মাঝে মাঝে কি আপনার মনের ভেতর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এক অদ্ভুত শূন্যতা বা একাকীত্ব কাজ করে? একটু খেয়াল করে দেখুন তো, ক্যারিয়ার হয়তো ঠিকঠাক চলছে, পরিবার বা বন্ধুদের সাথে মেলামেশা হচ্ছে, তবু বুকের গভীরে কেমন যেন একটা খালি খালি ভাব থাকে। মনে হয় জীবনে সব পেয়েও আসল আনন্দটাই যেন কোথাও হারিয়ে গেছে। এই অস্বস্তি আর মানসিক ক্লান্তি ঢাকতে আমরা কত কী-ই না করি, হুটহাট দূরে কোথাও ঘুরতে চলে যাই, নতুন কোনো মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করি, কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ আটকে রেখে সাময়িক ডোপামিন খোঁজার চেষ্টা করি। কিন্তু মজার বিষয় হলো, সাময়িক সেই ঘোর বা উত্তেজনা কেটে গেলে ভেতরের সেই পুরোনো অস্থিরতা আবার ফিরে আসে। কখনো কি শান্ত মাথায় একা বসে ভেবে দেখেছেন, আমাদের ভেতরের এই না-বোঝা বিষণ্ণতা আর দীর্ঘস্থায়ী একঘেয়েমির আসল কারণটা ঠিক কী?
বিখ্যাত লেখক ও মানসিক গবেষক রবার্ট গ্রিন এই জটিল মানবিক সংকটের এক অসাধারণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে আমরা যে জিনিসটার অভাব সবচেয়ে তীব্রভাবে অনুভব করি, তা কোনো নতুন অভিজ্ঞতা, দামি গ্যাজেট বা পদমর্যাদা নয় বরং তা হলো আমাদের নিজেদেরই শৈশবের সেই সাবলাইম বা তীব্র জাদুকরী অনুভূতি। শৈশবে আমাদের পুরো পৃথিবীটাই ছিল এক অপার বিস্ময়ে ভরা। তখন একটি বৃষ্টিভেজা জানালার কাঁচ, মাটির গন্ধ, বাতাসের দোলা, কিংবা ঘরের এক কোণে জমে থাকা ধুলোর মধ্যেও আমরা যে গভীর আনন্দ খুঁজে পেতাম, বড় হওয়ার পর তা পুরোপুরি মুছে যায়। সেই ছোট বয়সে আমাদের মস্তিষ্কে কোনো জটিল ফর্মুলা, সামাজিক নিয়মের শেকল বা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো ভারী বোঝা ছিল না। আমরা পুরো পৃথিবীকে কোনো পূর্বধারণা ছাড়া সরাসরি এবং নিজের সব কটি ইন্দ্রিয় দিয়ে অত্যন্ত তীব্রভাবে অনুভব করতাম।
রবার্ট গ্রিন মানুষের এই মানসিক রূপান্তরকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেছেন, বড় হওয়ার সাথে সাথে আমরা আমাদের একটি আসল সত্তাকে চিরতরে হারিয়ে ফেলি, যাকে তিনি নাম দিয়েছেন Lost Self বা হারিয়ে যাওয়া আদি সত্তা। শৈশব থেকে যখন আমরা কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে পা দিই, বিশেষ করে আমাদের বিশের কোঠায় (20s) পৌঁছাই, তখন আমাদের ওপর চারপাশের সমাজের কঠিন প্রত্যাশা চাপতে শুরু করে। আমরা তখন নিজের আসল চিন্তা ভুলে গিয়ে সারাক্ষণ ভাবতে থাকি, লোকে আমাকে দেখে কী ভাবছে? , আমি কি সবার চোখে সফল হতে পারছি? , আমার ক্যারিয়ার বা সামাজিক স্ট্যাটাস ঠিক আছে তো? । মানুষের ইগো, ক্ষমতা প্রদর্শনের আকাঙ্ক্ষা এবং সমাজের চোখে সবসময় নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করার এই অবিরাম চাপ আমাদের মনের ভেতরের সেই মুক্ত ও কৌতূহলী জানলাটিকে শক্তভাবে বন্ধ করে দেয়।
