12/09/2023
রোহিত, গিল, কোহলি, রাহুল, হার্ডিক,,,, ইন্ডিয়ার এই পাঁচজন ব্যাটসম্যানকেই এক ইনিংসে আউট করেছে এই পোলা। নাম দুনিত ওল্লালেগে। এর আগে এই কাজ কি করতে পেরেছে আর কেউ? বয়স মাত্র ২০ বছর।
Sports Analyst
12/09/2023
রোহিত, গিল, কোহলি, রাহুল, হার্ডিক,,,, ইন্ডিয়ার এই পাঁচজন ব্যাটসম্যানকেই এক ইনিংসে আউট করেছে এই পোলা। নাম দুনিত ওল্লালেগে। এর আগে এই কাজ কি করতে পেরেছে আর কেউ? বয়স মাত্র ২০ বছর।
08/09/2023
ইন্ডিয়ার ওয়াল্ডকাপ স্কোয়াডে জায়গা হয়নি আর্শদীপ সিং এর। তিনজন বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। পান্ডিয়া আর শার্দিুল দুজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
ইন্ডিয়ার ঘরের মাঠে ১১ ওয়াল্ডকাপের সেরা পেসার ছিলের বাঁহাতি জহির খান। একাদশে একজন বাঁহাতি পেসার পাওয়ার প্লেতে বাড়তি সুবিধা দেয় নয় কি? সিরাজের একটা খারাপ দিনে ইন্ডিয়া স্ট্রাগেল করবেনা তার নিশ্চয়তা কি। India should have gone with Arshdeep instead of Shardul anyday! He can swing the ball outside off, inside on the pad. he can bowl yourkers at the death. He can take early wickets.
এখন আসি কেনো আর্শদীপকে নেওয়া হলো না? বর্ণবাদী আচরণ? হতেই পারে। পাঞ্জাবি হওয়াতে শিখ, খালিস্তানি বলেও তাকে কটাক্ষ করেছে ইন্ডিয়ানরা। এর আগে ইরফান পাঠান, শামী, সিরাজও বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন। শামীর আইসিসি ইভেন্টের পারফর্মেন্স দেখে তাকে হয়তো বাদ দেওয়ার সাহস দেখায়নি।
আইপিএল ইফেক্ট? হতে পারে! আর্শদীপ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এরও না, আরসিবিরও না। ধোনির টিমেরও না।
লাস্ট ১০ ইনিংসে ১৫০ রানও করতে না পারা সূর্যকুমার যাদব সুযোগ পায় আর লাস্ট ১০ ইনিংসের ৬ টাতেই অপারজিত থাকা সাঞ্জু সামসন স্কোয়াডে সুযোগ পায় না।
মিস্টার আইসিসি খ্যাত শিখর ধাওয়ান সুযোগ পাননি। জাদেজা টিমে থাকতে অক্ষর প্যাটেলের প্রয়োজন ছিলো কি? জায়গা হয়নি একাধিক বড়ো ম্যাচে ইন্ডিয়াকে বাচানো লেগি য়ুযবেন্দ্র চাহালেরও।
আপনাদের মনে কেমন হলো ইন্ডিয়া স্কোয়াড? কার ইনক্লুশন/ এক্সক্লুশনে বেশি সারপ্রাইজড হয়েছেন?
06/09/2023
শক্তির বিচারে পাকিস্তান ঢের এগিয়ে। তার উপর শান্তর না থাকা বাংলাদেশ ব্যাটিংএর কোমর ভেঙে যাওয়ার মতো।
লাহোরের গরম আর ঠনঠনে পিচ। চোখ কান খোলা রাখলে মোটামুটি সব ব্যাটাররাই রান করতে পারছে এখানে। খুব এক্সট্রাঅরডিনারি বোলিং ছাড়া বোলারা ওইভাবে সুবিধা এনে দিতে পারছে না।
আফগানিস্তান বাংলাদেশের কাছে হেরেছে শুধু বড়ো রানের চাপে। সেক্ষেত্রে আগে ব্যাট করে ৩২০ এর আশেপাশে রান করতে পারলে যেকোনো দলের জন্যই সুযোগ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাটিং এ সাকিব, মুশফিকের স্টেপ আউট করতে হবে আজকে। একেকদিন একেক কম্বিনেশনের ওপেনিং জুটি সাকসেস হবে তার নিশ্চয়তা নেই।
লিটন বেশ কিছুদিন ধরে প্রাক্টিসে নেই। স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড তাকে সুযোগ দেওয়া ঠিক হবে না। নতুন বলের সুইংএও সে বরাবর খাবি খায়।
নাইম শেখ তার ফুটওয়ার্ক ঠিক না করে যদি ১০০ ও করে তাও আমি তাকে না রাখার পক্ষে। পেস বাউন্সে আফিফ ভালো বরং।
মিরাজের সাথে বিজয়কে ওপেনিং সুযোগ দেওয়া যেতে পারে যেহেতু সে বেশ কিছুদিন ধরে দলের সাথে আছে। গত ম্যাচে বদলি প্লেয়ার হিসেবে ভালোও করেছে।
ইমাম-উল-হকের উইকেটটা ক্রুশাল হবে। এই ধরনের ব্যাটিং উইকেটে ইমামের মতো টেকনিক্যালি সাউন্ড ব্যাটারকে আউট করা টাফ হবে।
ছবিটা কেনো সংযুক্ত করলাম? ছবিটা ২০১৮ এশিয়া কাপের। বাংলাদেশ ৩৭ রানে জিতেছিলো ম্যাচটা। মুশফিক ৯৯ করে আউট হয়েছিলেন। বাঁহাতি পেসারদের দাপট ছিলো ম্যাচে, শাহীন, জুনাইদ, মুস্তাফিজ।
05/09/2023
কারেন্টলি বি গ্রুপের টপে আছে শ্রীলঙ্কা। তারা মোটামুটি স্বস্তিতেই আছে বলা যায়। শ্রীলঙ্কা আফগানিস্তানের সাথে জিতলে তো যাবেই, ছোটো ব্যাবধানে হারলেও তারা সুপার ফোরে চলে যাবে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেট বিবেচনায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানেরও যে একেবারে চান্স নেই তা না। আফগানিস্তান যদি এই ম্যাচ বড়ো ব্যাবধানে জিতে আর নেট রান রেটে বাংলাদেশের উপরে চলে যায় তাহলে তারা সুপার ফোরে কোয়ালিফাই করে যাবে, সেক্ষেত্রে বাদ পড়ে যাবে শ্রীলঙ্কা যেহেতু তারা নেট রান-রেটে পিছায় যাবে।
আফগানিস্তানের নেট রান রেটে বাংলাদেশের উপরে যেতে হলে আগে ব্যাট করে ১২০+ রানে জিততে হবে বা শ্রীলঙ্কা যদি ৩০০ রান করে সেটা ৩৮ ওভারের ভিতর চেজ করতে হবে। (কুয়াইট ইম্পসিবল দো)
বাংলাদেশের সুপার ফোর মোটামুটি নিশ্চিতই বলা যায়। শ্রীলঙ্কা নিজেদের লাস্ট ম্যাচ জিতলে তো বাংলাদেশ যাবেই, শ্রীলঙ্কা ছোটো ব্যাবধান হারলেও বাংলাদেশ যাবে এবং শ্রীলঙ্কা বড়ো ব্যাবধানে হারলেও বাংলাদেশ কোয়ালিফাই করবে আফগানিস্তানের সাথে।
03/09/2023
ম্যাচ হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এই মাঠে বাংলাদেশ সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছে ২০০৮ সালে, ১৫ বছর আগে। সবসময়ই রানের পিচ থাকে।
গুরবাজের উইকেটটা ক্রুশাল হবে। গুরবাজকে সেট হতে সময় দেওয়া যাবে না। ওপেনার বড়ো রান পেলে আফগানদের আর থামানো যাবে না। গুরবাজের শুরু থেকেই এক্সিলারেট করার জন্য তার যোগ্য পার্টনারই আছে ঠান্ডা মাথার ইব্রাহিম জাদ্রান।
গুরবাজকে সামলানোর কাজটা করতে হবে তাসকিনকে। গতির সাথে ইংসুইংগারের ফাঁদে যদি ফেলা যায়। মুস্তাফিজের জায়গায় হাসান মাহমুদ বেস্ট পিক। মুস্তাফিজের ভালো করার কোনো আগ্রহ নেই, তাকে একাদশের বাইরে রাখাই শ্রেয়। লাহোরের ঠনঠনে পিচে রান হবে বলাই যায়। সেক্ষেত্রে হাসান মাহমুদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং কার্যকরি হবে।
নাইম শেখকে নিয়ে খেলা আর দশজন নিয়ে খেলা সমান। শুরু থেকেই স্পিন আনবে রশিদ খান। স্পিন সামলানোর জন্য বিজয় ভালো হবে। শান্তও ইনিংস ওপেন করতে পারে।
শেখ মাহাদিকে রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখি না। সেক্ষেত্রে একজন এক্সট্রা ব্যাটার নিতে পারে। আফিফ হতে পারে।
সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ রশিদ মুজিবের স্পিন। তারা যেকোনো পিচে বল ঘোরাতে পারে। শুরুতেই এক প্রান্ত থেকে মুজিব আসবে বোলিং এ। তার মিস্ট্রি স্পিনে এলবির ফাঁদে পড়তে পারে বিশেষ করে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা। রশিদ মুজিবকে চার্জে না গিয়ে দেখেশুনে স্ট্রাইক রোটেট করে খেললে ভালো করবে। মোহাম্মদ নবীও ভালো সাপোর্ট দেয় তাদের।
টস জিতে অবশ্যই ব্যাটিং করতে হবে। লাহোরের ঔতিহাসিক হাই স্কোরিং মাঠে ৩০০+ উড বি সেইফ টোটাল। এক ম্যাচ হেরে বাংলাদেশ এক্সটা চাপে আছে নিশ্চয়ই। কি মনে হয় পারবে বাংলাদেশ?
02/09/2023
ফুলহামের সাথে আর্লিং হালান্ড টোটাল পাস খেলেছে ৬ টা, ৪টা একুরেট পাস। ৪টা শর্ট নিছে তার ৩টা গোল। একবার হালান্ড এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলো তার বিগেস্ট ড্রিম হচ্ছে ম্যাচে মোট ৫ বার বল টাচ করা এবং ৫ টা গোল করা।
Not Human!
সবকিছু জেনে ইন্ডিয়া টস জিতে ব্যাটিং কেনো নিলো? বৃষ্টিবহুল আবহাওয়ায় আগে ব্যাটিং করাই কমন সেন্স। পাকিস্তানও টস জিতলে ব্যাট নিতো। যাইহোক ইন্ডিয়া রান রেট এখন পর্যন্ত ঠিকই রেখেছে উইকেট হারালেও। ডি এল মেথডে এটা তাদের এডভান্টেজ দিবে নিঃসন্দেহে।
29/08/2023
এশিয়া কাপ; বাংলাদেশ দল ভাবনা:
ওপেনিং নিয়ে বড়োসড়ো একটা সমস্যা হবে। শ্রীলংকার সব মাঠেই স্পিনবান্ধব উইকেট থাকবে বলা যায়। মোটামুটি স্লো পিচ হবে ধারণা করি। সেক্ষেত্র রেগুলার পরিক্ষিত ওপেনার ছাড়া টেলেন্ডারদের (মিরাজ, শেখ মাহাদী) দিয়ে ওপেন করায় দেওয়া হবে হাস্যকর এবং অবিবেচনাপ্রসূত।
তামিম, লিটন দুজনের কাউকেই পাচ্ছে না বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে। ফ্লাট উইকেট ছাড়া অফফর্মে থাকা সৌম্যকেও শ্রীলংকান কন্ডিশনের জন্য ভালো বিবেচনা হবে না।
টপ অর্ডারের দায়িত্ব সাকিবকে নিতে হবে, ধরে খেলা যাকে বলে। মুশি কুড বি আ বিগ অ্যাসেট ফর মিডল অর্ডার। লঙ্কানদের সাথে বরাবরই ভালো করতে দেখা যায় মুশফিককে।
হাসারাঙ্গার না থাকাটা বাংলাদেশের জন্য কিছুটা স্বস্তির হতে পারে। নরম পিচে হাসারাঙ্গা, থিকসানার ২০ ওভার সামাল দেওয়া কঠিন হতো নিঃসন্দেহে। ধানাঞ্জয়াও ভালো অফ ব্রেক করে। টপ অর্ডারের তিনজনই বাহাতি হলে থিকসানা, ধানাঞ্জয়ারা বাড়তি সুবিধা পাবে।
সাকিব, মিরাজে একসাথে তাসকিন, মুস্তাফিজদের ভালো সাপোর্ট দিতে পারবে। বিশেষ করে স্লো পিচগুলোতে মিরাজের থেকে বেটার উইকেট টু উইকেট অফ স্পিনার মনে হয় আর নেই।
তাওহীদ হৃদয় প্রত্যাশার চাপ সামলাতে পারে কি না দেখার বিষয়। এপার্ট ফ্রম ব্যাটিং লাইনআপ বাংলাদেশ দলের বোলিং ডিপার্টমেন্ট টুর্নামেন্টের যে কারো থেকে ভালো মনে হচ্ছে আপাতত।
*বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ জিততে পারলে ফাইনালও খেলতে পারে আর প্রথম ম্যাচে হোচট খেলে গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে।
23/08/2023
সাকিবকে একবার এক ইন্টার্ভিউতে জিগ্যেস করা হয়েছিলো সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বোলার কে? সাকিব উত্তর দিয়েছিলেন মর্নে মর্কেল যখন পিক ফর্মে আর আমি সবেমাত্র ক্রিকেটে এসেছি। মর্কেলের মূল শক্তির জায়গা ছিলো তার ডেডলি বাউন্সার। শর্টার লেন্থ বাউন্সারে ব্যাটারদের নাভিশ্বাস উঠায় গেছেন প্রায় এক যুগ ধরে।
মর্কেল পাকিস্তানের বোলিং কোচ হয়ে আসার সময় কথা হচ্ছিলো হ্যারিস, নাসিম, হাসনাইনদের শর্টার লেন্থ নিয়ে কাজ করার জন্যই মূলত মর্কেলকে নিয়োগ দেওয়া। গতকালকে ওডিআইতে আফগানিস্তানকে ৫৯ রানে অলআউট করেছে পাকিস্তান। শ্রীলংকার টিপিক্যাল স্পিনবান্ধব পিচে পাকিস্তানের পেসাররা দুমড়ে দিছে আফগানদের। হ্যারিস, নাসিমরা শর্টার লেন্থ বাউন্সার করে সাফল্য পেয়েছে। শ্রীলংকায় এশিয়া কাপে তো অবশ্যই এবং ইন্ডিয়াতে ওয়াল্ডকাপেও শাহীন, হ্যারিস, নাসিম শাহরা যেকোনো টপ অর্ডারের জন্যই ত্রাস হবে। এই বোলিং ডিপার্টমেন্ট থাকলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে অন্যতম ফেবারিট হয়েই যাবে। ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, বাবর আজম , মোহাম্মদ রিজওয়ানদের কাজ হবে শুধু বোলারদের সাপোর্ট দেওয়া।
29/03/2023
2nd FIFER and leading wicket taker in T20I