Saiful Lanju

Saiful Lanju

Share

Saiful Lanju is a Corporate Growth Trainer, Leadership & Life Coach, Business Consultant, Pearson certified career counsellor, Author.

I am Saiful Islam Lanju working for inspiring people for potential developments, Bangladeshi young entrepreneur and motivated to earth community of global village from the early years I started to speaking for potential development of human brain and mind and how to use their brain more and more by practicing, training their brain in a monk method how to become successful, become healthier happier

12/07/2026

নিজের চিন্তাকে প্রশ্ন করতে শেখাই হলো Bias থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম ধাপ। কারণ বাস্তবতা সব সময় আমাদের মনের গল্পের মতো হয় না। সচেতনভাবে চিন্তা করলে আমরা আরও যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারি, ভুল কমাতে পারি এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে আরও ভালো ফল অর্জন করতে পারি।

ধরুন, কেউ একবার ব্যর্থ হয়েছে। এরপর সে বিশ্বাস করতে শুরু করল যে সে কোনো কাজেই ভালো নয়। আবার কেউ শুধু নিজের মতের সঙ্গে মিলে এমন তথ্যই গ্রহণ করে, বিপরীত তথ্যগুলো এড়িয়ে যায়। এসবই Cognitive Bias-এর উদাহরণ। এগুলো আমাদের বিচার-বিবেচনা, সম্পর্ক, ক্যারিয়ার এমনকি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকেও প্রভাবিত করে।

একদিন দুই বন্ধু একই ইন্টারভিউ দিতে গেল। দুজনেরই যোগ্যতা প্রায় সমান। ইন্টারভিউ শেষে একজন বলল, "আমার তো মনে হয় আমি খুব খারাপ করেছি।" অন্যজন বলল, "আমার মনে হয় ওরা আমাকে পছন্দ করেছে।" কয়েক দিন পরে ফলাফল প্রকাশ হলো। অবাক করার মতো বিষয়—দুজনই নির্বাচিত হয়েছে। তাহলে পার্থক্যটা কোথায় ছিল?
পার্থক্য ছিল তাদের মস্তিষ্কের ভেতরে, বাস্তবতায় নয়।

আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিদিন হাজারো তথ্য প্রক্রিয়া করে। কিন্তু সব তথ্যকে নিরপেক্ষভাবে দেখে না। বরং অতীতের অভিজ্ঞতা, ভয়, আবেগ, বিশ্বাস এবং অনুমানের ওপর ভিত্তি করে শর্টকাট তৈরি করে। এই মানসিক শর্টকাটগুলোকেই বলা হয় Cognitive Bias.

যখন আমরা শুধু নিজের বিশ্বাসকে সমর্থন করে এমন তথ্য খুঁজি, তখন সেটা Confirmation Bias। যখন একটি ব্যর্থতাকে পুরো জীবনের ব্যর্থতা মনে করি, তখন সেটা Overgeneralization। আবার যখন মনে করি সবাই আমাদের নিয়েই ভাবছে বা বিচার করছে, তখন সেটা Spotlight Effect।






11/07/2026

রাফি ছোটবেলা থেকেই বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখত। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল তার বাস্তবতার চেয়ে অনেক বড়। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। পড়াশোনার পাশাপাশি তাকে ছোটখাটো কাজ করতে হতো। তবুও সে বিশ্বাস করত, একদিন নিজের পরিশ্রম দিয়েই নিজের পরিচয় তৈরি করবে।

যখনই সে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করত, আশেপাশের অনেকেই হাসত। কেউ বলত, "এসব করে কোনো লাভ হবে না।" কেউ বলত, "তোমার মতো মানুষের বড় স্বপ্ন মানায় না।" আবার কেউ সরাসরি উপহাস করে বলত, "আগে নিজের অবস্থা বদলাও, তারপর বড় বড় কথা বলো।"

