17/08/2026
নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলের শতভাগ জিপিএ-৫: প্রশ্ন উঠছে শিক্ষার্থী ছাঁটাই নিয়ে...
নরসিংদীর আলোচিত নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের পেছনে নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থী বাছাই বা ছাঁটাইয়ের অভিযোগ ওঠার পর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে ৬০১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হলেও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ৩৮২ জন। এ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—বাকি শিক্ষার্থীদের কী হলো?
তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, টেস্ট পরীক্ষায় ৪৮৩/৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এবং তাদের মধ্যে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে ৩৮২ জনকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগকে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, তাদের সব কার্যক্রম স্বচ্ছ এবং তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোর্ডকে জবাব দেবে।
অন্যদিকে, অভিযোগকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি—শতভাগ জিপিএ-৫-এর সাফল্য ধরে রাখতে দুর্বল বা তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে প্রকৃত সত্য কী বেরিয়ে আসে। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। আবার অভিযোগের সত্যতা না থাকলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধেও যেন কোনো ভুল ধারণা বা অপপ্রচার না থাকে, সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন নয়; বরং প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। তাই এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসুক—এটাই সবার প্রত্যাশা।
নোট: এখানে উল্লিখিত অভিযোগগুলো তদন্তাধীন; শিক্ষা বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো পক্ষকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
02/07/2026
আজ শুরু হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা। এ বছর ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী তাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পদার্পণ করছে। এই পরীক্ষা শুধু কিছু প্রশ্নের উত্তর লেখার নয়; এটি বহু বছরের পরিশ্রম, ত্যাগ, স্বপ্ন আর পরিবারের প্রত্যাশার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
প্রিয় পরীক্ষার্থীরা, মনে রেখো—পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করো, ধৈর্য ধরে প্রতিটি প্রশ্ন পড়ো এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো। ইনশাআল্লাহ, তিনি তোমাদের জন্য উত্তম ফয়সালা করবেন।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য রইল অফুরন্ত দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনা।
29/05/2026
‘তোমাদের গল্প ২‘ দেখতে বসে মনে হলো অনেকদিন পর সত্যিকারের ফ্যামিলি ভাইবের একটা নাটক দেখলাম। পুরো গল্পজুড়ে ইমোশন, অভিমান, ভালোবাসা আর খুনসুটি এমনভাবে মিশে ছিলো যে কোথাও বোরিং লাগেনি। বিশেষ করে ২৮ বছরের অভিমান ভাঙানোর বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।
জোভান আর তটিনীর জুটিটা ছিলো নাটকের সবচেয়ে এনজয়েবল দিক। তটিনীর চঞ্চলতা, দুষ্টুমি আর সেই বারবার জিভ কামড় দেওয়ার এক্সপ্রেশনগুলো বেশ কিউট লেগেছে। দীপা খন্দকারের সাথে তার দৃশ্যগুলোতে আলাদা একটা ফান ভাইব ছিলো। অন্যদিকে জোভান ছিলো শান্ত, ম্যাচিউর আর ইমোশনাল - দুজনের কেমিস্ট্রি একদম ন্যাচারাল লেগেছে।
মোস্তফা কামাল রাজ বরাবরের মতোই অনেক চরিত্রকে একসাথে সুন্দরভাবে হ্যান্ডেল করেছেন। সাবেরী আলম, দীপা খন্দকার, মনিরা মিঠু - সবাই নিজেদের চরিত্রে খুব মানিয়ে গেছেন। নাটকটা শুধু পরিবার নিয়ে গল্প বলেনি, বরং সম্পর্কের ভেতরে জমে থাকা অভিমান আর ভালোবাসার গভীরতাও সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে।
সব মিলিয়ে ‘তোমাদের গল্প ২’ একদম সফট, ইমোশনাল আর হার্টওয়ার্মিং একটা ফ্যামিলি ড্রামা। ঈদের সময় পরিবারের সাথে বসে দেখার মতো সুন্দর একটা কাজ।
13/04/2026
🌸🌼 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ 🌼🌸
নতুন বছরের আগমনে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিদায় নেওয়া বছরের সকল দুঃখ, কষ্ট, ব্যর্থতা আর না-পাওয়া গুলোকে পেছনে ফেলে, নতুন আশা আর স্বপ্ন নিয়ে শুরু হোক আমাদের নতুন পথচলা।
এই নববর্ষে প্রতিটি মানুষের জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি আর সুস্বাস্থ্য। আমাদের হৃদয় ভরে উঠুক ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর মানবিকতায়। পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে উঠুক আনন্দময় ও স্মরণীয়।
নতুন বছর হোক নতুন সম্ভাবনার দরজা—যেখানে থাকবে সাফল্য, প্রেরণা আর এগিয়ে যাওয়ার সাহস। আমাদের সমাজ, দেশ ও জাতি এগিয়ে যাক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে—এই কামনা করি।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো, অন্যের পাশে দাঁড়াবো এবং একটি সুন্দর ও সুখী সমাজ গড়তে অবদান রাখবো।
🌿 নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও আশায় ভরা 🌿
✨ শুভ নববর্ষ ✨
সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
18/03/2026
❤️ #ব্রেকিং.. ৩০ টি রোজা পালনের মধ্য দিয়ে সৌদি আরব শুক্রবার ও বাংলাদেশ শনিবার ঈদ করবে ইনশাআল্লাহ।
14/03/2026
Prompt-
A hyper-realistic 8k studio shot, captured with a 50mm lens at a slightly low angle, features a person with uploaded face as reference, smiling directly at the camera. The character is standing, with their left hand casually in their pocket and their right arm bent, leaning against a colossal, three-dimensional, stylized Facebook 'f' logo. The 'f' logo is rendered in a vibrant blue with a white inner face, exhibiting clean, sharp edges and a smooth, glossy texture. The character wears a bright blue hoodie with "SHAFIUR " emblazoned in white text across the chest, grey cargo pants with visible pockets and subtle creasing, and pristine white high-top sneakers. A dark smartwatch is visible on their right wrist. The giant 'f' logo and the character stand on a rectangular blue plinth, which is enveloped at its base by soft, volumetric white clouds, creating a dreamlike, ethereal effect. A metallic plaque is affixed to the front of the plinth, displaying the text "Shafiur editor & online tips " and "Shafiur editor & online tips " in a clean sans-serif font. The scene is illuminated with cinematic studio lighting, featuring soft, even front lighting with subtle fill, and a gentle rim light highlighting the character's left side, casting soft, realistic shadows. The background is a clean, light grey gradient, slightly darker at the top, emphasizing the subject. Highly detailed textures are visible on the clothing, sneakers, and the polished surfaces of the logo and plaque.