমার permission ছাড়া কোথাও যেও না।" "আমি ছাড়া তোমার priority আর কেউ হতে পারবে না।" আপনি ভাবছেন এটা হয়তো ভালোবাসা। আসলে এটা Possessiveness আর Control। এরপর শুরু হয় emotional guilt। আপনি বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে চান। সে বলবে "আমার জন্য তোমার সময় নেই।" "তুমি আগের মতো আমাকে ভালোবাসো না।" "আমি এত কিছু করি, আর তুমি এটুকুও পারো না?"
এটাকে Psychology-তে বলা হয় Emotional Guilt-Tripping। মানে, guilt create করে আপনার decision change করানো।
এরপর আসে comparison। "দেখো, ওর boyfriend কী করে।"
"তুমি কখনো enough না।" "তুমি বদলাতে পারো না?" ধীরে ধীরে আপনি নিজের value নিয়েই question করতে শুরু করেন। কখনো সে খুব caring। কখনো হঠাৎ completely cold। কখনো future plan। কখনো breakup-এর threat।আজ ভালোবাসা, কাল ignore, পরশু আবার "I miss you." এই pattern-কে বলা হয় Hot & Cold Behaviour বা Push-Pull Dynamic।
Neuroscience অনুযায়ী, unpredictable reward brain-এ Intermittent Reinforcement তৈরি করে। Brain certainty এর চেয়ে reward-এর অপেক্ষায় বেশি আটকে যায়। ফলে relationship যত painful হয়, emotionally বের হওয়া তত difficult হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় Silent Treatment।
ঘন্টার পর ঘন্টা reply নেই, দিনের পর দিন ignore, হঠাৎ block, আবার unblock করে এমনভাবে কথা বলা, যেন কিছুই হয়নি। এই silence-কে punishment হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
আপনি যখন জানতে চাইবেন কী হয়েছে? উত্তর আসবে "তুমি নিজেই বুঝে নাও।" এটা healthy communication না।
এটা emotional control। আপনি কোনো behaviour নিয়ে question করলেন। সে বলবে তুমি overreact করছো। সব তোমার imagination. তুমি আমাকে trust করো না। সব relationship-এই এমন হয়।
ধীরে ধীরে আপনি নিজের judgement-এর চেয়ে তার explanation-কে বেশি বিশ্বাস করতে শুরু করেন। কখনো সে নিজের ভুলও আপনার উপর চাপিয়ে দেয়। আমি রাগ করেছি তোমার জন্য। তুমি আমাকে এমন বানিয়ে দিয়েছ। সব দোষ তোমার। এটাকে বলা হয় Blame Shifting। আরও dangerous pattern হলো Victim Playing। ভুল সে করেছে।
কিন্তু শেষে আপনিই apology দেন। কারণ সে নিজেকে এমনভাবে victim হিসেবে উপস্থাপন করে, যেন সব কষ্ট শুধু তারই। কিছু toxic girlfriend বারবার relationship শেষ করার ভয় দেখায়। Breakup করে দিই? তুমি চাইলে আমি চলে যাই।
আমাকে হারালে বুঝবে। এই repeated breakup threat একজন মানুষকে fear-এর মধ্যে বাঁচতে শেখায়।
কিছু মানুষ আবার relationship-এ loyalty test নেয়। Fake account থেকে message। অন্য কাউকে দিয়ে test করানো। ইচ্ছে করে jealousy create করা। তারপর বলে "আমি শুধু দেখতে চেয়েছিলাম তুমি loyal কিনা।" এটা trust build করে না। Trust destroy করে। আবার অনেক সময় social media-কে weapon বানানো হয়। Story দিয়ে indirect attack। Status দিয়ে guilt দেওয়া। Online থাকলেও reply না দেওয়া। ইচ্ছে করে অন্য ছেলেদের attention দেখানো। এটাকে Psychology-তে Triangulation বলা হয়। মানে তৃতীয় কাউকে ব্যবহার করে insecurity তৈরি করা। ধীরে ধীরে relationship-এর মধ্যে আপনি বদলে যেতে শুরু করেন।
• সবসময় phone check করা।
• Reply late হলে panic হয়ে যাওয়া।
• Female colleague-এর সাথে কথা বলতে ভয় লাগা।
• তারপর নিজের hobby ছেড়ে দেন।
• Friends থেকে দূরে সরে যান।
• সবসময় apology দিতে থাকেন।
• নিজের opinion বলতে ভয় লাগে।
•Constant approval খুঁজতে থাকেন।
• নিজের value নিয়েই সন্দেহ করতে শুরু করেন।
Relationship-এ ধীরে ধীরে আপনার personality না, আপনার identity-টাই বদলে দিতে শুরু করে। Long-term effect হিসেবে দেখা দিতে পারে -
• Chronic Anxiety
• Emotional Dependency
• Hypervigilance
• Low Self-Worth
• Fear of Conflict
• Codependency
• Decision Paralysis
• Emotional Burnout
• Self-Doubt
• Trust Issues
• Depression-like Symptoms
