Brazil - ব্রাজিল সমর্থক

Brazil - ব্রাজিল সমর্থক

Share

ব্রাজিল মানে ছন্দময় ফুটবল

15/07/2026

এমবাপ্পের কাছে সুযোগ ছিল এই রেকর্ড ছোঁয়ার।
কিন্তু সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারায় সবকিছু ভেস্তে গেল। টানা ৩টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার রেকর্ডটি এখনো ব্রাজিলিয়ান লিজেন্ড কাফুর এই আছে।

▪ ১৯৯৪: ব্রাজিল বনাম ইতালি (বিজয়ী)
▪ ১৯৯৮: ব্রাজিল বনাম ফ্রান্স (রানার্স-আপ)
▪ ২০০২: ব্রাজিল বনাম জার্মানি (বিজয়ী, অধিনায়ক)

15/07/2026

🟢🔵 "স্পেনের জয়ে পাশের বাসার আপারা এমনভাবে উল্লাস করতেছে, যেনো স্পেন আফাদেরকে এমনি এমনি ফাইনাল জিতিয়ে দিবে! ফিফা জিতিয়ে দিলে সেটা ভিন্ন কথা। যদিও পুরো বিশ্ব সেরকমটা দেখে আসতেছে চোখে।🙂🇦🇷

আর হা, ৬-১ এর কথা মনে আছে তো আফারা..? 🥴

14/07/2026

২০২১ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে নেইমারকে আটকাতে আর্জেন্টিনা ২২ বার ফাউল করেছিল।

যদিও ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে ম্যাচ ও শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচজুড়ে মোট ৪৭টি ফাউল হয়েছিল। এর মধ্যে এককভাবে নেইমার একাই সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হন।

14/07/2026

নেইমার জুনিয়রের কাছে ক্ষমা চাইলেন অরিয়ান নাইল্যান্ড। আজ এক ইনস্টাগ্রামে পোস্টে; এই ব্রাজিলিয়ানকে কিংবদন্তি উল্লেখ করে ক্ষমা চান নরওয়ের গোলরক্ষক।

ক্ষমা চাওয়ার কারণ হলো; কদিন আগে বিশ্বকাপ ম্যাচে নেইমার পেনাল্টি মারতে গেলে, তাকে স্লেজিং করেছিলেন নাইল্যান্ড। অবশেষে ভুল বুঝতে পেরে, তিনি ক্ষমা চাইলেন।

| | | | | |

14/07/2026

👉 ২০১০ বিশ্বকাপের আগে থেকেই ব্রাজিলে "নেইমার"
নামটা খুবই জনপ্রিয় উঠে।সান্তোসে খেলেই বিশ্ববাসীর কাছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠে নেইমার।২০১০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণার সময় নেইমারকে দলে নেন নাই তৎকালীন কোচ কার্লোস দুঙ্গা।অযুহাত হিসেবে তার বয়সকে দাড় করানো হয়।১৮ বছর বয়সী কাউকে নিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক করানো অবশ্য বেশি বাড়াবাড়িই হয়ে যেতো তখন।

কিন্তু বিশ্বকাপের পর পরই আর নেইমারকে দলের বাইরে রাখা যায় নি।এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিষেক ঘটে নেইমারের।
অভিষেক ম্যাচেই গোল করেন প্রত্যাশিতভাবে।

নিয়মিত ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে গোল করতে থাকেন নেইমার।ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি গায়ে উঠতেও সময় লাগে নি বেশি।
তবে সমস্যা বাঁধে একটা জায়গায়।
২০১৪ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিলো ব্রাজিল।তাই আয়োজক হিসেবে সরাসরি কোয়ালিফাই করায় লাতিন আমেরিকার বাছাইপর্ব সেবার খেলতে হয় নি ব্রাজিলের।ম্যাচ খেলার জন্য ইন্টারন্যাশনাল উইন্ডোতে প্রীতি ম্যাচ গুলোই ছিলো ব্রাজিলের ভরসা।সেগুলোতে গোল করায় তাই সবাই নেইমারের গোলস্কোরিংটা খুব একটা আমলে নিচ্ছিলো না।
সেটার জবাব আসে ২০১৩ কনফেডারেশন কাপে।
প্রাইম ক্যাসিয়াস,বুফনদের বিরুদ্ধে গোল করে নেইমার জানান দেন হলুদ জার্সিটা তিনি কতোটা ওন করেন।
ইউরোপে যাবার আগেই দেশের হয়ে ট্রফি জেতা হয়ে যায় নেইমারের।
২০১৫ কোপা আমেরিকাতে তেমন কিছু করতে পারেন নি।
২০১৬ কোপা আমেরিকা যখন আসে তখন নেইমারের ক্লাব বার্সেলোনা থেকে তাকে জানানো হয় তাকে যেকোন একটি বেছে নিতে হবে।
হয় অলিম্পিকে খেলতে পারবেন না হয় কোপা আমেরিকা।
নেইমার অলিম্পিক বেছে নেয়।ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে যেই ছোট্ট একটা অপূর্ণতা ছিলো সেটাও ২০১৬ তে দূর হয় নেইমারের হাত ধরেই।