প্রথম দিকে কথাগুলো রাফির খুব কষ্ট লাগত। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সে বারবার ভাবত, "তারা কি সত্যিই ঠিক বলছে? আমি কি পারব না?" কিন্তু প্রতিবারই সে নিজেকে একটি কথাই বলত, "আজ যদি হাল ছেড়ে দিই, তাহলে তাদের কথাই সত্যি হয়ে যাবে।"

এরপর সে সিদ্ধান্ত নিল, আর কারও সঙ্গে তর্ক করবে না। কাউকে কিছু প্রমাণ করার চেষ্টাও করবে না। সে শুধু নিজের কাজে মন দিল। প্রতিদিন একটু একটু করে নতুন কিছু শিখল, নিজের দক্ষতা বাড়াল, ভুল থেকে শিক্ষা নিল এবং ব্যর্থতাকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহণ করল।

মাস পেরিয়ে বছর এল। যে মানুষগুলো একসময় তাকে নিয়ে হাসত, তারা দেখল রাফির জীবন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। ছোট একটি উদ্যোগ বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মানুষ তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় তাকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। একদিন একটি অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা দেওয়া হলো। মঞ্চে উঠতেই পুরো হলঘর করতালিতে মুখর হয়ে উঠল।

সামনের সারিতে বসে থাকা কয়েকটি পরিচিত মুখের দিকে তাকিয়ে রাফি মৃদু হেসে ফেলল। এরা সেই মানুষ, যারা একদিন তার স্বপ্নকে উপহাস করেছিল। আজ তারাই দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে একজন এগিয়ে এসে বলল, "ভাই, আমরা তো ভাবতেই পারিনি আপনি এত দূর যাবেন।"

রাফি শান্তভাবে উত্তর দিল,
"আপনাদের উপহাস আমাকে থামাতে পারেনি। বরং প্রতিটি কথা আমাকে আরও শক্ত হতে শিখিয়েছে। আমি কাউকে ভুল প্রমাণ করার জন্য কাজ করিনি; আমি কাজ করেছি নিজের স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য।"

সেদিন রাফি বুঝেছিল, মানুষের কথার উত্তর কথায় দিতে হয় না। সময়, ধৈর্য আর পরিশ্রমই সবচেয়ে শক্তিশালী উত্তর। কারণ মানুষ আপনার সংগ্রামের সময় আপনাকে নিয়ে হাসতে পারে, কিন্তু আপনার সাফল্যের দিন সেই মানুষগুলোর হাতই সবার আগে করতালিতে ভরে ওঠে।

তাই মনে রাখবেন—আজকের উপহাস, আগামী দিনের করতালিতে বদলে যেতে পারে। শর্ত একটাই, আপনি যেন পথের মাঝখানে থেমে না যান।









゚viralシ

10/07/2026

উত্তর কানাডার ইউকন অঞ্চলের প্রচণ্ড শীত। চারদিকে শুধু বরফে ঢাকা পাহাড়, জমে যাওয়া নদী আর নিস্তব্ধতা। একজন নামহীন ভ্রমণকারী একাই যাত্রা শুরু করে। তার সঙ্গে ছিল শুধু একটি বিশ্বস্ত কুকুর।

একজন বৃদ্ধ তাকে আগেই সতর্ক করেছিলেন—মাইনাস ৫০ ডিগ্রির নিচে কখনো একা পথে বের হওয়া উচিত নয়। কিন্তু লোকটি নিজের আত্মবিশ্বাসে এতটাই অন্ধ ছিল যে সে সেই পরামর্শকে গুরুত্ব দেয়নি।
পথে হাঁটতে হাঁটতে সে বুঝতে পারে না যে বরফের নিচে কোথাও কোথাও পানির স্রোত বইছে। হঠাৎ তার পা বরফ ভেঙে পানিতে ডুবে যায়। প্রচণ্ড ঠান্ডায় ভেজা জুতা জমে বরফ হয়ে যায়। সে জানে, এখনই আগুন জ্বালাতে না পারলে মৃত্যু নিশ্চিত।