• Learned Helplessness
সবচেয়ে painful বিষয় হলো সে হয়তো কখনো আপনাকে গায়ে হাত তুলবে না। হয়তো কখনো cheat-ও করবে না। তবুও relationship emotionally abusive হতে পারে। কারণ Psychology স্পষ্টভাবে বলে সব abuse চোখে দেখা যায় না।
কিছু মানুষ চিৎকার না করেও control করে। কিছু মানুষ মারধর না করেও আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়। কিছু মানুষ ভালোবাসার নাম ব্যবহার করেই emotional prison তৈরি করে। আপনি যদি অনুভব করেন relationship-এ থাকার। পরও, ধীরে ধীরে নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন যদি সবসময় guilt, fear, anxiety আর confusion-এর মধ্যে বাঁচেন।
তাহলে এটা শুধু relationship problem নয়। এটা আপনার mind, identity, confidence এবং future-এর উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। সবাই এই pattern চিনতে পারে না।
আর সবাই একা এটা handle করতেও পারে না। তাই প্রয়োজনে প্রফেশনাল গাইড অথবা কাউন্সিলিং নেওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ ভালোবাসা কখনো আপনার স্বাধীনতা, আত্মসম্মান বা মানসিক শান্তির বিনিময়ে হওয়া উচিত নয়।
— Move On
এই ৪টা habit কখনো ignore করবেন না:
Poor Communication | Lack of Accountability | Constant Criticism | Emotional Inconsistency
১. Poor Communication (দুর্বল যোগাযোগ)
Problem হলে কথা না বলে এড়িয়ে যাওয়া, reply না দেওয়া বা discussion বন্ধ করে দেওয়া এসব relationship-কে ধীরে ধীরে দুর্বল করে।
যেখানে communication বন্ধ হয়ে যায়, সেখানে misunderstanding জায়গা করে নেয়।
২. Lack of Accountability (দায়িত্ব না নেওয়া)
প্রতিটা ভুলের জন্য যদি situation, timing বা অন্য কাউকে blame করা হয়, তাহলে growth থেমে যায়।
Healthy relationship-এ "আমি ভুল করেছি" বলার সাহসও ভালোবাসার অংশ।
৩. Constant Criticism (সবসময় সমালোচনা করা)
Advice আর criticism এক জিনিস না।
যদি আপনার personality, choices বা efforts-কে বারবার ছোট করা হয়, তাহলে ধীরে ধীরে confidence কমতে শুরু করে।
Respect ছাড়া criticism শুধু আঘাতই দেয়।
৪. Emotional Inconsistency (অনুভূতির অস্থিরতা)
কখনো খুব caring, আবার হঠাৎ completely cold এই behaviour মানুষকে emotionally confused করে।
Love secure feel করায়, confused না।
মনে রাখবেন:
একটা relationship ভাঙতে সবসময় বড় কোনো কারণ লাগে না। কিছু ছোট behaviour বারবার repeat হলেই, সবচেয়ে শক্ত connection-ও দুর্বল হয়ে যায়।
— Move On
সব মানুষ কাঁদে না, কিছু মানুষ চুপ হয়ে যায়।
একটা সময় তারা সব কথা বলত।
কষ্ট পেলে বলত, রাগ হলে বলত, অভিমান হলেও জানাত।
তারপর ধীরে ধীরে তারা বুঝে যায় সব কথা বললেও সবাই শোনে না।
তখন মানুষ বদলে যায়।
মন খারাপ হলেও হাসে, কষ্ট পেলেও বলে “কিছু হয়নি”, ভেঙে পড়লেও বলে “আমি ঠিক আছি”।
অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সম্পর্কের সবচেয়ে বড় দূরত্বটা চিৎকার করে আসে না। এটা আসে নীরবে। যখন একজন মানুষ বারবার বোঝাতে বোঝাতে একসময় বোঝানো বন্ধ করে দেয়।
অনেক সম্পর্ক ঝগড়ায় ভাঙে না।
ভাঙে যখন একজন মানুষ নিজের অনুভূতিগুলো বুকের ভেতর জমিয়ে রাখতে রাখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
যখন সে আর অপেক্ষা করে না কেউ বুঝবে বলে।
“তুমি বুঝবে না”- এই ছোট্ট বাক্যটার পেছনে অনেক রাতের কান্না লুকিয়ে থাকে।
অনেক অপূর্ণ কথা, অনেক না-পাওয়া, অনেক অবহেলা।
আমরা প্রায়ই ভাবি, যে মানুষটা চুপ আছে সে ভালো আছে।
আসলে অনেক সময় সবচেয়ে বেশি কষ্টে থাকে সেই মানুষটাই, যে আর নিজের কষ্টের কথা কাউকে বলে না।
সম্পর্ক টিকে থাকে শুধু ভালোবাসায় নয়, মন খুলে কথা বলার নিরাপত্তায়। যেখানে বিচার নয়, বোঝার চেষ্টা থাকে। যেখানে “কী হয়েছে?” প্রশ্নটার ভেতর সত্যিকারের খোঁজ থাকে।
তাই প্রিয় মানুষটার নীরবতাকে অবহেলা করবেন না।
সে হয়তো দূরে সরে যায়নি, সে হয়তো শুধু অপেক্ষা করছে কেউ সত্যি করে জিজ্ঞেস করুক, “তোমার মনটা কি সত্যিই ভালো আছে?”