তার আগের ২০১৪ তে নেইমারের প্রথম বিশ্বকাপে সেই মেরুদন্ডের চোট পাবার আগে নেইমার রীতিমতো উড়ছিলেন একাই ব্রাজিলকে নিয়ে।
কলম্বিয়ার ফুটবলার জুনিগার হাটুঁর আঘাতে নেইমারের পাশাপাশি ব্রাজিলও হোঁচট খায়।

১৮ বিশ্বকাপেও নেইমার দারুণ খেলছিলো।বিশ্বকাপের নকআউটে প্রথম গোল পেয়ে যায় সেবার যেটা তখন মেসি এবং রোনাল্দোরও ছিলো না।দুর্ভাগ্যজনকভাবে কোর্তোয়ার কাছে সেদিন আটকে যেতে হয়।যেই এক ম্যাচ কোর্তোয়াকে ফাইনাল না খেলেও বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস এনে দেয়!!!

২০১৯ এর কোপাতে ইঞ্জুরির কারণে খেলাই হয় নি।তবে তাকে ছাড়াই ব্রাজিল সেবার শিরোপা ঘরে তুলেছিলো।২১ এর কোপা আমেরিকাতে নেইমার নিজের পক্ষে যা করা সম্ভব সবটুকুই করেছিলো।
সেই ফাইনালে নেইমারে গোল না পেলেও ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ম্যাচটা বোধহয় সেদিনই খেলেছিলো।সেই ম্যাচের একটা কমেন্ট্রি আমার কানে এখনও বাজে "Everyone just tried to bring down Neymar but he is unstopable today!!!""

২০২২ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আবার ইঞ্জুরিতে।
নকআউটে ফেরেন এবং দুইটা নকআউটেই গোল পান।ক্রোয়েশিয়ার সাথে ম্যাচটায় সেই ডেডলক ভাঙা গোলটা সবার চোখে এখনো লেগে আছে।

ততোক্ষণে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটা তার দখলে চলে যায়।কিন্তু সেইদিন নেইমারের এই একার চেষ্টাও যথেষ্ট ছিলো না।

তারপর শুরু হারিয়ে যাওয়া।২৩ এর পর আর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠেই নামা হয় নি।২৪ এর কোপা আমেরিকাও মিস করলো।
তবে শুধু আশা নিয়ে ছিলাম শেষবারের মতো হলুদ জার্সিতে দেখার জন্য।বিশ্বকাপে সেই শেষ আশাটুকুও পূরণ হয়েছে।

এবারের ব্রাজিল দল বেশিদূর যাবে না সেটা জানতাম।আশা ছিলো নেইমার একটা গোল পাবে হয়তো এবারও।
নরওয়ে প্রথম গোল করার পর খেলা অফ করে ঘুমিয়ে যাই।সকাল বেলা উঠে দেখি নেইমার গোল করেছে।
নেইমারের হলুদ জার্সিতে গোল ৮০ টা।সম্ভবত এই ১ টা গোলই আমি লাইভ দেখি নাই।বাকি ৭৯ টা গোলই আমি দেখেছি লাইভ ম্যাচে।কখনো ভোরে,কখনো সন্ধ্যায়,কখনো মধ্যরাতে,কখনো সকালে।শেষটাই কেবল দেখা হলো না।
শেষ গোলটা ইংল্যান্ডের সাথে পাইলে বোধ হয় একটু ভালো হতো।কারণ এই ইংল্যান্ড বাদে বাকি সব বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল (উরুগুয়ে,আর্জেন্টিনা,ফ্রান্স,জার্মানি,স্পেন,ইতালি) সবার সাথেই নেইমারের গোল ছিলো।

যেখানে শুরু হয়েছিলো ঠিক সেইখানে শেষ করলো নেইমার।

২২ সালের আগে নেইমারের ফর্ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিকে তার ১০০ টা গোল হবারই কথা ছিলো।কিন্তু হলো না।সবকিছু হয়তো হইতে হয় না।

নেইমারকে চিনি আমি হলুদ জার্সিতেই।বার্সেলোনার নেইমার কিংবা পিএসজির নেইমার হয়ে উঠার আগেই নেইমার মূলত "নেইমার" হয়ে উঠেন ব্রাজিলের জার্সিতেই এজন্যেই বোধহয় নেইমার এতোটা প্যাশন নিয়ে এই জার্সিতে খেলেছিলো।

ব্রাজিল বাদ পড়বে আগেই জানতাম।বাদ পড়লে খারাপ লাগবে সেটাও জানি।ব্রাজিল আবার বিশ্বকাপ জিতবে হয়তো ৪ বছর পর কিংবা ৪০ বছর পর।কিন্তু ব্রাজিলের হয়ে আর কোনদিন নেইমারকে খেলতে দেখবো না।এটা মানতেই একটু বেশি কষ্ট হচ্ছে।