বরফঝড়, তীব্র ঠান্ডা আর অজানা ভয় তাকে বারবার থামাতে চাইল। অনেকবার সে ভেবেছিল ফিরে যাবে। কিন্তু প্রতিবারই নিজের মনকে বলত, "আর এক কদম সামনে।

দিনের পর দিন পথ চলার পর এক সকালে সে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছাল। সূর্যের প্রথম আলো বরফে পড়ে চারপাশকে সোনালি করে তুলেছিল। আর পাহাড়ের ওপারে যা দেখল, তা তার কল্পনারও বাইরে।

সেখানে ছিল সবুজ উপত্যকা, স্বচ্ছ নদী, রঙিন ফুল আর এমন এক শান্তি, যা সে কখনো অনুভব করেনি। তখন সে বুঝল, পাহাড়ের ওপারে নতুন পৃথিবী নয়—নতুন নিজেকেই খুঁজে পেয়েছে।

গ্রামে ফিরে এসে সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল, — "ওপারে কী আছে?

হেসে শুধু বলল,

ওপারে কোনো জাদুর রাজ্য নেই। আছে সাহসের পুরস্কার। যে নিজের ভয়কে জয় করতে পারে, সে-ই নতুন পৃথিবী খুঁজে পায় .

#নিজেকেখুঁজেপাও #আত্মউন্নয়ন #অনুপ্রেরণা #সফলতা #ভালথাকা #জীবনেরপথ #ইতিবাচকচিন্তা #বাংলাপোস্ট

09/07/2026

মানুষ অলস বা বোকা হওয়ার কারণে ব্যর্থ হয় না, বরং মূল সমস্যা হলো মনোযোগ বা ফোকাসের অভাব।

​আমরা জীবনে যে বিষয়টির ওপর বেশি নজর বা ফোকাস দেব, আমাদের জীবনে ঠিক সেই জিনিসটাই বড় হয়ে দেখা দেবে।

​কাজের মাঝখানে মাত্র ২ মিনিটের মনোযোগ বিচ্যুতি বা ডিস্ট্রাকশন আপনার ফোকাসের মোমেন্টামে ফিরে আসতে আরও ২৫ মিনিট সময় নষ্ট করে দিতে পারে।

​যখন মানুষের জীবনে সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য বা ভিশন থাকে না, তখনই সে আস্তে আস্তে অলস হয়ে পড়ে।

​টাকার পেছনে অন্ধ হয়ে না ছুটে নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে। আপনি যোগ্য হলে টাকা এমনিতেই আপনার কাছে আসবে।

ফোকাস মানে শুধু মনোযোগ দেওয়া নয়, বরং এটি হলো একটি সঠিক সিদ্ধান্ত—যে আপনি আপনার মূল্যবান সময় ও মনোযোগ কোথায় দেবেন আর কোথায় দেবেন না।

​বাঘ যখন কোনো শিকারকে লক্ষ্য করে, তখন সামনে অন্য কোনো বড় সুযোগ এলেও সে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় না। সফল হতে হলে আমাদের লক্ষ্যও এমন দৃঢ় হওয়া চাই।

​সৃষ্টিকর্তা মানুষের ইচ্ছা পূরণ করেন, কিন্তু মানুষ নিজেই বারবার তার ইচ্ছা ও লক্ষ্য পরিবর্তন করে ফেলে।

​পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধ হলো নিজের ভেতরের যুদ্ধ বা 'ইনার ব্যাটেল'।

​অন্য কাউকে পরিবর্তন করার চেষ্টা না করে নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে। আপনি নিজে বদলে গেলে আপনার চারপাশের পৃথিবীটাও বদলে যাবে।

​ফোকাস মানে সারাদিন শুধু প্রচুর কাজ করা নয়, বরং ফোকাস হলো এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সঠিক কাজটা করা।

​মানুষ তার যোগ্যতার বাইরে এক টাকাও বেশি আয় করতে পারে না, আর এই যোগ্যতা বৃদ্ধির একমাত্র উপায় হলো প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখা। at





#

08/07/2026

Is there anyone in this community who is expert on "cpanet email to google workspace migration"
Please knock me!

