11/08/2026
আগামী ৫ বছরে কোটিপতি বলবো না, তবে নিশ্চয়তার দিক থেকে যদি বলি কমপক্ষে তিনগুণ আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ বাড়বে শুধুমাত্র জমিতে। তাই সঠিক লোকেশনে দেখে শুনে জমি কিনে রাখুন।
পারলে একা কেন, আর নয়তো কয়েকজন মিলে কমিউনিটি করে কিনুন। তবে আমার পরামর্শ থাকবে ঢাকার কাছাকাছি দ্রুত উন্নয়নশীল এলাকাগুলোতে কিনলে বেশি বেনিফিট হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
04/08/2026
মাত্র ১০ লাখ টাকায় ল্যান্ড শেয়ারের মাধ্যমে ফ্ল্যাটের মালিক!
একটু দাঁড়ান! 🫷
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংক্ষেপে জেনে নিন, তারপর স্বপ্ন দেখুন।
১। শুধুমাত্র প্রোমোটার বা প্রেজেন্টেশন শুনে কোনো কোম্পানি বা ব্যক্তির ওপর ভরসা করে বুকিং করবেন না। বিশেষ করে যারা আগে কখনো বিল্ডিং নির্মাণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেননি।
২। যারা এই ধরনের প্রকল্প পরিচালনা করছেন, তাদের মালিক বা উদ্যোক্তাদের প্রোফাইল ভালোভাবে যাচাই করুন। ভবিষ্যতে লেনদেন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো সমস্যা হতে পারে কি না, তা আগে থেকেই বোঝার চেষ্টা করুন।
৩। লোকেশন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকল্প এমন এলাকায় হয় যেখানে আগামী ৫ বছরেও আশপাশ উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
৪। শেয়ারহোল্ডারের সংখ্যা যত কম, তত ভালো। পাশাপাশি দেখুন, শেয়ারহোল্ডাররা কী ধরনের পেশাজীবী। ভবিষ্যতে যেন এমন না হয়, ১৫ জনের মধ্যে কয়েকজন নির্ধারিত সময়ে কিস্তি পরিশোধ করছেন না বা অন্য কোনো কারণে প্রকল্পে জটিলতা তৈরি করছেন।
৫। জমির কাগজপত্র ও চুক্তিপত্র একজন বিশ্বস্ত আইনজীবী দিয়ে যাচাই করিয়ে নিন। এতে ভবিষ্যতের অনেক ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
৬। অনেক সময় প্রকল্প পরিচালনাকারীরা অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি (Over Commitment) দেন। যেমন—"আজ ৩০ লাখ টাকার ফ্ল্যাট, দুই বছর পর ২ কোটি টাকা হবে" বা "প্রতি বর্গফুট নির্মাণ খরচ মাত্র ১,৮০০–২,০০০ টাকা।" বাস্তবে পরিস্থিতি অনেক সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়। তাই প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তবতা যাচাই করুন।
৭। প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানের বাইরে, সম্পূর্ণ অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হলে একটি বিষয় মাথায় রাখুন—ভবিষ্যতে রিসেল করতে গেলে একই মানের ব্র্যান্ডেড প্রকল্পের তুলনায় ২০–৩০% কম দামে বিক্রি করতে হতে পারে।
৮। সম্ভব হলে একজন স্বাধীন (Third Party) অভিজ্ঞ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা কনস্ট্রাকশন বিশেষজ্ঞ দিয়ে প্রকল্পটি মূল্যায়ন করান। এতে কিছু অতিরিক্ত খরচ হলেও আপনি অনেক বেশি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।
৯। প্রকল্পের ঝুঁকিগুলো আগে থেকেই জেনে নিন। যেমন—১৫ জন শেয়ারহোল্ডারের মধ্যে যদি ৩ জন নিয়মিত কিস্তি না দেন, তাহলে প্রকল্প কীভাবে চলবে? কোম্পানির কোনো ব্যাকআপ পরিকল্পনা আছে কি? এছাড়া নির্মাণসামগ্রী (রড, সিমেন্ট, বালি, পাথর ইত্যাদি) যেকোনো উৎস থেকে কেনা যাবে, নাকি নির্দিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমেই কিনতে হবে—এসব বিষয়ও পরিষ্কারভাবে জেনে নিন।
১০। ভবিষ্যতে যদি কোনো কারণে আপনি আপনার শেয়ার বা ফ্ল্যাট ছেড়ে দিতে চান, তাহলে কোম্পানির নীতিমালা কী? তারা কি শেয়ার পুনরায় কিনে নেবে, নাকি নতুন ক্রেতা খুঁজে দিতে সহায়তা করবে? এসব বিষয় লিখিতভাবে চুক্তিতে আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা তথ্য আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
মনে রাখবেন, যেকোনো বিনিয়োগের আগে কখনোই তাড়াহুড়ো করবেন না। আপনার বিশ্বস্ত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ নিন, নিজে যাচাই করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
বিনিয়োগের আগে আবেগ নয়, তথ্য ও হিসাবকে প্রাধান্য দিন।
25/07/2026
আজ থেকে ১৪-১৫ বছর আগে এক পরিচিত ভাই মোহাম্মদপুর বসিলা গার্ডেন সিটিতে ৩.৩ কাঠা পুরো জমি ক্রয় করেন ৫০ লক্ষ টাকার কমে, আর এখন গতকালকে তার সাথে বসে কথা আলোচনা সাপেক্ষ প্রতি কাঠা জমির দাম ৭৫ লক্ষ টাকা দাম বললাম, কিন্তু তাতেও তিনি সাড়া দেননি। উনি বলছেন আমাদের সাথে জয়েন বেঞ্চর হয়ে ব্যবসা করবেন।
কি বুঝলেন 🤔 আপনার মতে বর্তমানে আপনি যদি তার জায়গায় থাকতেন তাহলে কোথায় বিনিয়োগ করতেন?
22/07/2026
আমাদের দেশের প্রতিটা বাসার বারান্দাগুলো প্রায় এইভাবে তৈরি করে আমার জানা নেই।