ফুটবল নেইমারকে কতুটুক মনে রাখবে জানি না।
কিন্তু গোটা একটা জেনারেশন হয়তো নেইমারকে মনে রাখবে।
আর ফুটবলে অনেক কিছুই হিসাব মেনে হয় না।
জাভি ইনিয়েস্তার মতো গ্রেটরা কোনদিন ব্যালন ডি অর জিতে নাই কিন্তু রদ্রি ঠিকই জিতেছে।

আবার লেওয়ানডস্কি ব্যালন না জিতলেও বেনজেমা জিতেছে।আবার এম্বাপ্পে ব্যালন ডি অর জিতে নি কিন্তু ডেম্বেলে জিতেছে।

মেসির পর হয়তো এই শতাব্দীর সবচেয়ে কম্প্লিট ফুটবলার টা নেইমার ছিলো।

মেসি ৩৯ এ দিব্যি খেলে যাচ্ছেন।৪১ এ রোনাল্দোও
বিশ্বকাপ খেললো।কিন্তু নেইমার থামলো ৩৪ এই।
ঐ যে সবাই তো আর এক হয় না!!

গোল, এসিস্ট, শিরোপা এসব তো সংখ্যা মাত্র।পরিসংখ্যানের পাতা ঘাটলেই এসব পাওয়া যাবে।কিন্তু ফুটবল তো তার চাইতেও বেশি কিছু।
এই যে মেসি রোনাল্দোর মতো দুই মহাতারকার যুগেও কিছু কিছু বাচ্চা নেইমার হতে চেয়েছে। তাকে আইডল মেনেছে কিংবা তার মাঠে দেখানো স্কিলগুলো আয়ত্ত করতে চেষ্টা করছে এটুকই বা কম কিসে!!!

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০১০ এ চুলে স্পাইক করা হ্যাংলা পাতলা ১১ নম্বর জার্সি পড়া যেই ছেলেটা শুরু করেছিলো ঠিক সেখানেই শেষ করলো ১০ নম্বর জার্সি পড়ে ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে।মাঝখানে কেবল ১৬ টি বছর কেটে গেলো।

আর কোনদিন নেইমারকে হলুদ জার্সিতে দেখবো না।আর কোন অপেক্ষা থাকবে না ইঞ্জুরি কাটিয়ে দলে ফেরার জন্য।এভাবেই বোধ হয় থামতে হয় একদিন....

সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ " Neymar দ্য সিলভা সান্তোস জুনিয়র"

13/07/2026

নেইমার জুনিয়র🇧🇷💛💛💛

13/07/2026

ব্রাজিল কখনো তারকা খরায় পড়েনা।

ব্রাজিলের তুলনা শুধু ব্রাজিলই,যেই দেশ ফুটবলার রপ্তানি করে, যে দেশের অলি-গলিতে তারকা জন্মায়।
কত লিজেন্ড বের হয়ছে ব্রাজিল থেকে।
হয়তোবা এখন ব্রাজিলের খারাপ সময় যাচ্ছে তারপরেও এই সময়ে সবাই ব্রাজিল কে নিয়ে চিন্তা করে।

আবারো সেই সোনালী সময় আসবে তখন অন্য দল কাপবে।
করন এমন দল আছে তাদের তারকা বিদায়ের পর ঐ দল দেউলিয়া হয়ে গেছে।
কিন্তু ব্রাজিলের ক্ষেত্রে এই দেউলিয়াত্বের ঘটনা কখনো ঘটেনি।

ব্রাজিল হলো এক ইতিহাস এই দশকের ইতিহাসে নেইমার ব্রাজিলের হয়ে অনেকের ইতিহাস ব্রেক করছে।
নেইমারের মতো আগামীতে আরো অনেক প্লেয়ার জন্ম নিবে এই ব্রাজিলে।

12/07/2026

ব্রাজিলকে নিয়ে হাজারো সমালোচনা, কিন্তু দিনশেষে ব্রাজিলই যেখানে সেরা🇧🇷🇧🇷🇧🇷👇👇👇🇧🇷🇧🇷🇧🇷

হয়তো সময় এখন খারাপ যাচ্ছে, একদিন এই আধার কেটে যাবে,উঠবে নতুন সূর্য...

12/07/2026

ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের সর্বকালের সেরাদের সমারোহ…🇧🇷🇧🇷

12/07/2026

🏆 ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক লড়াই আবারও ফিরছে বিশ্বমঞ্চে। প্রায় ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।

⚽ ১৯৮৬ কোয়ার্টার ফাইনাল (অ্যাজটেকা স্টেডিয়াম):

ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত 'Hand of God' গোল

এরপর ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক গোল

আর্জেন্টিনার ২-১ জয়
শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপও জেতে 🇦🇷🏆

🏴 সবশেষ বিশ্বকাপে মুখোমুখি: ২০০২ (গ্রুপ পর্ব)

ইংল্যান্ড ১-০ আর্জেন্টিনা

জয়সূচক গোল করেন ডেভিড বেকহ্যাম।

🔥 এবার ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ইতিহাস কি আবারও আর্জেন্টিনার পক্ষে কথা বলবে, নাকি বদলা নেবে ইংল্যান্ড?

আপনার মতে কে যাবে ফাইনালে? 👇

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka