08/08/2026
আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি (Jorge Messi) মারা গেছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা জটিলতা ও অসুস্থতার সাথে লড়াই করছিলেন।
হোর্হে মেসি কেবল লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, বরং ছেলের পুরো ফুটবল ক্যারিয়ারে এজেন্ট ও অভিভাবক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
29/07/2026
তাঁর নাম Kazuyoshi Miura। তিনি একজন জাপানি ফুটবল খেলোয়াড়। আবার তিনি পৃথিবী ফুটবল ইতিহাসে ৫৯ বছর বয়সে একজন প্রবীণ খেলোয়াড়। তিনি এমন এক যুগে তাঁর খেলোয়াড় জীবন শুরু করেছিলেন যখন আধুনিক জাপানি ফুটবল লিগের (J.League জন্মই হয়নি। বর্তমানে প্রায় চার দশক অতিক্রম করার পরেও পেশাদার ফুটবলে তাঁর উপস্থিতি ক্রীড়া জগতের অন্যতম সেরা অনুপ্রেরণাদায়ী ঘটনা।
✅তাঁর জীবন প্রথম অধ্যায় সমূহ জানবো :
ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে হাতেখড়ি (১৯৮২–১৯৯০)
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মিউরা জাপানের হাইস্কুল ছেড়ে একা ব্রাজিলে পাড়ি জমান। তিনি সাও পাওলোর বিখ্যাত ক্লাব সান্তোসে (Santos) যোগ দেন এবং ১৯৮৬ সালে পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ব্রাজিলে খেলা ও শেখা কৌশল তাঁকে পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
✅জাপানি ফুটবলের পোস্টার বয় (১৯৯০-এর দশক):
১৯৯০ সালে জাপানে ফিরে আসার পর তিনি ভের্দি কাওয়াসাকি (Verdy Kawasaki) ক্লাবে যোগ দেন। ১৯৯৩ সালে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানের পেশাদার 'জে-লিগ' (J.League) চালু হয়, তখন তিনি লিগের প্রথম সবচেয়ে প্রভাবশালী তারকা ও প্রথম মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার হন।
✅ইউরোপিয় অভিজ্ঞতার পথপ্রদর্শক
১৯৯৪ সালে তিনি ইতালির সিরি আ (Serie A)-এর ক্লাব জেনোয়াতে (Genoa) যোগ দেন। তিনিই ছিলেন ইতালি লিগে খেলা প্রথম জাপানি ফুটবলার। পরবর্তীতে তিনি ক্রোয়েশিয়ার ডায়নামো জাগ্রেব ক্লাবেও খেলেছেন।
আধুনিক স্পোর্টস সাইন্সের যুগে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বা লিওনেল মেসিরা ৪০ ছুঁইছুঁই বয়সে খেলছেন, কিন্তু মিউরা প্রায় দুই দশক আগেই প্রমাণ করেছেন ফিটনেস ও নিষ্ঠা থাকলে ৫০ পার করেও পেশাদার লিগ খেলা সম্ভব।কাজুয়োশি মিউরা শুধু একজন ফুটবলার নন; তিনি ধৈর্য, আত্মনিবেদন এবং ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য পথিকৃৎ।
15/07/2026
কে জানত এই শিশুটি বিশ্বকাপ খেলবে। ঠিক তাই হলো আজ।লামিন ইয়ামাল ফাইনালে সেই মেসির মুখমুখি। দীর্ঘ ১৯ বছর পর সেই ছোট্ট বাচ্চা লামিন ইয়ামাল।লামিল ইয়ামাল এখন দুর্দান্ত একজন তরুণ খেলোয়াড়। ঠিক দেখা হচ্ছে বিশ্বকাপ ফাইনালে ২০২৬" ২০ জুলাই।
15/07/2026
ফ্রান্স কে হারিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার ফাইনালে স্পেন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্স কে ২-০গোলে গুঁড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে তারা গেলো। স্পেন প্রথম গোল করে লিড এনে দেয় halftime আগে ওয়ারজাবাল। তারপরে halftime পর জয় সূচক গোল করে পেদ্রো পোর। অভিনন্দন স্পেন এভাবে এগিয়ে যাও।
12/07/2026
আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে। Alexis Mac Allisterপ্রথম ১০মিনিট গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায়। halftime পর সুইজারল্যান্ড ফরোয়ার্ড Dan Ndoye ৬৭" মিনিটে গোলে ১-১সমতা। তারপরে অবিশ্বাস্য ভাবে এক্সট্রা টাইমে ১১২"তম মিনিটে Alvarez দুর্দান্ত গোলে এবং Lautaro গোলে জয় নিয়ে ৩-১গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
অভিনন্দন আর্জেন্টিনা এভাবে এগিয়ে যাও।👍👍🇦🇷
11/07/2026
মিকেল মেরিনো স্পেন দলের ত্রাণ কর্তা। স্পেন যখন খাদের কিনারে যতবারই পড়ছে ততবার বাঁচিয়েছে। সুপার সাব হিসেবে নেমেছে ততবারই দলকে জিতিয়েছেন।রাউন্ড -১৬ তে পর্তুগাল এর বিপক্ষে স্পেন যখন ০-০ গোল তখন সুপার সাব হিসেবে নেমেই শেষ পর্যন্ত ১গোল করে স্পেন কে জয় এনে দেন।আর পরবর্তী ম্যাচ কিছুটা ভিন্ন কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম ম্যাচে স্পেন যখন ১-১সমতা তখন সেই একই গল্প সুপার সাব হিসেবে নেমে শেষ পর্যন্ত আরো একটা গোল। স্পেন কে সেমিফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মিকেল মেরিনো। মিকেল মেরিনো কে ইতিহাস প্রথম সুপার সাব বা বদলি খেলোয়াড় বলা যায় নকআউট ম্যাচে
10/07/2026
ঊনবিংশ শতাব্দীর দিকে হাঙ্গেরি ফুটবল টিম ছিল অপ্রতিরোধ্য। সেই সময় হাঙ্গেরি ফুটবল টিম কে গোল্ডেন জেনারেল বলা যায়।ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস, নান্দর হিদেকুতি এবং বোজসিকদের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া এই দলটি ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত টানা ৩১টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল। ইউরোপে স্পেন , জার্মান, ফ্রান্স, ইংল্যান্ডের মোতন ফুটবল পরাশক্তি ছিল।সে হাঙ্গেরি এখন আর বিশ্বকাপ খুজে পাওয়া দুষ্কর।পুরো ফুটবল বিশ্বকে যারা শাসন করত তার ১৯৮৬ সালের পর আর কোন বিশ্বকাপ qualify করতে পারে নি।
হাঙ্গেরি ফুটবল ইতিহাস উত্থান পতন সম্পর্কে জানাবো।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোচ গুস্তভ সেবেস-এর অধীনে হাঙ্গেরি ফুটবল দলে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। এই দলটিকে ফুটবল ইতিহাসে "গোল্ডেন টিম"বা "মাইটি ম্যাগিয়ার্স" বলা হয়। ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস, নান্দর হিদেকুতি এবং জোসেফ বোজসিকদের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া এই দলটি ১৯৫০ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত টানা ৩১টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল।
১৯৫৪ সালের সুইজারল্যান্ড বিশ্বকাপে হাঙ্গেরি ছিল শিরোপার সবচেয়ে বড় দাবিদার। গ্রুপ পর্বে তারা দক্ষিণ কোরিয়াকে ৯-০ এবং পশ্চিম জার্মানিকে ৮-৩ গোলে উড়িয়ে দেয়। কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালে যথাক্রমে ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে তারা।
ফাইনাল ট্র্যাজেডি: ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল সেই পশ্চিম জার্মানি, যাদের তারা গ্রুপ পর্বে ৮-৩ গোলে হারিয়েছিল। ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যে হাঙ্গেরি ২-০ গোলে এগিয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে পশ্চিম জার্মানি ঘুরে দাঁড়ায় এবং ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নেয়। ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি 'মিরাকল অব বার্ন' নামে পরিচিত। এটিই ছিল চার বছরের মধ্যে হাঙ্গেরির প্রথম পরাজয়, যা তাদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।
পতনের সূচনা:
১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরিয়ান বিপ্লব ১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে হাঙ্গেরির জনগণ বিদ্রোহ ঘোষণা করে। এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় হাঙ্গেরির শীর্ষ ক্লাব 'হনভেদ' দেশের বাইরে একটি ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল। দেশের পরিস্থিতি দেখে দলের প্রধান তারকা ফেরেঙ্ক পুসকাস, স্যান্ডর কোকসিস এবং জোল্টান চিবর আর দেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তারা স্পেনে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন এবং স্প্যানিশ ক্লাবে যোগ দেন (পুসকাস যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে)।
তারকাদের বিদায়: এক নিমেষেই বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। এর ফলে হাঙ্গেরিয়ান ফুটবলের সোনালী অধ্যায়ের আকস্মিক ও স্থায়ী সমাপ্তি ঘটে।
এই পরবর্তী কারণে হাঙ্গেরি কে আর তেমন ধারাবাহিক খুঁজে পাওয়া যায় না।
10/07/2026
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। বোস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ফরাসিদের হয়ে গোল দুটি করেন কিলিয়ান এম্বাপ্পে এবং উসমান দেম্বেলে।
প্রথমার্ধ (০-০): ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্স বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। ২৬ মিনিটে কিলিয়ান এম্বাপ্পে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। তবে মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু দুর্দান্ত এক সেভে এম্বাপ্পের পেনাল্টি শটটি রুখে দেন।
ডেডলক ভাঙলেন এম্বাপ্পে (৬০ মিনিট): ম্যাচের ৬০তম মিনিটে পেনাল্টি মিসের ক্ষত ভুলে দুর্দান্ত এক কোণাকুণি শটে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন অধিনায়ক কিলিয়ান এম্বাপ্পে।
ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন দেম্বেলে (৬৬ মিনিট): প্রথম গোলের মাত্র ৬ মিনিট পরেই এম্বাপ্পের পাস থেকে বল পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন উসমান দেম্বেলে।
07/07/2026
২০২৬ বিশ্বকাপ আজকে সেরা ম্যাচ দেখলো ফুটবল বিশ্ব। ইতিহাসে সেরা ম্যাচ বলতে গেলে এটা। মিশরে সাথে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ সময় পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পেলো আর্জেন্টিনা যা অবিশ্বাস্য। what a come back Argentina.
অভিনন্দন আর্জেন্টিনা