17/04/2026
এ-বছর আমার পরিচিত মহল থেকেই ৫জন মেধাবী আলেম মাদরাসার খেদমত ছেড়ে দিয়েছেন।
কেহ প্রবাসে চলে গেছেন,কেহ ব্যবসা শুরু করেছেন,আবার কেহ মসজিদে ইমাম হিসেবে চাকরি নিয়েছেন।
প্রতিবছর অসংখ্য মেধাবী কওমী আলেম মাদরাসার খেদমত ছেড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন।
কারন কি জানেন.?
মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন খুবই কম,আবার অধিকাংশ মাদ্রাসাতেই শিক্ষকদের বেতন বাকি থাকে মাসের পর মাস।
মাদরাসায় শিক্ষকতা করে দিনদিন ঋণের বোঝা বেড়েই চলছে।
পরিবারকে ভালো ভাবে যাচ্ছে না।
সন্তানকে ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ানো যাচ্ছে না।
জানলে অবাক হবেন,আমি এমনও দেখেছি যে,স্ত্রী সিজারিয়ান অপারেশন রুমে।
আর মাদরাসা শিক্ষক কিছু টাকার জন্য মুহতামীম নামক জালিমের পিছনে পিছনে ঘুরতিছেন।
তবুও পাওনা টাকাও পায়নি।
শেষমেশ আমরা কয়েকজন মিলে সেই শিক্ষকের হাতে কিছু টাকা তুলে দিলাম।
সেই শিক্ষক একজন মুসলিম শরীফের মুহাদ্দিস ছিলেন,প্রচুর মেধাবী আলেম ছিলেন।
তিনি ছিলেন আমার সরাসরি উস্তাদ..
ঠিক তার কয়েকদিন পরেই তিনি মাদরাসায় পাওনা ৮৭ হাজার টাকা ফেলে রেখে মাদরাসার খেদমতের ইতি টানেন..
এখন তিনি একজন ব্যবসায়ী...
সুতরাং কওমী মুরব্বিদের উচিৎ, আলেমদের বেতনের ব্যপারে একটু পদক্ষেপ নেওয়া।
না-হয় সেদিন আর বেশি দূরে নয়,যেদিন মাদরাসা ঠিকই থাকবে,ছাত্র ঠিকই থাকবে,মাগার শিক্ষক খুঁজে পাবেন না।
02/04/2026