07/07/2026

রাশেদ যখন প্রথম চাকরিটা পেল, তার প্রথম বেতন ছিল মাত্র ১৮ হাজার টাকা। বেতন হাতে পাওয়ার দিনটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন। সে ভাবল, "আর একটু বেশি বেতন পেলেই জীবনটা বদলে যাবে।" এক বছর পর চাকরি বদলে বেতন হলো ৩৫ হাজার, তারপর ৬০ হাজার, ৯০ হাজার, এক লাখ—বেতন যেমন বাড়তে লাগল, তেমনি বাড়তে লাগল তার চাহিদাও। নতুন ফোন, বড় বাসা, দামি গাড়ি, ব্র্যান্ডেড পোশাক আর অন্যদের কাছে নিজের অবস্থান প্রমাণ করার প্রতিযোগিতায় সে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ল যে মাসের শেষে তার হাতে কিছুই থাকত না। ধীরে ধীরে সে বুঝতেই পারল না, সে আর বেতনের জন্য কাজ করছে না; বরং বেতনই তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। একদিন তার ছোট ছেলে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, তুমি টাকা কামানোর জন্য বাঁচো, নাকি আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য?" প্রশ্নটা শুনে রাশেদ নির্বাক হয়ে গেল। সেদিন সে উপলব্ধি করল, যেটাকে সে এতদিন সফলতা ভেবেছিল, সেটাই আসলে তার সময়, স্বাধীনতা, সম্পর্ক আর স্বপ্নকে ধীরে ধীরে কেড়ে নিচ্ছে। ড্রাগ যেমন প্রথমে সাময়িক স্বস্তি দেয়, তারপর মানুষকে আসক্ত করে ফেলে, Salary-ও অনেক সময় ঠিক তেমনই কাজ করে। প্রথম বেতন আনন্দ দেয়, পরের বেতন প্রত্যাশা বাড়ায়, তারপর শুরু হয় তুলনা, এরপর আসে লোভ, আর একসময় মানুষ এমন এক দৌড়ে নেমে পড়ে যার কোনো ফিনিশ লাইন নেই। এখানে ভুল বেতনে নয়; ভুল তখনই হয়, যখন Salary আমাদের লক্ষ্য হয়ে যায়, মাধ্যম নয়। যেদিন আপনার প্রতিটি সিদ্ধান্ত শুধু মাসের শেষে কত টাকা আসবে তার ওপর নির্ভর করবে, সেদিন বুঝবেন আপনি নিজের স্বপ্নের জন্য নয়, নিজের বেতনের জন্য বেঁচে আছেন। টাকা দরকার, ভালো বেতনও দরকার, কিন্তু বেতন কখনোই আপনার পরিচয় নয়। নিজের দক্ষতা বাড়ান, এমন মূল্য তৈরি করুন যাতে মানুষ আপনাকে শুধু চাকরির জন্য নয়, আপনার জ্ঞান, চিন্তা এবং সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতার জন্য খুঁজে নেয়। মনে রাখবেন, ড্রাগ মানুষকে সাময়িক সুখ দেয় কিন্তু স্বাধীনতা কেড়ে নেয়; Salary-ও যদি আপনার চিন্তা, সময় আর স্বপ্নকে বন্দি করে ফেলে, তাহলে সেটাও এক ধরনের নেশা। তাই Salary-এর পেছনে দৌড়াবেন না, এমন মানুষ হোন যার মূল্যই একদিন Salary-কে আপনার পেছনে দৌড়াতে বাধ্য করবে।








06/07/2026

"জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে নয়, নিজের মনোযোগের সঙ্গে"

আমরা প্রায়ই এমন মানুষ, এমন ঘটনা আর এমন কথার পেছনে সময় নষ্ট করি, যেগুলোর ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই। অন্যের সমালোচনা, অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক, অতীতের ভুল কিংবা ভবিষ্যতের অযথা দুশ্চিন্তা—এসব ধীরে ধীরে আমাদের শক্তি, আত্মবিশ্বাস আর স্বপ্নকে নিঃশেষ করে দেয়। অথচ সফল মানুষরা একটি বিষয় খুব ভালো করেই জানেন—সবকিছুকে গুরুত্ব দিতে নেই। কোথায় মনোযোগ দিতে হবে, আর কোথায় একদমই দিতে হবে না—এই সিদ্ধান্তটাই ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়। আপনার সময়, শক্তি আর মনোযোগ দিন নিজের লক্ষ্য, দক্ষতা, পরিবার, সুস্থতা এবং সেই কাজগুলোতে, যা আপনাকে প্রতিদিন এক ধাপ সামনে নিয়ে যায়। কারণ মনোযোগ একটি সম্পদ; একবার ভুল জায়গায় বিনিয়োগ করলে তা আর ফিরে আসে না।

একজন তরুণ চাকরি খুঁজছিলেন। প্রতিদিন তিনি নতুন নতুন জায়গায় আবেদন করতেন। কিন্তু আশপাশের মানুষ প্রতিনিয়ত বলত, "তোমার দিয়ে হবে না", "এত চেষ্টা করে লাভ কী?", "অমুক তো অনেক এগিয়ে গেছে।" শুরুতে তিনি প্রতিটি কথার উত্তর দিতেন, কষ্ট পেতেন, নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করতেন। ফলে পড়াশোনার চেয়ে তিনি বেশি সময় ব্যয় করতেন অন্যদের কথা নিয়ে ভাবতে।

একদিন তাঁর একজন মেন্টর শুধু একটি কথাই বললেন—"যেখানে তোমার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সেখানে মনোযোগ দিও না। নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দাও।"

সেদিনের পর তিনি একটি সিদ্ধান্ত নিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অযথা সময় নষ্ট করা বন্ধ করলেন, নেতিবাচক মানুষের সঙ্গে তর্ক করা বন্ধ করলেন, অন্যের সাফল্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করাও বন্ধ করলেন। প্রতিদিন নিজের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কয়েক ঘণ্টা সময় দিতে শুরু করলেন।

ছয় মাস পরে সেই মানুষটিই একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেলেন। তখন তিনি বুঝেছিলেন, সাফল্যের পথে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা আসে তখনই, যখন আমরা মনোযোগের দিক বদলাই।

জীবন আপনাকে সবসময় দুইটি রাস্তা দেখাবে—একটি হলো অপ্রয়োজনীয় শব্দ, সমালোচনা আর তুলনার পথে; অন্যটি হলো নিজের লক্ষ্য, শেখা আর উন্নতির পথে। আপনি কোন পথে হাঁটবেন, সেই সিদ্ধান্তই আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

কারণ জীবনে সফল হতে হলে শুধু কঠোর পরিশ্রম করলেই হয় না; জানতে হয়—মনোযোগ কোথায় দেবেন, আর কোথায় দেবেন না।

তাই আজ থেকেই সিদ্ধান্ত নিন—যা আপনাকে এগিয়ে নেয়, শুধু সেখানেই মনোযোগ দেবেন। বাকিটা ছেড়ে দিন সময়ের হাতে। মনে রাখবেন, সাফল্য তাদেরই ধরা দেয়, যারা জানে—মনোযোগ কোথায় দেবেন, আর কোথায় দেবেন না।





05/07/2026

একটা সময় ছিল, যখন সবাই তাকে দুর্বল ভাবত। ধীরে চলার জন্য উপহাস করত, ছোট বলে অবহেলা করত। সেও কখনো কখনো ভাবত—হয়তো এটাই তার শেষ পরিচয়।