বাস্তব জীবনের দিকে তাকালে এই সংকটের নির্মম প্রভাব খুব করুণভাবে চোখে পড়ে। আমাদের দক্ষিণ এশীয় সামাজিক বাস্তবতায় একজন তরুণ যখন স্কুল-কলেজ পার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় কিংবা নতুন কোনো অফিসে যোগ দেয়, তখন তাকে প্রতিনিয়ত তুলনা আর প্রতিযোগিতার এক অমানবিক ইঁদুর দৌড়ে নামতে হয়। পরিবার ও সমাজের তৈরি ছকে বাঁধা সফলতার সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে সে তার শৈশবের আঁকাআঁকি, সুরের চর্চা কিংবা অহেতুক কৌতূহল নিয়ে কিছু শেখার আনন্দকে নিজের হাতেই জলাঞ্জলি দেয়। সে হয়তো দিনশেষে একটি ভালো চাকরি পায়, ব্যাংকে কিছু টাকা জমায়, কিন্তু ভেতর থেকে সে হয়ে পড়ে একদম অনুভূতিহীন একটি যান্ত্রিক রোবট। তার পঞ্চেন্দ্রিয় স্থবির হয়ে যায় এবং সে পৃথিবীর সব সৌন্দর্য ও মানুষকে কেবল কাজের বা প্রয়োজনের নিক্তিতে মাপতে শুরু করে। অফিস পলিটিক্স, পদোন্নতির চিন্তা আর অন্যকে টপকে যাওয়ার ভাবনায় সে এতটাই মশগুল থাকে যে নিজের ভেতরের সত্তাটিই হারিয়ে যায়। আমাদের অবচেতন মন এই নির্মম বন্দিদশা সহজে মেনে নিতে পারে না বলেই মনের গভীরে সেই তীব্র বিষণ্ণতা আর অস্থিরতা প্রতিনিয়ত জন্ম নেয়।
মানসিক দিক থেকে এটি আমাদের মস্তিষ্কের একটি জটিল আত্মরক্ষামূলক ফাঁদ। প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে আমরা নিজেদের দুর্বল বা অসহায় ভাবতে প্রচণ্ড ভয় পাই। শৈশব মানেই ছিল অন্যের ওপর নির্ভরতা আর না-জানার অনিশ্চয়তা। তাই বড় হয়ে আমরা অবচেতনভাবে সেই শৈশবের সারল্যকে তুচ্ছ মনে করি এবং সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ করার এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠি। কিন্তু রবার্ট গ্রিন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন, শৈশবের সেই মুক্ত মন কিন্তু বড়দের এই কঠোর মানসিকতার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। কারণ একটি শিশু যেভাবে কোনো স্বার্থ বা হিসেব ছাড়া নতুন নতুন চিন্তার সংযোগ তৈরি করতে পারে, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিজের ইগোর খাঁচায় বন্দি থেকে তা কল্পনাও করতে পারে না।
এই হারিয়ে যাওয়া আদি সত্তাকে ফিরে পাওয়ার জন্য আমাদের আবার নতুন করে শিশু হওয়ার দরকার নেই প্রয়োজন শুধু দৃষ্টিভঙ্গির এক সাহসী পরিবর্তন। কোনো নতুন মানুষ বা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে নিজের অহংকার আর সব জানার ভান একপাশে সরিয়ে রাখতে হবে। যেকোনো চেনা দৃশ্য বা ঘটনাকেও দেখতে হবে ঠিক সেই ছোট্ট শিশুর সতেজ চোখে, যে প্রথমবারের মতো বিশাল সমুদ্র বা পাহাড় দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। ক্ষমতা, কৌশল এবং মানব চরিত্রের আসল খেলায় তারাই সবচেয়ে বেশি দূরদর্শী হন, যারা নিজেদের চিন্তাকে সমাজের কৃত্রিম ছাঁচে আটকে রাখেন না। শৈশবের সেই সতেজ ও গভীর দৃষ্টিকে নিজের ভেতর পুনরুজ্জীবিত করতে পারলে আপনি কেবল মানসিক প্রশান্তিই পাবেন না, বরং বাস্তব জীবনের যেকোনো জটিল পরিস্থিতি ও মানুষের মানসিক সমীকরণ অন্যদের চেয়ে অনেক আগে স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন।
© কালেক্টেড 🃏🪄🎩🎭
Ashik's Perspective
But how could you live and have no story to tell?
Indeed, the patient will be given their reward without limit (Qur’an 39:10)
16/08/2026
Bangladesh came. Bangladesh conquered. Bangladesh left. 🐯🇧🇩
16/08/2026
Bangladesh beat Australia by 9 wickets! 🇧🇩💪
Our first-ever Test victory on Australian soil. 🏆
What a performance. What a team. What a historic day for Bangladesh cricket! ❤️💚
The Tigers have roared Down Under! 🐯🇧🇩
12/08/2026
If a plant cannot live according to it’s nature, it dies and so a man.
মেয়েরা আগে বিয়ে করার জন্য ইচ্ছে করে পরীক্ষায় খারাপ করে 🙂
08/08/2026
ধনসম্পদ অর্জন করা এবং জীবনে অভাবনীয় আর্থিক সফলতা লাভ করার ক্ষেত্রে বয়স একটি অত্যন্ত কার্যকর ও বড় ভূমিকা পালন করে। যত দ্রুত সম্ভব এবং জীবনের একদম তরুণ বয়সে ধনী হওয়ার চেষ্টা করা কোনো বিলাসিতা বা শখ নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে আছে বাস্তবভিত্তিক গাণিতিক সুবিধা ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা, সফল লেখক ও ক্যাপিটাল ইনভেস্টর অ্যালেক্স হরমোজি তার একটি বিশেষ শিক্ষণীয় ভিডিওতে কম বয়সে আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের অনন্য যুক্তি ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
তরুণ বয়সে কষ্টার্জিত অর্থ ও উদ্বৃত্ত মূলধনের চক্রবৃদ্ধি বা কম্পাউন্ডিং সুবিধা সবচেয়ে বেশি ও অবিশ্বাস্য হারে পাওয়া যায়। একজন মানুষ ২৫ বছর বয়সে যে ১ ডলার বাজারে বা ভালো ব্যবসায় বিনিয়োগ করে, ৭০ বছর বয়সে গিয়ে সেই সাধারণ অর্থ বহু গুণ বেড়ে বিশাল অংকে রূপান্তরিত হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায়। একই পরিমাণ টাকা ৩৫ কিংবা ৪৫ বছর বয়সে বিনিয়োগ করলে সেই সময়ভিত্তিক জ্যামিতিক বৃদ্ধির সুযোগ ও পাওয়ার রিটার্ন অর্ধেকের চেয়েও অনেক নিচে নেমে আসে। সুতরাং সময়ের সঠিক ব্যবহার করা এবং জীবনের প্রারম্ভিক সময়েই উপার্জিত অর্থের চক্রবৃদ্ধি ক্ষমতাকে কাজে লাগানোই ধনী হওয়ার সবচেয়ে দ্রুত ও বিজ্ঞানসম্মত পথ।
অর্থের চক্রবৃদ্ধির মতো কম বয়সে অর্জিত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা, ব্যবহারিক ব্যবসায়িক দক্ষতা ও জ্ঞানও জীবনভর চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিংবদন্তি বিশ্বখ্যাত উদ্যোক্তা বিল গেটস একদম কৈশোরে প্রোগ্রামিং ও কোডিং করার অফুরন্ত সুযোগ পেয়েছিলেন বলেই পরবর্তীতে মাইক্রোসফটের মতো বিশ্ব কাঁপানো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সহজে তৈরি করতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি তরুণ বয়সে অর্জিত ছোটখাটো সফলতার প্রভাব, সামাজিক বাজারমূল্য ও সামাজিকভাবে পাওয়া সম্মান বা মানসিক আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি শক্তিশালী হয়। একজন ১৮ বা ১৯ বছরের তরুণ উদ্যোক্তা কয়েক কোটি টাকার ব্যবসা দাঁড় করালে গোটা বিশ্ব যেভাবে মুগ্ধ ও অবাক হয়, জীবনের শেষভাগে গিয়ে সেই একই সাফল্য অর্জনে কিন্তু মানুষ খুব একটা চমৎকৃত বা প্রভাবিত হয় না।
বয়সের ঘর ৩০ পার হওয়ার আগে পর্যন্ত বিশ্বসমাজ ও মিডিয়া যেকোনো তরুণ ব্যক্তির অর্জন বা মেধাবী পদক্ষেপকে বিশেষ মর্যাদা ও অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। এই তরুণ বয়সের বিশেষ ক্যাটাগরি নতুন নতুন প্রভাবশালী মানুষের সাথে সামাজিক কানেকশন তৈরি, বড় গণমাধ্যমের কাভারেজ পাওয়া এবং অভিজ্ঞ মেন্টর বা ইনভেস্টরদের দৃষ্টি আকর্ষণে বড় গুণক হিসেবে ভূমিকা রাখে। কম বয়সে অর্জিত এই ছোট একটি সফলতাকে শক্তির প্রধান উৎস বানিয়ে পরবর্তী জীবনপর্যায়ে অনেক বড় ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য ও স্বপ্নের দিকে ধাপে ধাপে পা বাড়ানো সম্ভব হয়। অ্যালেক্স হরমোজি নিজে প্রথমে নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছিলেন, যা থেকে পরবর্তীতে জিম ব্যবসা, জিম লঞ্চ এবং শেষপর্যন্ত অ্যাকুইজিশন ডটকমের মতো শত মিলিয়ন ডলারের ফান্ড গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
তরুণ বয়সে কাজ করার শারীরিক শক্তি, অফুরন্ত মানসিক উদ্দীপনা এবং নতুন বিষয়গুলো দ্রুত আয়ত্ত করার স্নায়বিক সক্ষমতা সবচেয়ে শীর্ষে অবস্থান করে। এই বয়সটায় দাম্পত্য বন্ধন, সন্তান লালনপালন কিংবা কঠিন পারিবারিক সামাজিক বাধ্যবাধকতা কম থাকায় যেকোনো ঝুঁকি নেওয়া বা নতুন কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়া তুলনামূলক অনেক সহজ হয়। যেহেতু কোনো বিশেষ অঞ্চলের সাথে গভীর সামাজিক শিকড় বা বাধ্যবাধকতা তৈরি হয় না, তাই ভালো কাজের সন্ধানে সহজেই স্থান পরিবর্তন করার দারুণ ভৌগোলিক স্বাধীনতা থাকে। যেমন রাজনীতি শিখতে চাইলে ওয়াশিংটন ডিসি, ফাইন্যান্স বা শেয়ারবাজারের জন্য নিউ ইয়র্ক কিংবা কনটেন্ট ক্রিয়েশনের জন্য লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো সেরা কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে সরাসরি কাজ শেখা কেবল তরুণ বয়সই সবচেয়ে সুবিধাজনক।
পেশাদার বিজয়ী এবং পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে আসল পার্থক্য কিন্তু তাদের আশা কিংবা স্বপ্নের পরিমাপে থাকে না, বরং তা থাকে তাদের প্রয়োগ করা বাস্তব কাজের ধারায়। আমাদের চারপাশের অগণিত সাধারণ মানুষের চিন্তা বা আর্থিক লক্ষ্য প্রায় একই রকম হয়ে থাকে, কিন্তু যারা অনিশ্চয়তা ও কঠিন ঝুঁকি সহ্য করে মাঠে টিকে থাকে, চূড়ান্ত জয়ের মুকুট তাদের মাথায়ই ওঠে। কোনো কাজে ব্যর্থতার ভয়ে অলস হয়ে ঘরে বসে থাকা চরম বোকামি, কারণ ব্যর্থতা মানুষকে শেষ করে দেয় না, বরং নতুন করে বিজয়ী হওয়ার সঠিক পথ ও গভীর অভিজ্ঞতা শেখায়।
পরিশেষে বলা যায়, জীবনে নিখুঁত গ্যারান্টি বা সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তার জন্য অপেক্ষা করে অলস বসে থাকা মানে নিজের জীবনের সবচেয়ে সেরা মূল্যবান সময়কে অপচয় করা। যত দ্রুত সম্ভব নিজের ভেতরের সুপ্ত মেধা, শারীরিক শক্তি এবং জীবনের চমৎকার স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবে কাজে নেমে পড়া অত্যন্ত আবশ্যক। কারো অজুহাত বা নিরুৎসাহিত করা কথায় কান না দিয়ে নিজের অর্জিত দক্ষতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর আস্থা রেখে পথ চললে খুব কম বয়সেই আর্থিক স্বাধীনতা লাভ করা সম্ভব।
নিজের জীবনকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও অর্থবহ করে সঠিকভাবে সাজিয়ে তুলতে চাইলে আজই আপনার প্রথম কার্যকরী পদক্ষেপটি সানন্দে গ্রহণ করুন এবং জীবনের মূল লক্ষ্যে অবিচল থাকুন। নিয়মিত চেষ্টা, অদম্য নিষ্ঠা ও কঠিন অধ্যাবসায় থাকলে আপনার সফলতাও একদিন বাস্তব রূপ লাভ করবে এবং চারদিকে বিজয়ের অনাবিল আলো ছড়িয়ে পড়বে। উদ্যোগী মনোভাব ও সঠিক গতিপথ থাকলে যেকোনো স্বপ্ন ছোঁয়া সম্ভব।
© Collected
নামাজ পইড়া আইসা দেখি পাগলিটার মোবাইল বন্ধ, আইডি ডিয়েক্টিভেট। তাহলে কি বিয়ে...
27/07/2026
"হাওয়ায় এক অদ্ভুত বিষণ্নতা ছড়িয়ে আছে
যেন কেউ আমাদের আস্তে আস্তে হারিয়ে দিচ্ছে।"
একটা জার্সি গিফট করলে কি হয় সুন্দরী 🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.