কারণ অনেক সময় মানুষ সম্পর্ক ছেড়ে যায় না,
শুধু চুপচাপ নিজের ভেতর থেকে সরে যেতে থাকে।
– Move On
02/08/2026
আজকে আবারও সেশন শেষে একটা প্রশ্ন আমাকে ভেতর থেকে নাড়া দিয়ে গেল। কেন এতগুলো মেয়ে বিয়ের পর ভালোবাসার অভাবে নয়, বরং নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলার কষ্টে ভেঙে পড়ছে?
প্রায় প্রতিদিনই এমন অনেকের সঙ্গে কথা হয়, যারা একসময় হাসিখুশি, প্রাণবন্ত আর স্বপ্নে ভরা মানুষ ছিলেন। বিয়ের দিনটা ছিল তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিনের একটি। নতুন সংসার, নতুন মানুষ, নতুন পরিচয় সবকিছু নিয়ে কত পরিকল্পনা! তারা ভেবেছিলেন, ধীরে ধীরে একজন মানুষের সঙ্গে এমন একটি সম্পর্ক গড়ে উঠবে, যেখানে নিরাপত্তা থাকবে, সম্মান থাকবে, আর থাকবে নিঃশর্ত ভালোবাসা। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন গল্প লিখে। অনেক পরিবারে বিয়ের পর নতুন একটি সম্পর্ককে বেড়ে ওঠার সুযোগই দেওয়া হয় না। স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মতো করে একে অপরকে বোঝার আগেই সেই সম্পর্কের মাঝখানে ঢুকে পড়ে অযাচিত মতামত, নিয়ন্ত্রণ, তুলনা, অভিযোগ আর অদৃশ্য ক্ষমতার লড়াই।
দুঃখজনক হলেও সত্যি, কিছু শাশুড়ি ছেলের বিয়েকে নতুন একটি পরিবারের শুরু হিসেবে না দেখে নিজের অবস্থান হারানোর আশঙ্কা হিসেবে দেখতে শুরু করেন। সেই ভয় থেকেই কখনো সচেতনভাবে, কখনো অচেতনভাবেই শুরু হয় সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা। বউমা কী পরবে, কার সঙ্গে কথা বলবে, কখন বাবার বাড়ি যাবে, স্বামীর সঙ্গে কোথায় যাবে, সংসারের সিদ্ধান্তে কতটুকু মতামত দেবে প্রায় প্রতিটি বিষয়েই শুরু হয় অযাচিত হস্তক্ষেপ। প্রতিটি ছোট মন্তব্য হয়তো আলাদা করে খুব বড় কিছু মনে হয় না, কিন্তু প্রতিদিনের সেই ছোট ছোট আঘাত একসময় একজন মানুষের আত্মসম্মানকে ভেঙে দেয়। আর সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েন সেই নারীরা, যারা শান্ত স্বভাবের। যারা চিৎকার করে নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারেন না। যারা ঝগড়া করতে চান না। যারা মনে করেন, "চুপ থাকলেই হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।"
কিন্তু মানসিক নির্যাতনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি বাইরে থেকে খুব কমই দেখা যায়। একজন মানুষ প্রতিদিন হাসছেন, রান্না করছেন, অতিথিদের সামনে স্বাভাবিক আচরণ করছেন তাই বলে তিনি ভালো আছেন, এমনটা ধরে নেওয়া খুব বড় ভুল।
অনেক সময় একই মানুষ সবার সামনে আদর করে কথা বলেন, অথচ দরজা বন্ধ হওয়ার পর এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করেন, যা কোনো মানুষের আত্মবিশ্বাসকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। প্রকাশ্য অপমানের থেকেও ভয়ংকর হলো সেই নীরব অপমান, যা প্রতিদিন একটু একটু করে একজন মানুষকে বিশ্বাস করিয়ে দেয় -"তুমি যথেষ্ট নও।" এই জায়গায় একজন স্বামীর ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যখন তিনি সবকিছু দেখেও নীরব থাকেন, কিংবা বিষয়টিকে "মা তো এমনই" বলে এড়িয়ে যান, তখন সেই নীরবতা শুধু একটি বাক্য থাকে না; সেটি একজন স্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা হারানোর অনুভূতিতে পরিণত হয়।
সেখান থেকেই শুরু হয় মানসিক দূরত্ব।
তারপর একসময় সেই দূরত্ব Anxiety হয়ে আসে।
কখনো Depression হয়ে আসে।
কখনো Panic Attack হয়ে আসে।
আবার কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে শরীরও মনের যন্ত্রণার ভাষা বলতে শুরু করে। সেশনে আমরা শুধু একজন মানুষকে দেখি না। আমরা দেখি বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা অবহেলা, অসম্মান, ভয়, একাকীত্ব আর ভেঙে যাওয়া আত্মসম্মানের ইতিহাস। অবশ্যই, সব শাশুড়ি এমন নন। অনেক শাশুড়ি আছেন, যাদের কারণে একটি মেয়ে নতুন সংসারকে সত্যিই নিজের বাড়ি মনে করতে শেখে। তারা সম্পর্ক ভাঙেন না, সম্পর্ক জোড়া লাগান। তাদের উপস্থিতিই একটি পরিবারকে নিরাপদ করে তোলে। কিন্তু যেসব পরিবারে ভালোবাসার নামে নিয়ন্ত্রণ, অভিভাবকত্বের নামে আধিপত্য, আর অভিজ্ঞতার নামে অপমানকে স্বাভাবিক করে তোলা হয় সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত শুধু একজন বউমা হন না। একজন ছেলে ধীরে ধীরে দুই সম্পর্কের মাঝখানে হারিয়ে যায়। একটি দাম্পত্য সম্পর্ক নিরাপত্তা হারায়।
আর একটি পুরো পরিবার Emotional Distance-এর মধ্যে বেঁচে থাকতে শেখে। আমার মনে হয়, একজন মা যদি সত্যিই ছেলের সুখ চান, তাহলে ছেলেকে নিজের কাছেই আটকে রাখার চেষ্টা নয়; বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা উচিত, যেখানে ছেলে এবং তার স্ত্রী দুজনেই সম্মান, স্বাধীনতা ও মানসিক নিরাপত্তা নিয়ে বাঁচতে পারে। কারণ ভালোবাসা কখনো কারও স্বাধীনতা কেড়ে নেয় না। ভালোবাসা নিরাপদ জায়গা তৈরি করে। আর সুস্থ পরিবার কখনো নিয়ন্ত্রণের ওপর দাঁড়ায় না। সুস্থ পরিবার দাঁড়ায় Respect, Healthy Boundaries, Trust এবং Emotional Safety-এর ওপর।
তাই আজ একটি প্রশ্ন রেখে শেষ করছি -
যখন একটি মেয়ে বিয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই নিজের হাসি, আত্মবিশ্বাস, মানসিক শান্তি আর বেঁচে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে তখন আমরা কি শুধু তার মানসিক অবস্থার চিকিৎসা করব, নাকি সেই পারিবারিক পরিবেশটাকেও প্রশ্ন করব, যেখান থেকে এই ক্ষতগুলোর শুরু?
— Sahidul Islam | Consultant
from Move On 💙
কিছু মানুষ আপনাকে নিজেরও করবে না,
আবার অন্য কারো হতেও দিবে না।
তারা সম্পর্কের Responsibility নিতে চায় না,
আবার আপনার ওপর নিজের অধিকারটাও ছাড়তে চায় না।
আপনি Move On করতে চাইলে,
অথবা নতুন করে জীবন শুরু করতে চাইলে,
হঠাৎ আবার ফিরে আসে।
কিছু Message,
কিছু Care,
কিছু Promise,
আর কিছু মিথ্যা আশায়
আবার আপনাকে সেই একই জায়গায় আটকে রাখে।
কারণ তারা আপনাকে ভালোবাসার জন্য ধরে রাখে না,
তারা ধরে রাখে এই নিশ্চয়তায়
আপনি এখনও তাদের জন্য অপেক্ষা করবেন।
কিন্তু সত্যি হলো, যে মানুষ আপনাকে বারবার Confusion
দেয়, সে কখনোই আপনাকে Security দিতে পারবে না।
মনে রাখবেন,
যে মানুষ আপনাকে Choose করতে পারে না,
সে আপনাকে হারানোর ভয়ও সত্যিকার অর্থে পায় না।
আর যে মানুষ আপনাকে হারানোর ভয় পায় না,
সে কখনোই আপনাকে পাওয়ার Responsibility নেবে না।
ভালোবাসা কখনো কাউকে আটকে রাখে না।
ভালোবাসা মানে
Responsibility নেওয়া।
Clarity দেওয়া।
Commitment রাখা।
আর প্রতিদিন নিজের কাজ দিয়ে প্রমাণ করা,
"আমি তোমাকেই বেছে নিয়েছি।"
— Move On
02/08/2026
Happy Friendship Day 💙
সব বন্ধু, বন্ধু হয় না।
কিছু মানুষ Friendship-এর নামে শুধু প্রয়োজন শেষ হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকে। আবার কিছু মানুষ Relationship শেষ হওয়ার পরও একজন সত্যিকারের বন্ধুর মতো আপনার Healing Journey-তে নীরবে পাশে থাকে।
আজ Friendship Day-তে তাদেরই মূল্য দিন যারা আপনার Pain নয়, আপনার Peace-কে Protect করে।
মনে রাখবেন, সবচেয়ে বড় Betrayal অনেক সময় শত্রুর কাছ থেকে নয়, ভুল মানুষকে বন্ধু ভাবার কারণেই আসে।
তাই Friend Choose করার আগে মানুষের আচরণ, মূল্যবোধ এবং ধারাবাহিকতা ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। যে মানুষ শুধু নিজের প্রয়োজনেই আপনাকে খোঁজে, সে বন্ধু নয় সে শুধু আপনাকে Use করছে।
সবসময় এমন মানুষকে জীবনে রাখার চেষ্টা করুন, যারা আপনাকে ছোট করে না; বরং আপনার Growth, Mental Peace এবং Happiness-কে Support করে।
কারণ, Your Surroundings Shape Your Mindset. আপনি যাদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান, ধীরে ধীরে তাদের চিন্তাভাবনা, অভ্যাস এবং মানসিকতার প্রভাবই আপনার জীবনেও পড়ে।
তাই Toxic মানুষের চেয়ে কম মানুষ থাকুক, কিন্তু Healthy, Honest এবং Positive মানুষ থাকুক।
Choose your circle wisely. Your future depends on it.
— Move On
01/08/2026
"Love or Loyalty"
Consistency.
– Move On
Red Flag – সব Attachment ভালোবাসা নয়।
কখনো কখনো আপনি মানুষটাকে নয়, তার দেওয়া attention, validation, আর পুরোনো স্মৃতিকেই ধরে রাখেন।
তাই ছেড়ে দেওয়া এত কঠিন মনে হয়।
মনোবিজ্ঞানে একে Emotional Dependency বলা হয়।
কারণ, Healing শুরু হয় তখনই, যখন আপনি মানুষ আর অভ্যাস দুটোর পার্থক্য বুঝতে শেখেন।
– Move On
Reality Check ⚠️
সব হারানো মানুষকে ফিরে পাওয়ার প্রয়োজন হয় না।
কিছু মানুষ আপনার জীবনে এসেছিল ভালোবাসা শেখাতে নয়, বরং একটা Lesson শেখাতে।
আপনি যত বেশি তাদের Acceptance খুঁজবেন, তত বেশি নিজের Value ভুলে যাবেন।
একটা সময় আসে, যখন বুঝতে পারবেন
Closure সবসময় অন্য মানুষের কাছ থেকে আসে না।
অনেক সময় Closure আসে নিজের Decision থেকে।
যেদিন আপনি কাউকে পরিবর্তন করার চেষ্টা বন্ধ করে নিজের জীবন গড়ার দিকে মনোযোগ দেবেন,
সেদিন থেকেই Healing শুরু হবে।
যে মানুষ আপনাকে বারবার কষ্ট দিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারে,
সে আপনার ভবিষ্যতের অংশ হওয়ার যোগ্য নয়।
Remember, Peace is always more valuable than forced love.
– Sahidul Islam | Consultant
from Move On
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1212