তারপর একদিন সে নিজেকে পৃথিবীর চোখ থেকে আড়াল করল। কেউ দেখল না তার নীরব লড়াই, কেউ বুঝল না সেই অন্ধকারের ভেতর প্রতিদিন কতটা বদলে যাচ্ছিল সে। বাইরে থেকে মনে হচ্ছিল সবকিছু থেমে গেছে, অথচ ভেতরে ভেতরে তৈরি হচ্ছিল এক নতুন জীবন।

সময় এলো। সেই একই প্রাণী, যাকে একদিন সবাই শুধু হামাগুড়ি দিতে দেখেছিল, আজ ডানা মেলে আকাশে উড়ছে। মানুষ এখন তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করে, কিন্তু খুব কম মানুষই মনে রাখে—এই ডানার পেছনে ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা, নিঃশব্দ কষ্ট আর অসংখ্য অদৃশ্য পরিবর্তন।

জীবনও ঠিক এমনই। সবাই তোমার সাফল্য দেখতে চায়, কিন্তু খুব কম মানুষই তোমার কোকুনের অন্ধকারটা দেখতে পায়।

মনে রেখো—কোকুনের অন্ধকার ছাড়া প্রজাপতির আলো দেখা যায় না। 🦋




04/07/2026

"মানুষকে বড় করে তোলে তার চিন্তা, তার জন্ম নয়"

এই পৃথিবীতে কেউ জন্মগতভাবে মহান হয়ে আসে না। ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া, উচ্চ বংশের পরিচয় বহন করা কিংবা সামাজিক মর্যাদা নিয়ে জন্মানো—এসব সাময়িক পরিচয় মাত্র। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় গড়ে ওঠে তার চিন্তাভাবনা, চরিত্র, মূল্যবোধ এবং কর্মের মাধ্যমে। ইতিহাসে যাঁরা অমর হয়ে আছেন, তাঁদের অধিকাংশই জন্মের কারণে নয়, বরং তাঁদের অসাধারণ চিন্তা, অধ্যবসায় এবং মানবকল্যাণমূলক কাজের জন্য আজও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত।

একটি সুন্দর চিন্তা একটি সুন্দর জীবনের সূচনা করে। ইতিবাচক মানসিকতা মানুষকে কঠিন সময়েও এগিয়ে যেতে শেখায়, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে অনুপ্রাণিত করে এবং প্রতিদিন নিজেকে আগের দিনের চেয়ে আরও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। অন্যদিকে সংকীর্ণ চিন্তা, অহংকার এবং নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে ধীরে ধীরে পিছিয়ে দেয়, যদিও তার জন্ম যতই সম্ভ্রান্ত পরিবারে হোক না কেন।

আমরা সবাই সমান সম্ভাবনা নিয়ে পৃথিবীতে আসি। পার্থক্য তৈরি হয় আমাদের সিদ্ধান্তে, শিক্ষায়, নৈতিকতায় এবং চিন্তার গভীরতায়। যে মানুষ জ্ঞানকে ভালোবাসে, সত্যকে অনুসরণ করে, অন্যের উপকারে আসে এবং প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করে, সেই মানুষই প্রকৃত অর্থে বড় মানুষ। তার পরিচয় তার পরিবার নয়, তার কাজ; তার সম্পদ নয়, তার মানবিকতা; তার জন্ম নয়, তার চিন্তা।
তাই অন্যের পরিচয় দেখে নয়, তার চিন্তা ও চরিত্র দেখে মূল্যায়ন করুন। আর নিজেকেও এমনভাবে গড়ে তুলুন, যেন একদিন আপনার পরিচয় হয় আপনার আদর্শ, সততা, জ্ঞান ও মানবতার জন্য। কারণ সময়ের সাথে জন্মের পরিচয় ম্লান হয়ে যায়, কিন্তু মহান চিন্তা ও মহৎ কর্ম যুগের পর যুগ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে।



#বইয়েরপোকা

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

House-08, Road-20/A, Sector-03, Uttara
Dhaka
1230